kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

গাড়িচালক শিমুল হত্যা

‘আমার বুক যারা খালি করেছে, তাদের ফাঁসি চাই’

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আমার বুক যারা খালি করেছে, তাদের ফাঁসি চাই’

সীতাকুণ্ডে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন নিহতের মা ছেনোয়ারা বেগম।

‘আমার বুক যারা খালি করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই।’ কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন সীতাকুণ্ডে দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত গাড়িচালক মো. নুরুল গণি শিমুলের মা ছেনোয়ারা বেগম। মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলতে বলতে ছেলের জন্য আহাজারি শুরু করেন। সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করে সীতাকুণ্ড মাইক্রো-কারচালক সমবায় সমিতি। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন শিমুলের বাবা আবুল কালামও।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সীতাকুণ্ড মাইক্রো-কারচালক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ। তিনি বলেন, ‘নুরুল গণি শিমুল আমাদের সংগঠনের একজন সদস্য। খুবই ভদ্র ও শান্ত হিসেবে সে সবার কাছে জনপ্রিয় ছিল। গত ১২ এপ্রিল শুক্রবার এলাকার চিহ্নিত চারজন সন্ত্রাসী, ইয়াবা কারবারি চমেক হাসপাতালে এক মুমূর্ষু রোগীকে জরুরি রক্ত প্রদানের কথা বলে শিমুলের গাড়িটি ভাড়া নিয়ে পথিমধ্যে তাকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে। এর মধ্য দিয়ে শিমুলের দরিদ্র পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। শিমুল তার মা-বাবার তিন ছেলে মেয়ের মধ্যে সবার ছোট এবং একমাত্র ছেলে। তার আয়ের ওপর পরিবারটি অনেকাংশে নির্ভরশীল ছিল।’

সংবাদ সন্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন নিহত শিমুলের বোন রাজিয়া সুলতানা, মাইক্রো-কারচালক সমিতির সভাপতি সোহরাব উদ্দিন বাবলু ও অর্থ সম্পাদক আলাউদ্দিন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাতে সীতাকুণ্ড মাইক্রো-কার স্ট্যান্ড থেকে কার ভাড়া নিয়ে ছিনতাইকারীরা হাতিলোটা রাস্তার মাথা এলাকায় গাড়িচালক শিমুলকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে। পরে কাট্টলী এলাকা দিয়ে লাশ সাগরে ফেলতে যাওয়ার পথে এলাকাবাসীর হাতে লাশসহ দুই আসামি আটক হলে ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

মন্তব্য