kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

পার্কে

মুনীর সিরাজ

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



টিয়া পাখি এসে বসে উঁচু ডালটাতে,

তীব্র কণ্ঠস্বর তার ভেসে যায় ইথারের

তরঙ্গের সাথে। মরাপাতা ঝরে পড়ে,

নিঃশব্দে পতিত হয় বাতাসের গায়ে ঢেউ তুলে।

লাল ইট বিছানো পথে এক দুই তিন করে

পা ফেলে ফেলে সময় পেছনে ফেলে

হাঁটি। একটি কালো আর একটি ধূসর

দোয়েল পাখি নাচানাচি করে, যেন বা

সময় তার পায়ে বাঁধা ছন্দের নূপুর।

পার্কের বেঞ্চে বসে করছে কূজন, যেন

কবুতর জোড়ায় জোড়ায়, যেন তারা

বলাবলি করে—জীবনের এই তো সময়, কিংবা

কেউ কেউ চোখ বুজে মুখ গুঁজে অচঞ্চল,

যেন কোনোমতে সময়টা পার হয়ে যাওয়াটাই

জীবনযাপন। সূর্য ঢলে পড়েছে পশ্চিমে,

অন্ধকার হয়ে আসে সমস্ত পৃথিবী, পাখিরা

লুকায় গিয়ে পাতার আড়ালে, ঝিম ধরা

বৃক্ষে পাতার ফাঁকে উঁকি দেয় জ্যোতিষ্কের

আলো। ভেসে ওঠে ছায়াপথ, অসংখ্য

উজ্জ্বল তারা, বিশাল বিস্ময়ে অযুত নিযুত

তারা গুনে গুনে এক দুই তিন নিশ্চুপ

করি আমি সময়ের হিসাব-নিকাশ, রাতের

গভীরে কোড়ালের তীব্র ডাকে কম্পিত সময়ের

নিঃসরণে কিসের বিস্ময়? তাহলে সময়!

 

মন্তব্য