• ই-পেপার

ফুলবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের কমিটি গঠন ও এতিমদের নিয়ে ইফতার

গোবিন্দগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ

পরিবারকে সচ্ছল করার দৃঢ় প্রত্যয়ে ঘরে ফিরলেন ২০ নারী

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গোবিন্দগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জুগিয়াপাড়া গ্রামের আদিবাসী নারী কাজলী মার্ডের প্রতিটি দিনই কাটে সংগ্রামের মধ্যে। স্বামীর ভ্যান চালানোর সামান্য আয়ে কোনোমতে চলে পাঁচ সদস্যের সংসার। তিন মেয়ের পড়াশোনা, খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলাতে গিয়ে প্রায়ই দিশাহারা হতে হয় পরিবারটিকে। তবু অভাবের কাছে হার না মেনে মেয়েদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

অনেক দিন ধরেই সেলাইয়ের কাজ শিখে আয় করার ইচ্ছা ছিল কাজলীর। কিন্তু একটি সেলাই মেশিন কেনার সামর্থ্য না থাকায় সেই স্বপ্ন অধরাই ছিল। অবশেষে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া একটি সেলাই মেশিন তার জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

সেলাই মেশিন হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত কাজলী মার্ডে বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই ইচ্ছা ছিল সেলাইয়ের কাজ করে কিছু আয় করব। কিন্তু মেশিন কেনার সামর্থ্য ছিল না। এখন কাজ শুরু করতে পারব। সংসারে সাহায্য করতে পারব, মেয়েদের পড়াশোনার খরচও বহন করা সহজ হবে।’

শুক্রবার (২৪ জুলাই) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলার ২০ জন অসচ্ছল নারীর হাতে সেলাই মেশিন এবং দুটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে দক্ষ হয়ে ওঠা এসব নারী বসুন্ধরা গ্রুপের উপহার হিসেবে সেলাই মেশিন গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন কালের কণ্ঠের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি এবং গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাস হিমুন। প্রধান অতিথি ছিলেন দুই বাংলার প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান ইমদাদুল হক মিলন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘অসহায় ও অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই আমরা সেলাই মেশিন বিতরণ কর্মসূচি চালু করেছি। একজন নারী ঘরে বসে আয় করতে পারলে তার পুরো পরিবার উপকৃত হয়। এই সেলাই মেশিনকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করুন। একই সঙ্গে আপনাদের দেওয়া গাছগুলোরও যত্ন নিন।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু, থানা মহিলা দলের সভাপতি মঞ্জুরি আহমেদ, গোবিন্দগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন গোলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিনহাজুল তালুকদার, থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোবিন্দ কুমার, সদস্যসচিব মনির হোসেন সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাদিসুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শিবলী কায়েস মীরসহ স্থানীয় সাংবাদিক, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জের অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সুবিধাভোগীদের মধ্যে সাঁওতাল নারীদের অন্তর্ভুক্ত করাও একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এই সেলাই মেশিন তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। এই সেলাই মেশিন অনেক নারীর স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুলে দেবে।’

পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু বলেন, ‘অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। ভবিষ্যতেও তারা মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি।’

জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু বলেন, ‘আজ যারা সেলাই মেশিন পেয়েছেন, তারা শুধু কর্মসংস্থানের একটি উপকরণই পাননি, পরিবেশ রক্ষার বার্তাও পেয়েছেন গাছের চারার মাধ্যমে। একটি সেলাই মেশিন যেমন একটি পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ খুলে দিতে পারে, তেমনি একটি গাছ সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলে।’

অনুষ্ঠান শেষে তিন মাসের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ২০ নারী হাতে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা নিয়ে নতুন স্বপ্ন ও পরিবারকে স্বচ্ছল করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

নবজাতকের আগমন উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা উপহার

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নবজাতকের আগমন উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা উপহার
ছবি: কালের কণ্ঠ

নবজাতকের আগমন উপলক্ষে পরিবারকে গাছের চারা উপহার দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখা। পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে নবজাতকের পরিবারের হাতে এসব চারা তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের উত্তর শিবপুর তেলিপাড়া গ্রামের মো. মিনহাজুল ইসলাম মিঠু ও মোছা. জান্নাতুন মাওয়া মিম দম্পতির ঘরে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। দিনাজপুর সদরের ডে-নাইট হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুটি তাদের প্রথম সন্তান।

নবজাতকের জন্মের খবর পেয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী শাখার সদস্যরা ওই পরিবারের বাড়িতে গিয়ে পাঁচটি গাছের চারা উপহার দেন। চারাগুলোর মধ্যে ছিল নিম, মেহগনি, আম, কাঁঠাল ও লেবু গাছ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের ফুলবাড়ী প্রতিনিধি আনোয়ার সাদাত মন্ডল, ইউপি সদস্য ছাইদুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন, প্রচার সম্পাদক হাসানুর, মোস্তাকিম, সদস্য সোহানুর রহমান সোহাগ, জিসানুর রহমান জীবন, রাসেল, রিপন ও কৃষ্ণ রায়।

আনোয়ার সাদাত মন্ডল বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য, যার প্রধান উৎস গাছ। গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, খাদ্য, ওষুধ, কাঠসহ নানা প্রয়োজন পূরণ করে। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ জীবনের জন্য বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, নবজাতকের জন্মের সঙ্গে গাছের চারা উপহার দেওয়ার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিশুর সঙ্গে গাছও বেড়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে তা পরিবেশ ও পরিবারের জন্য মূল্যবান সম্পদে পরিণত হবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি সোহেল রানা বলেন, প্রতিটি নবজাতকের নামে গাছের চারা উপহার দেওয়ার উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশুর সঙ্গে গাছও বেড়ে উঠবে এবং একসময় তা পরিবারের জন্য সম্পদে পরিণত হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন বলেন, শিশুর জন্ম যেমন পরিবারের জন্য আনন্দের, তেমনি গাছের চারা রোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও প্রকৃতির জন্য আশার প্রতীক। আমরা চাই প্রতিটি শিশুর জন্ম একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে থাকুক।

ইউপি সদস্য ছাইদুর রহমান বলেন, এমন একটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

এ সময় নবজাতকের দাদা মো. আইনুল ও দাদি মোছা. মুক্তারা বেগম বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, উপহার পাওয়া চারাগুলো যত্নসহকারে রোপণ ও পরিচর্যা করবেন, যাতে সন্তানের সঙ্গে গাছগুলোও বড় হয়ে ভবিষ্যতে মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়।

রংপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পণ্যসামগ্রী দিয়ে দোকানিকে সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
রংপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পণ্যসামগ্রী দিয়ে দোকানিকে সহায়তা
সংগৃহীত ছবি

​রংপুর জেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ফজলুল হক নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ব্যবসার বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ​শুক্রবার (২৪ জুলাই) রংপুর সিটি করপোরেশনের নগরীর মাহিগঞ্জ তালতলা এলাকায়  তার দোকানে গিয়ে এ সহায়তা দেন সংগঠনটির সদস্যরা।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে জীবনসংগ্রামে নানা ধরনের প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে আসছেন ফজলুল হক। তার এই কষ্ট লাঘব ও তাকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যেই বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

​সহায়তা হিসেবে তাকে ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দোকানের সামগ্রী ও মালামাল কিনে দেওয়া হয়, যেন তিনি সম্মানের সঙ্গে নিজে উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। সহায়তা পেয়ে মো. ফজলুল হক বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি ও রংপুর সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক লায়ন মো. আজহারুল ইসলাম দুলাল, রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সহসভাপতি আবু সামছ আরমানুল হক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক রবি দাস, অ্যাপায়ন বিষয়ক সম্পাদক নাসির হোসেন, সংস্কৃতিকর্মী  দেবব্রত কুমার শর্মা, শাহীনুর রহমান, সাংবাদিক মকুল হোসেন দুলাল, সাতমাথা উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক  কামরুজ্জামান সেলিম ও বসুন্ধরা শুভসংঘের রংপুরের সমন্বয়ক আদর রহমান প্রমুখ।

 সংগঠনটির প্রতিনিধিরা জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্বাবলম্বী করার এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সে বসুন্ধরা শুভসংঘের ‘অনুভবে বর্ষা’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সে বসুন্ধরা শুভসংঘের ‘অনুভবে বর্ষা’
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাইরে টুপটাপ বৃষ্টি, আকাশজুড়ে ধূসর মেঘের আনাগোনা। বর্ষার স্নিগ্ধ আবহে গান, কবিতা, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণে মুখর হয়ে উঠল গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স। বসুন্ধরা শুভসংঘের কলেজ শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘অনুভবে বর্ষা’।

বুধবার (২২ জুলাই) কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গের মাধ্যমে বর্ষার সৌন্দর্য ও অনুভূতি তুলে ধরা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স শাখার সভাপতি মুসলেমিনা সুলতানার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাবণ্য মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগীত, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণাসহ বিভিন্ন পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে লাবণ্য মল্লিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘বর্ষার দিনে’ আবৃত্তি করেন। এরপর শঞ্চিতা সেতু পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’। তাঁর পরিবেশনায় বর্ষার আবেগ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।

আবৃত্তি পর্বে রুদাবা আনসারী পরিবেশন করেন ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’। এরপর লামিয়া সানজিদা পরিবেশন করেন ‘যাও বলো তারে, মেঘের ওপারে’ এবং আফিয়া সাড়া খান পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষার গান ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে’।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘বর্ষার স্মৃতিচারণ’ পর্ব। এতে সভাপতি মুসলেমিনা সুলতানা বর্ষাকে ঘিরে তাঁর জীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত সদস্যরাও নিজেদের অনুভূতি ভাগাভাগি করেন।

পরে লাবণ্য মল্লিক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ‘রক্তাম্বরধারিণী মা’ আবৃত্তি করেন। নারী জাগরণ, সাহস ও আত্মমর্যাদার বার্তা বহনকারী এ পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে ‘পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে’ এবং ‘এই মেঘলা দিনে একলা’ গান পরিবেশন করেন। সমবেত সংগীতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বর্ষাকে ঘিরে আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে লামিয়া সানজিদা, নাঈমা ইসলাম, তানিয়া তানজি, লামিয়া রওশন, জাকিয়া সুলতানা, নুরে জান্নাত, রাজমিন সুলতানা, সালমা হোসেন ইমু, আফনান নাবিলা, শাহানাজ পারভীন, সায়েবা সিদ্দিকী, মাহাবুবা মিতা, ফাহমিদা আঞ্জুম উনাইসা, আফিয়া সাড়া খান, বিপাশা বিথী, রুকাইয়া নাজাত, আফরিন নাহার নিঝু, শিমা রাণী সাহা, রুদাবা আনসারী, শঞ্চিতা সেতুসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা জানান, সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চা, সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতেও সংগঠনটি কাজ করছে। ‘অনুভবে বর্ষা’ তারই ধারাবাহিক আয়োজন।

ফুলবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের কমিটি গঠন ও এতিমদের নিয়ে ইফতার | কালের কণ্ঠ