kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

ভাষা

সোহরাব পাশা

৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



মানুষ নির্জন হাঁটে। তার আদিগন্ত নৈঃসঙ্গ্য বেদনা চায়

জ্যোত্স্নাজলে প্রিয় মুখ, নিজস্ব শব্দের পাখি অন্তর্গত ছায়া

আর নিবিড় আড়াল। খাঁ খাঁ রাত্রি ডাকে অন্তর্মুখী ফেরে না অন্তরে তার

মধ্যরাত পৌঁছে দেয় দীর্ঘশ্বাসের কম্পোজ করা দীর্ঘ চিঠি

অশেষ বিরহগান

 

স্মৃতিচিহ্নহীন পাড়াভাঙা ঢেউয়ের পঙিক্ত টেনে নেয় বালুচরে

সে অক্ষর পায় না জলের ভাষা চোখের রোদ্দুরে রাঙা আলো

আঙুলের নিপুণ মুদ্রায় খেলা করা থৈথৈ চাঁদের আগুন

বুকের ভেতর নিঃশ্বাসের অন্য রকম উচ্ছ্বাস, মুগ্ধ বৃষ্টির নির্জন

ঘ্রাণ

 

ওই বিখ্যাত ঘ্রাণের চিত্রল ছায়ায় হাঁটেন অনন্ত রাত্রির

স্পর্শহীন প্রিয় তিনি; মানুষের প্রশ্রয়ে অচেনা দ্যুতি ফুটে

থাকে। বৃক্ষেরা নিবিড় ডানা মেলে ভেতরে-বাহিরে

 

মানুষ শিখেছে উড়ালের গূঢ় ভাষা; বৃক্ষ কোথাও যায় না

দাঁড়িয়েই বড় হয়

মানুষ কি তাই বৃক্ষমুখী হতে চায় ছায়াশিল্পে

 

মানুষ ভুলিতে চায় অন্ধরাত্রি মেঘ

বিদ্বেষের তীক্ষ ভাষা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা