kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ধারাবাহিক উপন্যাস মৎস্যগন্ধা

মৎস্যগন্ধা

হরিশংকর জলদাস

৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



মৎস্যগন্ধা

অঙ্কন : মানব

‘আপনি তো কথা দিয়েছিলেন—আমার কোনো কাজে বাধা দেবেন না।’ ‘হ্যাঁ, দিয়েছিলাম! তাই বলে এত বড় অন্যায়!’

‘ন্যায়-অন্যায় বুঝি না। শপথ নিয়েছিলেন আমার কাজের অন্তরায় না হওয়ার।’

‘তাই বলে এ রকম অন্যায্য কাজ! এ রকম অপকর্ম! একের পর এক!’ আর্তনাদ করে উঠলেন রাজা শান্তনু।

‘ন্যায় মানি না, অনীতিকে আমি গ্রাহ্য করি না। যা মন চায়, তাই করে যাব আমি। আটকাতে পারবেন না আপনি আমায়। আপনি আপনার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করতে পারেন না।’ শক্ত গলায় বলল রূপময়ী।

নিষ্পন্দ চোখে রূপময়ীর দিকে তাকিয়ে থাকলেন রাজা শান্তনু। নিথর দেহ রাজার। কণ্ঠস্বর রুদ্ধপ্রায়।

রাজার অদূরে দাঁড়িয়ে আছে রূপময়ী। তার বুকের কাছে জড়ানো রেশমি কাপড়ের পুটুনি। তাতে সদ্যোজাত এক মানব সন্তান। পুত্রসন্তান। রূপময়ী কক্ষের বাইরে যাওয়ার জন্য বাম পা-টা সামনে বাড়াল। রাজা কঠোর কণ্ঠে হুংকার দিয়ে উঠলেন, ‘খবরদার! সামনে আর এক পা-ও বাড়াবে না তুমি। অনেক হয়েছে। আর নয়। আর সহ্য করতে পারছি না আমি।’

‘সহ্য যে আপনাকে করতেই হবে রাজামশাই। আপনি যে সত্যবাদী। সত্যের প্রতি আপনার অনুরাগের কথা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড জানে। সত্যাশ্রয়ী রাজা কী করে সত্যের অন্যথা করবেন?’ এক অদ্ভুতুড়ে কণ্ঠে কথাগুলো বলে গেল রূপময়ী। তার আচরণে ঔদ্ধত্যের প্রকাশ। স্থিতধী নৃপতি শান্তনুর মন বলে উঠল—থামাও তুমি রূপময়ীকে। বন্ধ করো তার কুকর্ম। নিজের চিত্ত দৌর্বল্যকে আর প্রশ্রয় দিয়ো না রাজা। এত দিনে তোমার চারদিক আলোয় আলোয় ভরে উঠত। ওই নারীটি তোমার জীবনের সব আলো কেড়ে নিয়েছে। দুর্ভাবনায় ভরিয়ে তুলেছে তোমার জীবনকে। এখন তোমার জীবনে তরঙ্গের অভিঘাত, ভাঙনের শব্দ। তুমি যদি এখন, এই মুহূর্তে ওই অপকর্মে উদ্যত নারীটিকে না থামাও, তাহলে এই পৃথিবীতে তোমার বলে কিছুই থাকবে না। বেঁচে থাকার সব অবলম্বন হারাবে তুমি। ‘চুপ থাকো তুমি। আর একটা শব্দও করবে না। প্রাসাদের বাইরে পা দেবে না। আমার সন্তানকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও।’ গর্জে উঠলেন রাজা।

‘আমি তো এই সন্তানকে আপনার কাছে ফিরিয়ে দেব না রাজা। আমি তো একে নদীতে বিসর্জন দেব।’

রূপময়ীর কথা শুনে কুরুকুলাধিপতি ভীষণ ক্রোধান্বিত হয়ে উঠলেন। সব ভব্যতা ভুলে চিত্কার করে বললেন, ‘নিষ্ঠুর নারী। হিংস্র রমণী। তোমার মধ্যে কি বাত্সল্য বলে কিছুই নেই? তুমি কি রক্ত-মাংসের নও? নিষ্প্রাণ পাথরে তৈরি কি তুমি? এতটি বছর ধরে আমার এতগুলো সন্তানকে হত্যা করেছ তুমি! তোমাকে আমি আর রেহাই দেব না। প্রহরী প্রধান, প্রহরী প্রধান...।’

একেবারে শান্ত নির্জীব কণ্ঠে রূপময়ী বলল, ‘প্রহরী প্রধানকে ডাকতে হবে না। এই নাও তোমার পুত্রকে। আমি তোমাকে ত্যাগ করে যাচ্ছি।’

‘ত্যাগ করে যাচ্ছ!’ বিভীষণ ক্রোধের মধ্যেও বিস্মিতকণ্ঠে শান্তনু বলে উঠলেন।

‘সেই রকমই কথা ছিল শান্তনু।’ মোলায়েম গলায় বলল রূপময়ী।

শান্তনু! রাজামশাই নয়, নৃপতি নয়, কুলপতি নয়, একেবারে শান্তনু! কে এ! এ কে!

‘কে তুমি নারী!’ বিবশ ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলেন শান্তনু।

নারীটির সমস্ত মুখমণ্ডলে সুবাসিত হাসি ছড়িয়ে পড়ল। রাজার মনে হতে থাকল—সামনে দাঁড়ানো রূপময়ীর চেহারা যেন ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। আগের তুলনায় বাহু তার আরো সুকোমল মনে হচ্ছে, নাসিকাকে আরো সুচারু দেখাচ্ছে; দেহগঠন সুললিত, স্নিগ্ধ, মনোলোভা হয়ে উঠছে। একজন দিব্যদেহী আলোকদীপ্ত নারী যেন তাঁর সামনে আবির্ভূত হয়েছে।

নারীটি নিষ্কম্প কণ্ঠে বললেন, ‘আমি গঙ্গা।’ শব্দ দুটি ঢেউয়ের মতো শান্তনুর কানে এসে আছড়ে পড়ল। —আ-মি গ-ঙ্গা!

‘গঙ্গা! কোন গঙ্গা?’ অসাড় কণ্ঠ রাজা শান্তনুর।

‘দেবী গঙ্গা। হিমালয় কন্যা আমি। মেনকার গর্ভে জন্মেছি। জলেশ্বরী আমি। জলাধিসকল আমার আজ্ঞাবহ।’ গঙ্গা বললেন।

রুদ্ধবাক শান্তনু পলকহীন চোখে দেবী গঙ্গার দিকে তাকিয়েই থাকলেন।

পর্বতরাজ হিমালয়। তাঁর স্ত্রী মেনকা। এই মেনকা স্বর্গ-অপ্সরী নন। শকুন্তলা-জননী মেনকা নন তিনি। হিমালয়পত্নী মেনকা দিগ্কন্যা। তার পিতার নাম সুমেরু। কালক্রমে সুমের-দুহিতা যৌবনপ্রাপ্ত হলেন। হিমালয়ের সঙ্গে  মেনকার বিয়ে হলো। তাঁদের ঘরে দুই কন্যা জন্মালেন। উমা ও গঙ্গা। গঙ্গা কিশোরী থেকে যুবতী হলেন। তাঁর দেহসৌষ্ঠব কামোদ্দীপক হয়ে উঠল। একদিন গঙ্গাকে দেখতে পেলেন মহাদেব। দেবতাদের মধ্যে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের স্থান অতি উচ্চ। শিবের অপর নাম মহাদেব। ঘরে পার্বতী নামের স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মহাদেব গঙ্গাকে বিয়ে করে নিজ আবাসস্থল কৈলাসে নিয়ে আসেন।

পার্বতী ও গঙ্গা—দুজনেই মহাদেবের প্রিয় পত্নী। কিন্তু মহাদেবের আকর্ষণ গঙ্গার প্রতি বেশি। গঙ্গা অধিকতর রূপসী। সংযম লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার মতো রূপ গঙ্গার। তাঁকে দেখলে ভোগতৃষ্ণা উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। গঙ্গা যেন ঘরের নন, তিনি যেন হর্মসহচরী নন, তিনি যেন মর্মসঙ্গী। অপরদিকে পার্বতী গৃহী নারী। চার-চারজন পুত্র-কন্যা নিয়ে সারা দিন সারাক্ষণ হিমশিম খান তিনি। মহাদেবকে একার করে সময় দেওয়ার মতো সময় থাকে না পার্বতীর হাতে। তাই মহাদেব গঙ্গার দিকে ঝোঁকেন। সব ভালোবাসা গঙ্গার জন্য উজাড় করে দেন মহাদেব।

গঙ্গার প্রতি মহাদেবের অধিক প্রেমভাব দেখে পার্বতী ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠেন। ক্রোধে উদ্দীপিত হয়ে তিনি ক্ষান্ত হলেন না। বাপের বাড়িতে চলে যেতে উদ্যত হলেন।

জ্যেষ্ঠপুত্র গণেশ এগিয়ে এলেন। বললেন, ‘এ কী করছ মা তুমি? ‘তুই আমাকে বাধা দিস না বাছা। আমি আর সইতে পারছি না। তোর বাপের নেকামি আমার সহ্যের বাঁধ ভেঙে দিয়েছে। আমাকে যেতে দে তুই।’ আহত গলায় বললেন পার্বতী।

‘কোথায় যাবে মা?’ শুঁড় নেড়ে গণেশ জিজ্ঞেস করেন।

‘কেন বাপের বাড়িতে যাব! আমি এতিম নাকিরে গণেশ? রাজা আমার বাপ, রাজা।’

‘তোমার অধিকার অন্যের হাতে তুলে দিয়ে তোমার বাপের বাড়ি চলে যাওয়া কি ঠিক হবে মা?’

‘আমার অধিকার অন্যের হাতে তুলে দিয়ে মানে।’ বিস্মিত পার্বতী।

‘তা নয় তো কী মা!’ একটু থামলেন গণেশ। মাকে কী বলবেন, সেটা নিজের মধ্যে গুছিয়ে নিলেন। বললেন, ‘যে কারণে তুমি স্বামীবাড়ি ত্যাগ করে চলে যেতে চাইছ, তুমি চলে গেলে কি তার সমাধান হয়ে যাবে? তুমি বাপের বাড়ি চলে গেলে বাবা কি সত্মা গঙ্গাকে ত্যাগ করবে? তোমাকে পাওয়ার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠবে?’

‘উঠবে না?’ আমতা আমতা করে বললেন পার্বতী। এবার ফুঁসে উঠলেন গণেশ, ‘কিছুতেই নয়; বরং বাবা আরো বেশি করে মা গঙ্গার দিকে ঝুঁকে পড়বে। মা গঙ্গাও ছলায়কলায় বাবাকে আরো বেশি মুগ্ধ করে রাখবে।’

‘তাহলে! তাহলে কী করি আমি এখন! ছাইভস্ম মাখা ওই মহাদেবটি শ্মশানচারী হলে কী হবে, নষ্টামিতে এককাঠি বাড়া। তার আচরণ ন্যক্কারজনক। গঙ্গাকে বিয়ে করে এনেছিল, মেনে নিয়েছিলাম; কিন্তু তার এ রকম ঢলাঢলি তো আর সইতে পারছি নারে গণেশ।’

‘তুমি ধৈর্য ধরো মা।’

‘ধৈর্য ধরব! কিভাবে ধৈর্য ধরব আমি।’ আমার তো এখন ধরণী দ্বিধা হও বলার অবস্থা রে বাপ।’

‘তুমি অস্থির হয়ো না মা। ব্যাপারটা আমার ওপর ছেড়ে দাও।’

‘তোর ওপর ছেড়ে দেব!’

‘হ্যাঁ, আমার ওপর ছেড়ে দাও। দেখো আমি কী করি।’

‘কী করবি তুই?’

‘তার আগে আমার কাছে প্রতিজ্ঞা করো মা—আমাদের ছেড়ে যাবে না তুমি, এইখানেই থাকবে তুমি।’

‘এত কেলেঙ্কারির মধ্যেও এখানে থেকে যেতে বলছিস তুই?’

‘বলছি মা। দেখে নিয়ো একটা  সমাধানে পৌঁছে যাব আমি।’

‘কী সমাধানে পৌঁছাবি তুই?’

‘এমন একটা সংকট তৈরি করব মা, যার মুখোমুখি হয়ে বাপ আমার মা গঙ্গাকে ত্যাগ করতে বাধ্য হবে।’

‘কী বলছিস তুই!’

‘শুধু আমার ওপর ভরসা রাখো মা তুমি। দেখে নিয়ো তোমার সংসার আগের মতো আনন্দময় হয়ে উঠবে।’

‘বলছিস তুই—আগের মতো হয়ে যাবে আমার দাম্পত্য জীবন!’

‘ঠিক তাই মা।’ স্বস্তির একটা লম্বা শ্বাস ফেলে বললেন গণেশ।

এবার নির্ভার কণ্ঠে জননী পার্বতী গণেশকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তা কিভাবে তাড়াবি তুই গঙ্গাকে, এই  কৈলাস থেকে?

গণেশ মায়ের প্রশ্নের সোজাসুজি কোনো উত্তর দিলেন না। শুধু হাসিতে গণেশের হস্তিচক্ষু দুটি ছোট হয়ে এলো।

গঙ্গা জলের দেবী। জলজগত্ তাঁর অধীন। মেঘমালা তাঁর আজ্ঞাধীন, জলাশয়, তটিনী, ঝরনা, জলধি—সবই গঙ্গা দেবীর আয়ত্তে। তাই গঙ্গার উপস্থিতিতে ধরিত্রী সুজলা-সুফলা, জলেশ্বরী গঙ্গার অনুপস্থিতিতে সব জীবজগতে অনাবৃষ্টি, অনাসৃষ্টি।

একটা সময়ে মর্ত্যলোকে অনাবৃষ্টি দেখা দিল। অনাবৃষ্টির কাল ১৪ বছরব্যাপী। সমগ্র জীবজগত্ বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হলো। দেশে দেশে দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়ল। অরণ্যে অরণ্যে বৃক্ষ সব মরতে শুরু করল। মুনি-ঋষিদের আশ্রমগুলোতে ফলাভাব আর জলাভাব দেখা দিল। নানা প্রান্ত থেকে বহু শত ঋষি আশ্রম ত্যাগ করতে শুরু করলেন। তাঁদের গন্তব্য মহর্ষি গৌতমের তপস্যালয়। গৌতম মুনি তাঁদের সবাইকে নিজ আশ্রমে ঠাঁই দিলেন। সবাইকে নিয়মিত খাদ্য জোগালেন। দান-ধর্মে আর অতিথিপরায়ণতায় তাঁর খ্যাতি জগত্জুড়ে। দিন গত হতে লাগল, অনাবৃষ্টিতে পৃথিবী জীর্ণ হতে লাগল।

একদিন নিজের পরিচয় লুকিয়ে ব্রাহ্মণের ছদ্মবেশে মহর্ষি গৌতমের আশ্রমে উপস্থিত হলেন গণেশ। সেখানে কিছু দিন কাটিয়ে দিলেন তিনি। একদিন অন্য ঋষিদের উদ্দেশ করে ছদ্মবেশী গণেশ বললেন, ‘মহর্ষি গৌতম ঋষিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম। তাঁর দয়ার শরীর। অসহায়দের আশ্রয়দাতা।’ তারপর কণ্ঠস্বর বদলালেন গণেশ। বললেন, ‘দয়ালু তিনি—মানি। কিন্তু আর কতাল তাঁর দয়ায় আমরা বেঁচে থাকব—বলুন। বলুন—আর কত দিন আমরা নিজের আশ্রম ছেড়ে, অধ্যাপনা যজন-যাজন ত্যাগ করে ঋষি গৌতমের আবাসনে আশ্রিত হয়ে থাকব?’ ‘আপনারা কি চান—এভাবে জীবন কাটুক আপনাদের?’

ঋষিদের মধ্যে মৃদু গুঞ্জন শুরু হলো। একজন বললেন, ‘আশ্রিত জীবনের মধ্যে গ্লানি আছে। আমরা এই গ্লানি থেকে মুক্ত হতে চাই।’

‘কিন্তু কিভাবে মুক্ত হবেন, ভেবেছেন কি কিছু?’ সতেজে বললেন গণেশ।

মুনিরা বললেন, ‘তা তো ভাবিনি আমরা! মুক্তির কোনো পথ কি জানা আছে আপনার?’

গণেশ বললেন, ‘আছে।’

ঋষিরা বললেন, ‘এই খরা থেকে, এই আকাল থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারি আমরা, বলুন ঋষি।’ গণেশ মাথা নিচু করে থাকলেন কিছুক্ষণ। কী বলবেন—ঠিক করে নিলেন। সমবেতদের উদ্দেশে বললেন, ‘আমাদের প্রধান অন্তরায় অনাবৃষ্টি। গত ১৪ বছর ধরে এই ধরাতল জলতৃষ্ণায় ভুগছে। এই পৃথিবী যদি জলপ্লাবিত হয়, এই ভারতবর্ষের ওপর দিয়ে যদি কোনো বিপুলা নদী বয়ে যায়, তাহলে এখানকার অরণ্য পাহাড়, সমতল-উপত্যকা আবার শস্যময় হয়ে উঠবে। নিষ্ফলাকাল কেটে যাবে। দুর্ভিক্ষ কেটে গেল, ধরিত্রী ফল-ফুল-শম্যময় হয়ে উঠলে আমরা আশ্রমে ফিরে যেতে পারব; ধান-অধ্যাপনার আশ্রমিক জীবন শুরু করতে পারব আমরা।’

বয়োবৃদ্ধ জটাধারী একজন ঋষি বললেন, ‘সে রকম নদী পাব কোথায় আমরা? কোথায় আছেন সেই নদী।’ গণেশ ঋষির শেষের প্রশ্নের উত্তর আগে দিলেন। বললেন, ‘আছেন সেই নদী ওই কৈলাসেই আছেন। তাঁর নাম গঙ্গা।’

বিস্মিত ঋষি বললেন, ‘তিনি তো ঋষি অধিপতি মহাদেবের স্ত্রী গঙ্গা! তিনি মহাদেবকে ছেড়ে এই মর্ত্যধামে আসবেন কেন?’

‘না আসতে চাইলেও নিয়ে আসার কৌশল অবলম্বন করতে হবে আমাদের। বাঁকা হাসি গণেশের চোখে-মুখে ছড়ানো।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা