kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ আগস্ট ২০২২ । ১ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৭ মহররম ১৪৪৪

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তা

জেরিন-চুমকি-হাসিদের স্বপ্নের বিদ্যালয়

শাহাদাত তিমির   

১৮ জুন, ২০২২ ১০:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জেরিন-চুমকি-হাসিদের স্বপ্নের বিদ্যালয়

‘শিক্ষার আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো’ স্লোগানটি অনেকটাই আলো ছড়িয়েছে। কিন্তু অনেক ঘরে এখনো অন্ধকার ভেদ করে আলো প্রবেশ করেনি। অনেকের তো ঘরই নেই, তাহলে আলো জ্বলবে কোথায়? যাদের ঘরে আলো প্রবেশ করেনি বা ঘরই নেই, তাদের মধ্যে কয়েকজন জেরিন, চুমকি, হাসি, ফেরদৌস ও জান্নাতুল। ওদের বেড়ে ওঠা ঢাকার কল্যাণপুর এলাকার একটি বস্তিতে।

বিজ্ঞাপন

সেখানে ওদের মতো অনেক শিশু-কিশোর আছে, যাদের পড়ালেখার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থ্য নেই। ইচ্ছাশক্তিকে রুখতে পারে না কেউ। মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে গেলে আলো আসবেই। জেরিন, চুমকি, হাসি, ফেরদৌস ও জান্নাতুলদের মস্তিষ্কের ঘরে শিক্ষার আলো জ্বালানোর মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে আসেন পুষ্প, কাজলসহ কয়েকজন তরুণ। কল্যাণপুর বস্তির শিশু-কিশোরদের নিয়ে শুরু করেন পাঠশালা। খোলা আকাশের নিচেই শুরু হয় পাঠদান। কিন্তু বস্তির অনেক ছেলেমেয়েই খাবারের সন্ধানে বের হয়ে যাওয়ায় পাঠশালায় শিক্ষার্থী আনা ছিল চ্যালেঞ্জ। সে কারণে শিক্ষার্থীদের বিকেলের নাশতার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এতে বেড়েছে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি।

তবে সংকট যেন পিছু ছাড়ছিল না। পাঠশালায় নেই শিক্ষা উপকরণ। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই-খাতাও তুলে দিতে হবে পুষ্প, কাজলদের। পাঠশালার এমন সংকটে এগিয়ে এসেছেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কল্যাণপুর শাখার বন্ধুরা। সম্প্রতি শুভসংঘের পক্ষ থেকে তাঁদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় শিক্ষা উপকরণ এবং পাঠশালার প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কল্যাণপুর শাখার সদস্য ফাবী, কুশল, ওয়াছিফ ঈমন, অতনু, উমর প্রমুখ। শুভসংঘের উপহার পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন পুষ্প ও কাজল।

পুষ্প বলেন, ‘অনেকেই আমাদের ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করে থাকে। তবে এবারই প্রথম আমাদের পাঠদান কর্মসূচিতে জোটগতভাবে সাহায্য করা হলো। ধন্যবাদ কালের কণ্ঠ শুভসংঘকে। ’ শিক্ষা উপকরণ বাচ্চাদের হাতে পৌঁছে দিয়ে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কল্যাণপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক রুবায়েদ হোসেন ফাবী বলেন, ‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। তবে তা যদি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়। একটি জাতি ততটাই উন্নত যতটা তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত। আমাদের সবাইকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। এই শিক্ষার্থীদের জন্য যে পাঠশালা হয়েছে, তাদের পাশে আমরা থাকব সব সময়। ’



সাতদিনের সেরা