kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

আনোয়ারায় আহত ২

মাটিরাঙায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু

মাটিরাঙা (খাগড়াছড়ি) ও আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় বজ্রপাতে আয়েশা খাতুন (৫৫) ও মো. আব্দুল মমিন (২২) নামে মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় একই পরিবারের আরো দুজন আহত হন। রবিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মাটিরাঙা উপজেলার দুুর্গম বড়নাল ইউনিয়নের করিম মাস্টারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন নিহত আয়েশা খাতুনের মেয়ে আলেয়া বেগম (৩০) ও তাঁর ছেলে মো. আরাফাত হোসেন (৮)। আহতরা মাটিরাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।

বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. আব্দুল জলিল বলেন, ‘রবিবার ভোরে পরিবারের সবাই সেহরি খাওয়ার পর যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই আকস্মিক বজ্রপাতে মো. আবদুল খালেকের স্ত্রী ও ছেলে নিহত হয়। এ সময় ঘরে থাকা অপর দুই সদস্য আহত হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে মাটিরাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন।’

মাটিরাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. সনাহিদ উদ্দিন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে একই সময়ে মাটিরাঙা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের খেদাচড়া এলাকায় রাজিয়া খাতুন (৫৫) নামে এক গৃৃহিণী বজ্রপাতে আহত হয়েছেন। এ সময় তাঁদের গৃৃহপালিত একটি গরু মারা গেছে বলেও জানিয়েছেন বেলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম।

এদিকে দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের পক্ষে মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিভীষণ কান্তি দাশ হাসপাতাল কমপ্লেক্সে গিয়ে নিহত আয়েশা খাতুনের স্বামী মো. আব্দুল খালেকের হাতে অনুদানের ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন।

মাটিরাঙা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. শামসুদ্দিন ভূঁইয়া বজ্র্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে আনোয়ারায় বজ্রপাতে মসজিদের ইমাম ও নারীসহ দুজন আহত হয়েছেন। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রায়পুর ইউনিয়নের উত্তর পরুয়াপাড়া ও দক্ষিণ পরুয়াপাড়ায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন উত্তর পরুয়াপাড়ার ফকির বাপের বাড়ির আশরাফুজ্জামানের ছেলে হাফেজ মহিউদ্দিন (২৫) ও দক্ষিণ পরুয়াপাড়া গ্রামের মো. আলমের স্ত্রী পাখি আক্তার (২০)। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মৌলানা মো. ইসহাক বজ্রপাতে আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা