kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফের সরকারি চিকিৎসার দাবিতে শুভসংঘের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৪:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফের সরকারি চিকিৎসার দাবিতে শুভসংঘের মানববন্ধন

এশিয়ান গেমস-এ পদকজয়ী কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেনের সরকারি চিকিৎসার দাবি জানিয়েছে কালের কণ্ঠ শুভসংঘের রাজশাহী শাখা। আজ রবিবার নগরীর জিরোপয়েন্টে এ দাবি নিয়ে মানববন্ধনে দাঁড়ান শুভসংঘের কর্মীরা। আজ কালের কণ্ঠে এই বক্সারের অসহায়ত্ব আর বঞ্চনায় ভরা জীবনের গল্প উঠে আসে।  

এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরোপ্রধান রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমান, রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আরটিজেএ) সভাপতি মেহেদী হাসান শ্যামল, শুভসংঘের রাজশাহী জেলা সহসভাপতি আরিফুজ্জামান নবাব, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সম্পাদক শাহিনুল আশিক, উত্তরা প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক আমিনুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেনের প্রতিবেশী মেহদী মাসুদ, শামিউল ইসলাম বাবুসহ রাজশাহীতে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা।  

১৯৮৬ সিউল গেমস বক্সিংয়ে ৮১ কেজি লাইট হেভিওয়েটে মোশাররফ হোসেন জিতেছিলেন ব্রোঞ্জ। এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে পদক নেই বাংলাদেশের আর কারো। ১৯৮১ থেকে টানা ১০ বছর মোশাররফ ছিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রীড়াবিদ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে প্রায় তিন বছর শয্যাশায়ী। ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে খোঁজ মিলল অসহায়ত্ব আর বঞ্চনায় ভরা জীবনের। অথচ বক্সিং ফেডারেশন, বিওএ আর এনএসসির কেউ পাশে দাঁড়ায়নি তাঁর।

তবে এ খবর প্রকাশের পর বক্সারের বাড়িতে ছুটে যান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। মোশাররফ হোসেনের অসহায়ত্বের বিষয়টি জানতে পেরে সকাল সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারি এলাকায় তাঁর বাসায় যান সিটি মেয়র। এ সময় বক্সার মোশাররফ হোসেনের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন মেয়র। এ সময় মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিমাসে তাঁকে ভাতা প্রদানের আশ্বাস দেন মেয়র। 

বাড়িতে মেয়রকে দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ভাই ছাড়া আমার খোঁজখবর কেউ নেয়নি। মেয়র মহোদয় খোঁজ নিতে আমার বাড়িতে এসেছেন, এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এর আগেও মেয়র মহোদয় শহীদ কামারুজ্জামান ও জাহানারা জামান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দুইবার সহযোগিতা দিয়েছেন। মেয়র আমার পাশে আছেন এতেই আমি অনেক আনন্দিত।



সাতদিনের সেরা