kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

বিশ্বসাহিত্য

রিয়াজ মিলটন   

১০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



 লেস মুরে

কবি লেস মুরের জীবনাবসান

অস্ট্রেলিয়াার খ্যাতনামা কবি ও লেখক লেস মুরে (লেসলি অ্যালান মুরে) মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। অনেক দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার সমসাময়িক কবি ও লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ মুরে। বেশ কিছু বছর ধরেই নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকায় তাঁর নাম উচ্চারিত হয়ে আসছে। ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের লেখক ক্যারিয়ারে ৩০টির মতো বই প্রকাশিত হয়েছে তাঁর। ব্ল্যাক ইনকরপোরেশন থেকে সর্বশেষ একটি কাব্যসংগ্রহ প্রকাশিত হয় তাঁর। নিউ সাউথ ওয়েলসের নাবিয়াকে ১৯৩৮ সালের ১৭ অক্টোবর জন্ম মুরের। নাবিয়াকের কাছে টারে শহরের একটি নার্সিং হোমে মারা যান তিনি। টিএস এলিয়ট প্রাইজ, কুইনস গোল্ড মেডেলসহ কবিতার মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারগুলোর প্রায় সবই পেয়েছেন মুরে। ২০১২ সালে ন্যাশনাল ট্রাস্ট অব অস্ট্রেলিয়া মুরেকে দেশটির ১০০ জীবিত মহান ব্যক্তির অন্যতম বলে অভিহিত করে। মুরে ১৯৬৫ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য আইলেকস ট্রি’ প্রকাশ করেন জিওফ্রে লেহম্যানের সঙ্গে যৌথভাবে। তাঁর প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য ওয়েদারবোর্ড ক্যাথেড্রাল’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। সত্তরের দশকে লেখালেখিতে পুরোপুরি মনোনিবেশ করার জন্য সরকারি চাকরি ছাড়েন মুরে। তিনি ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত কবিতার জার্নাল পোয়েট্রি অস্ট্রেলিয়া সম্পাদনা করেন।

 ওয়েলবেক

 

সম্মানিত ওয়েলবেক

ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা লিজন অব অনারে ভূষিত হলেন দেশটির বিতর্কিত ও টপ-সেলার ঔপন্যাসিক মিশেল ওয়েলবেক। প্র্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ সম্প্রতি তাঁর বাসভবন এলিসি প্রাসাদে এক অনুষ্ঠানে ওয়েলবেককে এ সম্মাননা প্রদান করেন। একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ওয়েলবেকের বই ফ্রান্সে বহুল পঠিত এবং একই সঙ্গে বিতর্কিতও। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘হোয়াটএভার’ ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হলেও ১৯৯৮ সালে দ্বিতীয় উপন্যাস ‘অ্যাটোমাইজড’ প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি কুড়ান। পাশাপাশি একজন বিতর্কিত লেখক হিসেবেও আবির্ভূত হন। ২০১৫ সালে  ‘সাবমিশন’ নামে তাঁর একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়। ওই দিনই প্যারিসে শার্লি এবদো পত্রিকা অফিসে ইসলামী জঙ্গিরা হামলা চালায়। উপন্যাসটিতে দেখা যায়, ২০২২ সালে ফ্রান্সে একজন মুসলিম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। এবং তিনি দেশটিতে শরিয়াহ আইন চালু করেছেন। এ উপন্যাসটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয় ফ্রান্সজুড়ে। গত জানুয়ারিতে প্রথাবিরোধী এ লেখকের ‘সেরোটোনিন’ নামের একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়। সমালোচকরা বইটিকে ওয়েলবেকের অন্যান্য রচনার তুলনায় ‘হতাশাজনক’ বলে অভিহিত করলেও পাঠক মহলে এটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। 

 

প্যাট বার্কার

 

উইমেন্স প্রাইজের

সংক্ষিপ্ত তালিকা

প্যাট বার্কারের কলমে ইলিয়াডের নতুন উপস্থাপনা, অ্যানা বার্নসের লেখা এক টিনএজ মেয়ের দুঃসহ জীবনের বুকারজয়ী কাহিনি জায়গা করে নিয়েছে এবারের যুক্তরাজ্যের উইমেন্স প্রাইজ ফর ফিকশনের জন্য মনোনীত বইয়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায়। সম্প্রতি এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় স্থান পাওয়া ‘রিজেনারেশন’ ট্রিলজি গ্রন্থখ্যাত বুকারজয়ী ব্রিটিশ লেখক প্যাট বার্কারের বইটির নাম ‘দ্য সাইলেন্স অব দ্য গার্লস’। এতে রাজকুমারী ব্রিসিসের গল্প বলা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, ব্রিসিস অ্যাকিলিসের দাসী হতে বাধ্য হন। ব্রিসিসের স্বামী ও ভাইকে হত্যা করে অ্যাকিলিস। সংক্ষিপ্ত তালিকায় গ্রিক মিথ ও কিংবদন্তীর আরো একটি নয়া ভার্সন স্থান পেয়েছে। সেটি হচ্ছে মেডেলিন মিলারের ‘সিয়ারসি’। তালিকার অন্য চারটি বই হচ্ছে, ওইনকান ব্রেইথওয়েটের ‘মাই সিস্টার, দ্য সিরিয়াল কিলার’, অ্যানা বার্নসের ‘মিল্কম্যান’, ডায়ানা ইভানসের ‘অরডিনারি পিপল’ এবং টায়ারি জোনসের ‘অ্যান অ্যামেরিকান ম্যারিজ’। এর মধ্যে অ্যানা বার্নসের মিল্কম্যান গত বছর বুকার পুরস্কার জয় করে। আর মার্কিন ঔপন্যাসিক মেডেলিন মিলার ২০১৩ সালে উইমেন্স প্রাইজ জয় করেছিলেন। তাঁর বইটির নাম ছিল ‘দ্য সং অব অ্যাকিলিস’। আগামী ৫ জুন ৩০ হাজার পাউন্ড অর্থমূল্যের উইমেন্স প্রাইজ ফর ফিকশন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা