kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

অসহায় পরিবারকে ভ্যান দিল মাদারীপুর শুভসংঘ

মাদারীপুর প্রতিনিধি   

৭ মে, ২০২১ ১৭:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অসহায় পরিবারকে ভ্যান দিল মাদারীপুর শুভসংঘ

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের হোগলপাতিয়া গ্রামের আছমা বেগম তার ছোট ছোট তিনজন সন্তান নিয়ে খেয়ে না খেয়ে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করছিলেন। করোনার এই পরিস্থিতির মধ্যে তাদের আয়ের একমাত্র সম্বল ভ্যানগাড়িটিও তার স্বামী কামাল শরীফ দেনার টাকা শোধ করার জন্য বিক্রি করে দেন। বিদ্যুত বিল পরিশোধ করতে না পারায় লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাদের। এভাবেই তারা দিনে দিনে অসহায় হয়ে পড়েন। 

এমন সংবাদ পেয়ে  শুভসংঘের সদস্য কেএম জুবায়ের জাহিদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে পোস্ট দেন। তা দেখে এগিয়ে আসেন মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোহাম্মাদ সোহেল-উজ্জ-জামান। তার নেতৃত্বে ফেসবুক বন্ধুদের সহযোগিতায় ৪৪ হাজার টাকা দিয়ে অসহায় কামাল শরীফের কর্মসংস্থানের জন্য একটি অটোভ্যান গাড়ি তৈরি করা হয়। সেই অটোভ্যানগাড়িটি শুক্রবার বিকেলে শুভসংঘের পক্ষ থেকে মাদারীপুর শকুনি লেকের পাড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কামাল শরীফের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোহাম্মাদ সোহেল-উজ্জ-জামান। 
আরো ছিলেন শুভসংঘ মাদারীপুর শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক এসএম আরাফাত হাসান, পাশে আছি মাদারীপুরের প্রতিষ্ঠাতা বাইজীদ মিয়া, ধুব্রতারা পরিবারের রুবেল তালুকদার, শুভসংঘের রাকিব হাসান বকুল, কেএম জুবায়ের জাহিদ, পুজা সরকার, রাশেদ আবদুল্লাহ, নাজিম, রবিউল প্রমুখ।

অটোভ্যানগাড়ি পেয়ে কামাল শরীফ বলেন, করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আমরা নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিলাম। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের মুখে ঠিক মতো খাবারও দিতে পারতাম না। এখন এই অটোভ্যানটি পেয়ে আয় করতে পারবো। তা দিয়ে সন্তানদের মুখে খাবার দিতে পারবো। এই ভ্যানগাড়িটি আমাদের পরিবারের জন্য কি, তা বোঝাতে পারবো না।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, শুভসংঘ সব সময়ই অসহায়দের পাশে থেকে কাজ করে। শুভসংঘ আরো এগিয়ে যাক এই কামনা করি।



সাতদিনের সেরা