kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

'আইজ মোক অনেকলা খাবার, এইলা দে ১৫ দিন খাইল যাবে'

পার্থ সারথি দাস ও নাজমুল হুদা, ঠাকুরগাঁও থেকে   

৭ জুলাই, ২০২১ ১৩:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'আইজ মোক অনেকলা খাবার, এইলা দে ১৫ দিন খাইল যাবে'

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায় দ্বিতীয় দফায় আরো ৪০০ অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ। আজ সকালেই ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় ৪০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তাক আলম টুলু, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাহেলা বেগম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভীরুল ইসলাম, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন, সদস্য শরীফ মাহ্দী আশরাফ জীবন, ঠাকুরগাঁও জেলা শুভসংঘের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি তাপস দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল আলমসহ আমিনুল ইসলাম, মুসা রাখাল, আসাদুজ্জামান, মৌমি, মেহরাব হোসেন, দিশা, সোহানি, সামিন, মাহি, শরিফা আক্তার, অন্নিকা, শিউলিসহ ঠাকুরগাঁও জেলার শুভসংঘের অন্য সদস্যরা। 

ত্রাণ বিতরণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলার অসহায় পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার জন্য আমি বসুন্ধরা গ্রুপ ও কালের কণ্ঠ শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই। তাদের এই ত্রাণ দিয়ে আপনারা ৭ থেকে ১০ দিন খেতে পারবেন। এই সময়ে কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। সবাই মাস্ক পড়বেন, সচেতন থাকবেন। আপনারা সবাই সচেতন না থাকলে করোনা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না।

বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ পেয়ে রাহেলা বানু নামের এক উপকারভোগী বলেন, হামেরা কি পানি খাহেনে দিন কাটামো। ঘরত খাবার কিছু নাইয়ে ছুয়ালা মোর খাবার না পায়ে কান্দেছে। মুই জুতা সেলাই করু। লকডাউনের তাহে দোকান খুলিবা পারুনা। বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে আইজ মোক অনেকলা খাবার। এইলা দে ১৫ দিন খাইল যাবে। 

শরিফ মিয়া বলেন, মুই পাগলু গাড়ি চালাও। মোর পরিবারের মুই একেলাই রোজগার করু। লকডাউনের জন্য গাড়ি চালাবা পারুনা এলা মোর ঘরত খাবার চাউল ডাইল কিছু নেই। এই ত্রাণ দে মোর কয়েকটা দিন চলে যাব।



সাতদিনের সেরা