kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

পাঁচ পরিবার পেল শুভসংঘের ঈদ উপহার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১০ মে, ২০২১ ১৯:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাঁচ পরিবার পেল শুভসংঘের ঈদ উপহার

কালের কণ্ঠ শুভসংঘের বন্ধুদের শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় অভিভূত হলেন গাইবান্ধার বানিয়ারজানের জরিনা বেগম, কবির উদ্দিন, থানসিংহপুরের রেহেনা বেগম, বোয়ালীর গুচ্ছ গ্রামের রেখা বেগম ও মজিরুন নেছা। সোমবার দুপুরের তারা সবাই একত্রিত হয়েছিলেন জরিনা বেগমের বাড়ির সামনের মাঠে। তাদের সঙ্গে ছিলেন পরিবারের অন্যরাসহ শিশুরা। অন্তত ত্রিশজন। ঈদের দিনটি আনন্দময় করতে জেলা শুভসংঘ পাঁচ পরিবারের হাতে তুলে দেয় আতপ চাল, সেমাই, চিনি, তেল, দুধ ও নানা ধরনের মসলা। সমাজকর্মী ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের স্নাতক পর্বের ছাত্রী তানহা ও জেলা শুভসংঘের সহ-সাধারণ সম্পাদক সামিউল ইসলাম সাকিব সবার পক্ষ থেকে এসব সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেন। 

শুভসংঘের উপদেষ্টা আলোকচিত্রী কুদ্দুস আলম, জেলা সাধারণ সম্পাদক লতা সরকার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেবী সাহা, প্রচার সম্পাদক সারাব সুয়াইয়া নিহা, পলাশবাড়ী উপজেলা শুভসংঘের সহ-সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান রিজন, সদস্য সাদমান হোসেন ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি অমিতাভ দাশ হিমুন।

কবির উদ্দিন বললেন, করোনার এই সময়টাতে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে কষ্টে সময় কাটছে। কর্মহীন এই সময়ে বাড়ির শিশুদের ছোট ছোট সাধ অভিভাবকরা পূরণ করতে পারছেন না। শুভসংঘের এই উপহার ঈদের দিনে কিছুটা আনন্দ দেবে। 

জরিনা বেগম বললেন, আমাদের মতো অভাবী মানুষদের খুঁজে বের করে শুভসংঘের ছেলে মেয়েরা উপহার দিয়ে গেল। আল্লাহ তাদের সবার ভালো করবেন। তিনি বলেন, ছোট ছোট বাচ্চাদের আবদার মেটানো এবার কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন একটা জামাও কিনে দেওয়া সম্ভব হয়নি আমাদের মতো অনেকের পক্ষে।   

জেলা সম্পাদক লতা সরকার জানালেন, আমরা অনেক মানুষকে সামান্য জিনিস না দিয়ে এই পাঁচটি পরিবারকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঈদ সামগ্রী উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এইটুকুই আমাদের সামর্থ্য। অভাবী মানুষ আমাদের দোয়া করেছেন। আমরা অনেক খুশি।  

জেলা শুভসংঘের সহ-সাধারণ সম্পাদক সামিউল ইসলাম সাকিব বললেন, রমজান মাসে শুভসংঘ ছোট ছোট পরিধিতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অভাবী কর্মহীন মানুষের সংখ্যা এবার অনকে বেশি। বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের সাথে নিয়ে তাদের জন্য কাজ করতে চাই। 

শুভসংঘের উপদেষ্টা কুদ্দুস আলম বললেন, মানুষের প্রয়োজন অনেক বেশি। শুভসংঘের তরুণ-তরুণীরা তাদের মতো করে চেষ্টা করছে। এটা অনেক বড় ব্যাপার। সবাই তো তা করতে পারে না বা চেষ্টাও করে না।



সাতদিনের সেরা