kalerkantho

রবিবার। ৫ বৈশাখ ১৪২৮। ১৮ এপ্রিল ২০২১। ৫ রমজান ১৪৪২

যে জাতি নারীকে সম্মান করে তারা অবশ্যই এগিয়ে যাবে : ইমদাদুল হক মিলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

৪ মার্চ, ২০২১ ২০:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যে জাতি নারীকে সম্মান করে তারা অবশ্যই এগিয়ে যাবে : ইমদাদুল হক মিলন

কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলন বলেছেন, মানুষ বড় হলেই দেশ বড় হয়। এ জন্য আমাদের ভালো মানুষ হতে হবে। আগামী প্রজন্মকে সোনার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমরা বাঙালি জাতি। আমরা লড়াই করা জাতি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে লড়াই করে মাতৃভাষা পেয়েছি। আর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলাদেশে স্বাধীন করেছি। 

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়া পৌরসভার বিজয় উল্লাস চত্ত্বরে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পেলে যেমন ফুটবল খেলাকে শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ঠিক তেমনই এই লাঠিয়াল বাহিনীও তাদের এই লাঠি দিয়ে যে শিল্পকর্ম উপস্থাপন করেছেন তা আগামীতে নানান গুণে গুণান্বিত হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে মার্শাল আর্টে একদল কিশোর-কিশোরী অংশ নেয়। তাদের উদ্দেশে কালের কণ্ঠ সম্পাদক বলেন, যে জাতি নারীকে সম্মান করে তারা অবশ্যই এগিয়ে যাবে। 

এ সময় বাংলাদেশ লাঠিয়াল বাহিনীর সহসভাপতি জহুরুল হক চৌধুরী রন্জু, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. সরোয়ার মুর্শেদ, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদেকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, এমন লাঠিখেলা আমি কেবল সিনেমায় দেখেছি। কিন্তু বাস্তবে আজকে দেখলাম। কুষ্টিয়ার লাঠিখেলা দেখে আমি বিমোহিত। আত্মরক্ষার জন্য লাঠিখোলা এবং মার্শাল আর্ট শেখাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রত্যেকটা বিদ্যালয়ে আত্মরক্ষার জন্য মার্শাল আর্ট শেখানো হলে নিজেদের অধিকার রক্ষা করতে আমারা সক্ষম হবো।

কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কুষ্টিয়ার আয়োজনে বাংলাদেশ লাঠিয়াল বাহিনীর সদস্যরা দেড় ঘণ্টাব্যাপী লাঠির মাধ্যমে অতিথি এবং দর্শকদের বিভিন্ন কসরত উপহার দেয়। তারা ঢাক, ঢোল আর কাঁসার ঘণ্টা বাজিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে। বাদ্যের তালে নেচে নেচে লাঠি খেলে অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে লাঠিয়ালরা। তারপরই চলে লাঠির কসরত। প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা ও তাকে আঘাত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন লাঠিয়ালরা। এসব দৃশ্য দেখে আগত দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে উৎসাহ যোগায় খেলোয়াড়দের। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে নিয়মিত এই ধরনের আয়োজনের দাবি করেন দর্শকরা।

পরে কালের কণ্ঠ সম্পাদক লাঠিয়াল বাহিনীর সদস্যদের হাতে পুরস্কার হিসেবে নগদ অর্থ তুলে দেন এবং সব শেষে কুষ্টিয়ার একদল শিশু ও কিশোর-কিশোরী কালের কণ্ঠ সম্পাদকের সম্মানে মার্শাল আর্ট প্রদর্শন করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা