kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

চকরিয়া চিংড়িজোনে ফের কোদাইল্যা বাহিনীর তাণ্ডব

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৭ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোনে জোঁ (মাছ ধরার মৌসুম) শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছে কোদাইল্যা বাহিনীর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার পালাবদল ও থানার ওসির বদলির সুযোগে এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসী বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে পুরো চিংড়িজোনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে সন্ত্রাসীরা চিংড়িজোনের রামপুর মৌজার ২ ও ৩ নম্বরসহ বিভিন্ন পোল্ডারের ১০ ও ১১ একর বিশিষ্ট ৪৪৮টি ও ১১ একর বিশিষ্ট ১১৯টি চিংড়িঘেরে হানা দিয়ে সশস্ত্র তাণ্ডব ও লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করায় কয়েকটি ঘেরের পাঁচজন কর্মচারীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ত্রাসী তাণ্ডব ও লুটপাট চালিয়ে তাঁরা ক্ষান্ত হননি, বর্তমানে উপর্যুক্ত ঘেরের প্রায় সাত হাজার একর চিংড়িজমির মধ্যে অন্তত ২ হাজার একর চিংড়িজমি জবর-দখল করে নিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ধরনের প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ক্ষতিগ্রস্ত ঘেরের বৈধ লিজপ্রাপ্ত চিংড়িচাষিদের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুছা বাদী হয়ে কোদাইল্যা বাহিনীর নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান ও ফোরকান ডাকাতসহ ৩৯ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো ২৫-৩০ জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বুধবার।

অভিযোগে তিনি দাবি করেছেন, ১১ মে বিকেল তিনটার পর থেকে শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে চিংড়িজোনের রামপুর মৌজার ২ ও ৩ নম্বর পোল্ডারের ১০ একর বিশিষ্ট ৯৮টি চিংড়িপ্রকল্পে হানা দেয়। এ সময় তারা বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ শুরু করলে চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা