kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

ঈদ বাজার

নোয়াপাড়া পথেরহাট সরগরম

জাহেদুল আলম, রাউজান (চট্টগ্রাম)   

২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াপাড়া পথেরহাট সরগরম

মার্কেটগুলোতে গভীর রাতেও চলে বেচাকেনা। ছবি : কালের কণ্ঠ

উপজেলার দ্বিতীয় বাণিজ্যিক কেন্দ্র নোয়াপাড়া পথেরহাটে ঈদের বাজার জমে উঠেছে। সকাল থেকে রাত অবধি চলছে বেচাকেনা। আর ক্রেতা টানতে পথেরহাটে মার্কেটগুলো সাজানো হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়।

পথেরহাটে রয়েছে একাধিক মার্কেট। বিশেষ করে উপজেলার দক্ষিণাংশের নোয়াপাড়া, পূর্ব গুজরা, পশ্চিম গুজরা, বাগোয়ান, পাহাড়তলী, বিনাজুরী, কদলপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ ছাড়াও রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লোকজনও এখানে ঈদের জামা কাপড়সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে আসেন। মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে আমীর মার্কেট, খায়েজ মার্কেট, ভারতশ্বরী প্লাজা, সতীশ মার্কেট ও স্কুল মার্কেট।

এখানে সবচেয়ে বড় কেনাকাটার দোকান হচ্ছে ভারতশ্বরী প্লাজার দ্বিতীয় তলার আলো শাড়িজ। এটি এবার দুই বছর পূর্তি উদযাপন করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, এখানে বৃদ্ধ, মধ্যে বয়সী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী প্রচুর ক্রেতার ভিড়। আলো শাড়িজের প্রোপাইটর মুক্তিপদ দে, তড়িৎ কুমার দে, ম্যানেজার চন্দন চৌধুরী, সহকারী আবদুর জব্বার, রাসেল, হেলাল, নজরুল, মিটু, হারাধন, ইমরান, রনি, অরুণ জানান, এবারের ঈদে বাংলাদেশি সুতি জামদানি, তাঁতের শাড়ি, রাজশাহীর রেশমী, কাতান, পাবনা শাড়ি, ভারতীয় বেনারসি, কাতান, রাজগুরু, চান্দেরী, লুগাদে, গাদোয়ান, শান্তিপুরী তাতসহ বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ত্রিপিচের মধ্যে বিনয়, গড়িলাসহ ভারতীয় ত্রিপিচের কদর বেশি। এছাড়া পোড়ক, জিন্স প্যান্ট, থাই প্যান্ট, শার্ট, লুঙ্গি, বেবি সেট, লেহেঙ্গা, জুতো, পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন প্রসাধনীর বেচাকেনা চলছে বেশি।

আলো শাড়িজের ম্যানেজার চন্দন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের নোয়াপাড়া শাখা ছাড়াও রাউজান সদর মুন্সিরঘাটার পাশে এবং ফটিকছড়ি আজাদী বাজারেও বেশ সুলভ মূল্যে মালামাল বিক্রি করা হচ্ছে।’

আমীর মার্কেটে আসা এক নারী ক্রেতা নাছিমা আকতার বলেন, ‘আজকাল ঈদের কেনাকাটার জন্য শহরে যেতে হয় না। পথেরহাটে অনেক মার্কেট গড়ে উঠেছে। মার্কেটগুলোতে ভারতীয়সহ আধুনিক পোশাক, প্রসাধনী পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে পথেরহাটে বাচ্চাদের নিয়ে ছুটে এসেছি।’

পুলিশ জানায়, ঈদের বাজার উপলক্ষে নোয়াপাড়া পথেরহাটসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা