kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

ধারাবাহিক উপন্যাস মত্স্যগন্ধা

মত্স্যগন্ধা

হরিশংকর জলদাস

১২ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



মত্স্যগন্ধা

অঙ্কন : মানব

সেই যমুনাকূল। সেই নৌকা। সেই বৈঠা। বৈঠা হাতে পুষ্পগন্ধা। এই পুষ্পগন্ধা আগের মত্স্যগন্ধা নয়। সে এখন আঁশটে গন্ধযুক্ত নয়, সে এখন সুরভিত। বহু বিস্তৃত স্থানজুড়ে তার দেহ-সুরভি ম ম করে।

গেল চার বছরে অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। কৈবর্তপাড়ায় অনেকে জন্মেছে, মরেছেও কেউ কেউ। কারো ঘরদোর জীর্ণ থেকে জীর্ণতর হয়েছে। আবার কোনো কোনো কৈবর্তের জীবন ঐশ্বর্যময় হয়ে উঠেছে। কিশোররা তরুণ হয়েছে, প্রবীণরা বার্ধক্যের দিকে এগিয়েছে।

পুষ্পগন্ধারও যে রূপান্তর ঘটেনি, এমন নয়। দুদিকেই তার রূপান্তর ঘটেছে—বাহ্যিক ও অন্তর্গত। তার দেহের লাবণ্য বেড়েছে। আগে ত্বক ছিল রুক্ষ, কিছুটা কড়কড়ে। সেখানে এখন স্নিগ্ধতার গাঢ় উপস্থিতি। আগের কটাক্ষ-কাঠিন্য এখন তিরোহিত, এখন সেখানে মদিরাময় আবেশ। তার নিতম্ব এখন নিবিড়। উরজে উদ্ধত আস্ফাালন। তবে দেহ-আঙিনা আগের মতো উন্মুক্ত নয়। দেহে আগের চেয়ে বেশি আবরণ। তবে সব প্রত্যঙ্গ আবরণ বন্ধনে বন্দি হতে সম্মত নয়।

মনের চাঞ্চল্য একেবারেই কেটে গেছে এখন তার। সেখানে গাঢ়-গাম্ভীর্যের উপস্থিতি এখন। আগের মতো কথায় মাতোয়ারা হয় না পুষ্পগন্ধা। সে এখন সংযতবাক। তার ভাবনা এখন স্বচ্ছ। কথা যুক্তিময়। তার দৃষ্টি এখন অন্তর্ভেদি।

কিন্তু পরিবর্তন ঘটেনি যমুনাকূলের। খেয়া পারাপারের ঘাটটি আগের মতোই অবিকল থেকে গেছে। বটবৃক্ষটি আগের মতো নদীকূলকে পাহারা দিয়ে যাচ্ছে। তার শিকড়ে এখনো কৈবর্তরা নৌকা বেঁধে রাখছে। পারার্থীরা এখনো ঘাটে এসে দাঁড়াচ্ছে। মাঝিরা পারাপারকামীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে দু-কড়ি গাঁটে গুঁজছে।

আজ ঘাটে নতুন এক পাটনি নৌকা ভিড়িয়েছে। সে আর কেউ নয়, সে পুষ্পগন্ধা। চরণদ্বীপ থেকে ফেরার পর এক সকালে বাবাকে বলল, ‘আমি যাই বাবা।’

‘কোথায় যাবে মা?’

‘ঘাটে।’

‘ঘাটে কেন? এই সাতসকালে যমুনা ঘাটে কেন যাবে তুমি?’

‘আমি আগের কাজটি শুরু করতে চাই বাবা।’

মেয়ের কথা তেমন করে বুঝে উঠতে পারে না সিন্ধুচরণ। বলে, ‘কী কাজটি শুরু করতে চাও, বুঝতে পারছি না তো পুষ্পগন্ধা।’ সিন্ধুচরণ ইদানীং মত্স্যগন্ধাকে পুষ্পগন্ধা বলে ডাকে। কন্যার গায়ে এখন তো আর মাছের গন্ধ নেই। তা ছাড়া ঋষি পরাশরই তো অনুরোধ করেছেন—তাকে ওই নামে ডাকতে!

বাবা, আমি ঘরে বসে আছি। সংসারের হাল আমি জানি বাবা। তোমার শরীরটাও তো বাবা ভালো নেই। তোমার ওপর দিয়ে এই কয় বছরে যে ঝড়টা বয়ে গেল, তা তো তোমাকে ছিন্নভিন্নই করে ছেড়েছে। এখন তোমার দেহশক্তি আর মনোবল—দুটিই নিঃশেষ হয়ে গেছে বাবা। একটু দম নিল পুষ্পগন্ধা। বড় একটা শ্বাস ফেলল। বলল, ‘আমি আবার পাটনির কাজ শুরু করতে চাই বাবা। তাতে আমার সময়ও কাটবে, দু-কড়ি আয়ও হবে।’

এই সময় ঘরের ভেতর থেকে ভবানী বেরিয়ে এলো। পুষ্পগন্ধার শেষের কথাটি তার কানে গেল। ওই কথার সূত্র ধরেই ভবানী বলে উঠল, ‘কিসের সময় আর কিসের আয়ের কথা বলছিস কালী?’

কালী কিছু বলার আগে সিন্ধুচরণ বলল, ‘শোনো না মেয়ের কথা, সে আবার ঘাটে যেতে চায়, আবার পাটনির কাজ শুরু করতে চায়।’

আকাশ থেকে পড়ে ভবানী। বলে, ‘বলিস কী মা তুই! আগে গেছিস, গেছিস। এখন কী আর পারাপারের কাজ তোকে সাজে!’

‘কেন মা? কেন সাজবে না। আমার কাছে আমার সংসার বড়, আমার মা-বাবা বড়। তাদের বাঁচিয়ে রাখা আমার একমাত্র কর্তব্য এখন মা। আমাকে বাধা দিয়ো না মা তুমি।’ অনুনয়ের গলা মত্স্যগন্ধার।

‘তা বলে তুই ঘাটে যাবি? পাটনির কাজ করতে দেখলে মানুষে কী বলবে?’ ভবানী বলে।

‘মানুষে কী বলবে মানে! মানুষের যা বলার তা তো সেই প্রথমবারেই বলে ফেলেছে। এখন তো নতুন করে তাদের বলার কিছু নেই মা। তারা বরং বলবে—আহারে, মত্স্যগন্ধা কত ভালো মেয়ে দেখো। অসুখ থেকে ভালো হয়েই বৈঠা হাতে তুলে নিয়েছে। মা-বাবা যাতে দুই মুঠো অন্ন মুখে তুলতে পারে, সেদিকে মেয়েটির কী নজর!’

আমতা আমতা করে কিছু একটা বলতে চাইল ভবানী। মাকে থামিয়ে দিয়ে পুষ্পগন্ধা বলল, ‘আমাকে বাধা দিয়ো না মা। যা করলে শান্তি পাই আমি, তা করতে দাও মা আমায়।’

ভবানী মেয়ের কথার কী জবাব দেবে ভেবে পায় না। শুধু স্নেহার্দ্র চোখ দুটি দিয়ে মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। সিন্ধুচরণ উত্তরীয় দিয়ে মুখ-গলা মুছতে মুছতে বলে, ‘মেয়েকে বাধা দিয়ো না কালীর মা। যা করে শান্তি পায় ও, তা-ই করতে দাও তাকে।’

সেই সকালে উঠানের কোনা থেকে বৈঠাটি হাতে নিয়ে ঘাটের দিকে রওনা দিয়েছিল পুষ্পগন্ধা। সে জানে—তার বাবার নৌকাটি বটগাছটির কোন শিকড়ে বাধা আছে।

সেই দ্বিপ্রহরে ঋষি পরাশর কৃষ্ণকে নিয়ে নরসিংহের নৌকায় উঠে বসেছিল। ভবানী, সিন্ধুচরণ আর পুষ্পগন্ধা নৌকাটি থেকে অনতিদূরের তীরে এসে দাঁড়িয়েছিল। নৌকার পাছা থেকে গলা উঁচিয়ে জেঠা বলেছিল, ‘তোমরা আর বেশিদিন থেকো না এখানে সিন্ধু। সব কিছু গুছিয়ে যত তাড়াতাড়ি পারো গাঁয়ে ফিরে এসো। আমি তোমাদের অপেক্ষায় থাকব।’ বলেই জলে বৈঠা চালিয়েছিল নরসিংহ জেঠা। ধীরে ধীরে তরিটি গতিবান হয়ে উঠেছিল।

নৌকাটি চোখের আড়ালে চলে গেলে ধুপ করে মাটিতে ভেঙে পড়েছিল পুষ্পগন্ধা। ভবানী দৌড়ে এসে পুষ্পগন্ধার মাথাটি নিজের বুকে টেনে নিয়েছিল। দিশাহারা সিন্ধুচরণ ওদের পাশে নিষ্পন্দ হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে ছিল।

