kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

বস্তা সংকট!

বোয়ালখালীতে ন্যায্য মূল্যে ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি এখনো

কাজী আয়েশা ফারজানা, বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম)   

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সারা দেশে সরকার ঘোষিত ন্যায্য মূল্যে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হলেও বোয়ালখালীতে এ কর্মসূচির আওতায় কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি। বস্তা সংকটের কারণে ধান সংগ্রহ শুরু করতে পারেনি বলে জানিয়েছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ১৭ মে থেকে সারাদেশে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হলেও বোয়ালখালীর অনেক কৃষক এখনো বিষয়টি অবগত নন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, সারা দেশের মতো বোয়ালখালীতেও ন্যায্য মূল্যে সরকার ধান সংগ্রহ করছে খবরটি অনেক কৃষক জানেন না। তাই তাঁরা মিল মালিকদের কাছে লোকসান দিয়ে ১২০ টাকা দরে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আর যাঁরা জানেন তাঁরা উপজেলায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও বিক্রি করতে পারছেন না।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম বলেন, ‘উপজেলার কৃষকদের একটি তালিকা হাতে পেয়েছি। উৎপাদিত ধান অনুযায়ী ৫৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বস্তা সংকটের কারণে কৃষকের ধান সংগ্রহ বিলম্ব হচ্ছে।’

উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জিতেন্দ্র লাল দাশ বলেন, ‘ধান আছে, কিন্তু কেনার মানুষ নেই। সরকার ২৬০ টাকা দরে ধান সংগ্রহ করার নির্দেশ দিলেও কৃষকরা ১২০ টাকা করে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। যদি প্রতি ইউনিয়নে বিক্রয়কেন্দ্র খোলা হয় তাহলে কৃষকরা লাভবান হবেন।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল সিদ্দীক বলেন, ‘সংগ্রহ করা ধান গুদামজাত করার জন্য যে পরিমাণ বস্তার প্রয়োজন তা এখনো বোয়ালখালীতে পৌঁছায়নি। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছি। বস্তা আসার সঙ্গে সঙ্গে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে।’

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্র জানায়, বোয়ালখালী উপজেলার ৯ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১৯শ হেক্টর জমিতে এবার বোরো ধান আবাদ হয়েছে। এ আবাদি কৃষি জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে ১০ হাজার ২শ ৬০ মেট্রিক টন (৫.৪ মেট্রিক টন ধান)। সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর ২৫০ জন কৃষকের তালিকা তৈরি করে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা