kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

সুমাইয়া-যুবায়েরের স্বপ্ন পূরণের সারথি শুভসংঘ

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৯ মে, ২০২২ ১৮:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুমাইয়া-যুবায়েরের স্বপ্ন পূরণের সারথি শুভসংঘ

মেধাবী শিক্ষার্থী মির্জা সুমাইয়া আনজুম ও মির্জা আহমেদ যুবায়ের। সম্পর্কে তারা ভাই-বোন। সুমাইয়ার স্বপ্ন অ্যারোনটিক্স ইঞ্জিনিয়ার কিংবা বিমানের পাইলট হওয়া। আর যুবায়েরের স্বপ্ন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়া।

বিজ্ঞাপন

স্কুলের গন্ডি থেকে কলেজের শুরুটা তাদের ঠিকঠাকভাবেই চলছিল। হঠাৎ বাবা মির্জা শাহরিয়ার কবির অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসারের উপার্জন থেমে যায়। পাশাপাশি এ দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণে উঁকি দেয় অনিশ্চয়তার মেঘ। অবশেষে তাদের পাশে দাঁড়ালো শুভসংঘ। তাদের স্বপ্ন পূরণে প্রতি মাসে চালু করা হয়েছে শিক্ষাবৃত্তি।

শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি পাওয়ার খবরে মির্জা সুমাইয়া আনজুম তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘যখন একদম ছোট ছিলাম তখন থেকে স্বপ্ন দেখতাম বড় হলে বিমান চালাবো। যখন একটু বড় হলাম তখনও ছোট্ট বেলাকার স্বপ্নটি দেখি। শুভসংঘ আমাদের দুই ভাই বোনের স্বপ্ন পূরণের জন্য শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে এটি অবশ্যই আমাদের জন্য ভালো খবর। ’

মির্জা আহমেদ যুবায়ের বলেন, ‘বাবা অসুস্থ হওয়ার পর আমাদের মধ্যে কিছুটা হতাশা কাজ করেছে। আমার বাবা মেরিনে চাকরি করতেন। তাই আমারও স্বপ্ন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া। শুভসংঘ তাদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ’

চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌর সদরের পশ্চিম গোভানীয়া গ্রামের এ দুই শিক্ষার্থী ২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে স্থানীয় সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে তারা মিরসরাই কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষে বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যায়ন করছে।

এ দুই মেধাবী শিক্ষার্থী সম্পর্কে কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আফছার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার কলেজের এ দুই শিক্ষার্থী একদম আলাদা ধরণের। তাদের মধ্যে কিছু একটা করার বা হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমি দেখতে পাই। ’

শুভসংঘের দেওয়া শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে অধ্যক্ষ বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে যেনেছি শুভসংঘ সমগ্র দেশে এ ধরণের মহতি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। আমার এ দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য শুভসংঘ পরিবারকে ধন্যবাদ। ’



সাতদিনের সেরা