দিন তিনেক পর সিন্ধুচরণরা নিজ গ্রামে, নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছিল। পাড়ার মানুষ ভেঙে পড়েছিল সেদিন সিন্ধুচরণের উঠানে। ফিরে এসেছে, ফিরে এসেছে। যে রাজা পাড়া-পড়শি কাউকে না জানিয়ে সপরিবারে কোথায় চলে গিয়েছিল, যে রাজপরিবারের কারো সন্ধান গত চার বছর ধরে পাওয়া যায়নি, সেই রাজার পরিবারের সবাই ফিরে এসেছে। এর চেয়ে আনন্দের, এর চেয়ে বিস্ময়ের আর কী হতে পারে। তাদের তো স্বচক্ষে একবার দেখতেই হয়। তাই ওই দিনের মতো, যেদিন মত্স্যগন্ধা মত্স্যগর্ভ থেকে বেরিয়ে এসেছিল, সেদিন যেমন করে গাঁ-গেরামের মানুষরা দাশরাজার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল, আজও সে রকম মানুষের ঢল নেমেছে রাজার বাড়িতে।

উপস্থিত মানুষদের ঔত্সুক্যের শেষ নেই—কোথায় গিয়েছিলে রাজা? এত দিন কোথায় ছিলে রাজগিন্নি?

মত্স্যগন্ধার অসুখ কি নিরাময় হয়ে গেছে? সে কি আগের মতো মানুষকে কামড়ে-আঁচড়ে দেয়? না, না, তাকে তো দেখে ওরকম মনে হচ্ছে না এখন! ওকে তো দিব্যি সুস্থ বলেই মনে হচ্ছে।

এত সব প্রশ্নের উত্তর কি আর এককথায় দেওয়া যায়? না একজনে দিতে পারে? উত্তর দিতে গেলে হাজারটা যে মিথ্যা বলতে হবে। মিথ্যা বলা যে সিন্ধুচরণের অভ্যাসে নেই। তাই সে চুপ করে থাকে। ভাবে—যা বলার, তা ভবানীই বলুক। মিথ্যাকেও সে সত্যের মতো করে বলতে পারে।

দুই চোখে কৃত্রিম বিস্ময় ঢেলে ভবানী বলে, ‘ওমা! যাব আর কোথায়! আমার বাপের বাড়িতেই তো গেছি। কী মাসি তোমার মনে নেই, যাওয়ার এক দিন আগে তোমার সঙ্গে দেখা হলো না আমার? কী যমুনার মা, চুপ করে আছ যে, বলে গেলাম না—যমুনার ব্যারাম সারাবার জন্য বাপের বাড়ি যাব?’

মাসি আর যমুনার মা একসঙ্গে মাথা নাড়ে, ‘ঠিক, ঠিকই মনে পড়েছে আমাদের। গিন্নিমা আমাদের বলে গিয়েছিল, তার বাপের বাড়ির ওদিকে একজন ধন্বন্তরী আছে। তা গিন্নিমা, আমাদের কালী ভালো হয়ে এসেছে তো?’

ভবানী চোখ কপালে তুলে বলে, ‘সুস্থ হয়ে গেছে মানে। একেবারেই সুস্থ হয়ে গেছে আমার কালী। ওই দেখো না, ওই যে দূরে দাঁড়িয়ে পাড়ার সমবয়সিনীদের সঙ্গে কী রকম চোখ-মুখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কথা বলছে আর খলবল করে হাসছে।’ তারপর কণ্ঠস্বরকে বাড়িয়ে ডাক দিল, ‘কালী, ও মা কালী, একটু এদিকে আয় তো মা। এই মাসি আর গঙ্গার মা তোর সঙ্গে একটু কথা বলতে চাইছে মা।’

পুষ্পগন্ধা কাছে এলে হাত ধরে, আঙুল ধরে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে মাসিরা। এই সময় যমুনার মা বলে ওঠে, ‘ও কিসের গন্ধ গো গিন্নিমা! কালীর গা থেকে যে ফুলের গন্ধ বের হচ্ছে গো।’

‘আরে, এ গন্ধ তো যেনতেন গন্ধ নয়। এ যে একেবারে খাঁটি পুষ্পসুবাস।’ বলল মাসি। সে এতই উত্তেজিত হয়ে উঠল যে লোকজশব্দ ভুলে রাজরাজড়ার মতো করে বলে উঠল—পুষ্পসুবাস।

মুহূর্তে জনতার মধ্যে কথাটি ছড়িয়ে পড়ল—কালীর গা থেকে মাছের গন্ধ বের হচ্ছে না এখন। আর বের হচ্ছে ফুলের মনমাতানো সুগন্ধ। এ কী! এ কী করে সম্ভব। সবার মুখে থেকে শুধু এই কথা দুটিই উচ্চারিত হতে থাকল। পাড়া-পড়শির এই গহিন গভীর বিস্ময়ের মধ্যে অন্য জিজ্ঞাসাগুলো তলিয়ে গেল। সিন্ধুচরণের পরিবারটি অনেক অনেক মিথ্যা বলার ফাঁদ থেকে রেহাই পেয়ে গেল।

সিন্ধুচরণ বলে উঠল, ‘শোনো তোমরা, আজ থেকে মত্স্যগন্ধার নাম আর মত্স্যগন্ধা থাকল না। তোমরাই তো বলছ—ওর গা থেকে এখন আর মাছের গন্ধ বের হচ্ছে না, বের হচ্ছে ফুলের গন্ধ। ঠিক কি না বলো। যদি তা-ই হয়, তাহলে আজ থেকে মত্স্যগন্ধার নাম হোক—পুষ্পগন্ধা।’

সবাই সমস্বরে বলল, ‘ঠিক তা-ই হবে রাজা, আজ থেকে আমরা সবাই কালীকে পুষ্পগন্ধা বলে ডাকব।’

সেই পুষ্পগন্ধা আজ বৈঠা হাতে ঘাটে বসে আছে। তার দৃষ্টি দূরের পথে নিবন্ধ—কখন ওপারকামী ঘাটে আসে?

পুষ্পগন্ধার বাইরটা শান্ত সমাহিত। ভেতরটা উতরোল। আবেগের উতল হাওয়া তখন তার ভেতর নদীর দুকূল ভেঙে তছনছ করে দিচ্ছে। তার পুত্র, তার সন্তান কৃষ্ণ এখন কোথায়? কোন অরণ্যে ছন্নছাড়া ঋষিটির হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এখন কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন? দুবেলা খাবার জুটছে তো কৃষ্ণের? ঋষি পরাশর তো একাহারী। তাহলে কৃষ্ণও কি দিনে একবার মাত্র খাচ্ছে এখন? কচি খোকাটি তো তাহলে না খেয়ে না খেয়ে মুনির মতো হাড্ডিসার হয়ে যাবে! আহারে, কোন দুর্বুদ্ধি পেয়ে বসেছিল তাকে? নরসিংহ জেঠার কথায় কৃষ্ণকে ঋষিটির সঙ্গে যেতে দিল সে! তার ভুলের খেসারত দিচ্ছে এখন তার কৃষ্ণ! কৃষ্ণ, কৃষ্ণরে, তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস বাপ। আমি যে শুধু জেঠার কথায় সম্মত হয়ে গিয়েছিলাম, তা কিন্তু নয় রে বাছা। নিজের স্বার্থটাই বড় করে দেখেছিলাম রে কৃষ্ণ! তোকে নিয়ে এই জেলেসমাজে কিভাবে মুখ দেখাব আমি, আমার বা-বাবাও কী জবাব দেবে সমাজ ও মানুষদের কাছে? তুই যে আমার অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তানরে বাপ। তোর পিতৃপরিচয়টা যে বৈধ নয়রে বাছা। তুই আমাকে মাফ করে দিস কৃষ্ণ। মাফ করে দিস। ভাবতে ভাবতে বৈঠায় মাথাটা রেখে ফুঁপিয়ে উঠল পুষ্পগন্ধা। ভাগ্যিস আশপাশে সে সময় কোনো জনমানব ছিল না। দূরের নৌকাগুলোতে তখন কৈবর্তরা মত্স্য শিকারে ব্যস্ত। অন্য পাটনিরা তখন নিজের নিজের নৌকায় যাত্রী বোঝাই করতে ব্যাপৃত।

দীর্ঘক্ষণ কেঁদে গেল পুষ্পগন্ধা। একজনের ডাকে মাথা তুলল সে, ‘তুমি কি ওপারে যাবে মেয়ে? আমাকে কি ওপারে পৌঁছে দেবে?’

তাড়াতাড়ি আঁজলাভরে চোখে-মুখে পানি দিতে শুরু করল পুষ্পগন্ধা। সুস্থির হয়ে যাত্রীটির দিকে তাকাল সে। দেখল—একজন ঋষি দাঁড়িয়ে। তাঁর মুখমণ্ডল শ্মশ্রূতে ঢাকা। বড় প্রশান্ত, বড় গহিন তাঁর চোখ দুটি। তাঁর শরীর কৃষ্ণবস্ত্রে আবৃত। মাথার মধ্যিখানে জটা চূড়া করে বাঁধা। ডান হাতে তীক্ষ্মমুখ ত্রিশূল।

ঋষি আবার বললেন, ‘আমি অগস্ত্য মা। বিন্ধ্য পর্বতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি আমি। বিন্ধ্য আমার শিষ্য। তার বড় বাড় বেড়ে গেছে মা। সূর্যের গতিপথ রুদ্ধ করতে চায় সে। তাকে দমন করতে হবে মা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাকে ওপারে নিয়ে চলো।’

পুষ্পগন্ধা বিনীত ভঙ্গিতে বলল, ‘নৌকায় চরণ রাখুন ঋষিবর।’

►  চলবে

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা