kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

কালের কণ্ঠ শুভসংঘের মানবিক উদ্যোগ

শুভসংঘের দেওয়া গাভির দুধ খেয়ে বড় হচ্ছে পপিনার সন্তানরা

স্বপন চৌধুরী    

২০ মার্চ, ২০২১ ০৪:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুভসংঘের দেওয়া গাভির দুধ খেয়ে বড় হচ্ছে পপিনার সন্তানরা

দিনমজুর স্বামী রুবেল মিয়া মারা যান প্রায় পাঁচ মাস আগে। দুই ছেলে-মেয়ে আর পেটে অনাগত যমজ দুই কন্যাসন্তান নিয়ে বড় বেকায়দায় ছিলেন পপিনা বেগম (৩০)। নিদারুণ কষ্টে থাকা এই নারীকে ‘বেঁচে থাকার অবলম্বন’ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কালের কণ্ঠ শুভসংঘ। রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে গত ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে দুগ্ধবতী একটি গাভি (বাছুরসহ) তুলে দেওয়া হয়েছিল। দুর্দিনে এই গাভি পেয়ে শুভসংঘকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ওই নারী। অল্প বয়সে স্বামী হারানোয় মানসিক চাপ আর অভাব-অনটনের সংসারে চার সন্তানকে লালন-পালন করতে গিয়ে নিজেও পুষ্টিহীনতায় ভুগছেন অসহায় পপিনা। চিকিৎসা করানোর কোনো সামর্থ্যও নেই তাঁর। রংপুর শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে গঙ্গাচড়া উপজেলার দক্ষিণ আরাজিনিয়ামত গ্রামের জীর্ণ ঘরের বাসিন্দা এই নারী ছেলে-মেয়েসহ এখনো কোনো রকমে খেয়ে বেঁচে আছেন পাড়া-প্রতিবেশীর দয়ায়। কালের কণ্ঠ শুভসংঘের দেওয়া গাভির দুধ খেয়ে বেড়ে উঠছে তাঁর সন্তানরা। নিজেও পাচ্ছেন কিছুটা পুষ্টিকর খাবার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুই মাস আগে ফুটফুটে যমজ দুই কন্যাসন্তান প্রসব করেন পপিনা। নাম রেখেছেন খাদিজা ও আয়শা। যমজ দুই কন্যাসন্তান কোলে নিয়ে একমাত্র অবলম্বন গাভির পরিচর্যা করছিলেন তিনি।

পপিনা জানান, স্বামী মারা যাওয়ায় মহাবিপাকে পড়েছি। মাথার ওপর অন্ধকার নেমে এসেছে। চার সন্তানের দেখভাল করাসহ সংসার চালানোর মতো কোনো পথ নাই। আত্মীয়-স্বজনসহ অন্যের সাহায্যে কয়েক মাস থেকে কোনো রকমে বেঁচে আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপাতত আর কিছু না হোক, খাদিজা ও আয়শার জন্য বাড়তি খাবার কিনতে হচ্ছে না। শুভসংঘের দেওয়া গাভির দুধ খেয়েই বড় হচ্ছে তারা।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা