kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

রমজানে ক্ষুধাক্লিষ্ট মানুষের কষ্ট অনুধাবন

ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মে, ২০১৯ ০৯:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রমজানে ক্ষুধাক্লিষ্ট মানুষের কষ্ট অনুধাবন

রমজানে রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব আমল বেশি পরিমাণে করতেন দান-সদকা তার অন্যতম। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষের ভেতর সবচেয়ে দানশীল। আর রমজানে তাঁর দানের পরিমাণ বহুগুণে বেড়ে যেত। হাদিসের ভাষায় তা হলো প্রবহমান বাতাসের মতো, যা থেকে সৃষ্টি জগতের সবাই উপকৃত হতে পারে।  রমজানে নবী করিম (সা.) দানের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার বহু কারণ হাদিসবিশারদরা উল্লেখ করেছেন। তবে তার কোনোটাকে চূড়ান্ত বলার সুযোগ নেই। আবার কোনো ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যানও করার দরকার নেই।

তাঁরা বলেছেন, যেহেতু আল্লাহ রমজানে বান্দার প্রতি তাঁর দান ও অনুগ্রহ বহুগুণে বাড়িয়ে দেন, তাই কোনো বান্দা দান-সদকা বাড়িয়ে দিয়ে আল্লাহর রঙে রঙিন হতে পারে। আল্লাহর রাসুল (সা.)ও তাই করেছেন।

রমজানে দান-সদকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষ তা দ্বারা উপকৃত হবে এবং তারা আল্লাহর ইবাদতে অধিক মনোযোগী হতে পারবে। তা ছাড়া রমজানের পর ঈদ আনন্দের ভাগও তারা পাবে।

রমজানে আল্লাহ তাআলা প্রতিটি ইবাদতের সওয়াব বাড়িয়ে দেন। সুতরাং এই মাসে বেশি বেশি দান করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে।

রমজানে মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হালাল পানাহার থেকে বিরত থাকে। দীর্ঘ সময় অভূক্ত থাকায় সে ক্ষুধাক্লিষ্ট মানুষের কষ্ট অনুধাবন করতে পারে। তার এই অনুধাবনের দাবি হলো, সে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবে, তাদের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করার চেষ্টা করবে। সুতরাং রোজাদার ব্যক্তি স্বপ্রণোদিত হয়ে দান-সদকার পরিণাম বাড়িয়ে দেবে।

তাই আসুন, আমরা সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য ভাবি এবং তাদের পাশে দাঁড়াই।

লেখক : বিশিষ্ট লেখক ও ইসলামী চিন্তাবিদ

মন্তব্য