kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

পাহাড়ে ঘরে ঘরে বৈসাবি আনন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়িদের প্রধানতম সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব বৈসাবিতে উৎসব আনন্দে মাতোয়ারা পাহাড়ি জনপদ। চাকমাদের বিজু আর ত্রিপুরাদের বৈসু উৎসব শেষ হলেও রেশ কাটেনি। অন্যদিকে মারমা জাতিগোষ্ঠীর ‘সাংগ্রাইং’ শুরু হয়েছে নববর্ষের দিনে। রবিবার ভোর থেকে নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করেন মারমারা। বুদ্ধমূর্তিকে স্নান করিয়ে বুদ্ধপূজা করেন। বিশেষ ফুল দিয়ে ঘরদোর সাজান। ঘরে ঘরে অতিথি অপ্যায়নে মিষ্টান্ন ছাড়াও ‘পাচন’ ছিল উল্লেখযোগ্য।

নববর্ষের দুপুরে খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়া বটতলায় মারমা উন্নয়ন সংসদের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি। পরে সাংগ্রাই এর প্রধানতম আকর্ষণ মৈত্রীময় জলবর্ষণ শুরু হয়। সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক পানি উৎসব উদ্বোধন করেন।

১০০ জন বয়োজ্যেষ্ঠকে স্নান : জেলার নয় মাইল এলাকায় গ্রামের ১০০ জন বয়োজ্যেষ্ঠকে রবিবার সকালে একসঙ্গে স্নান করানো হয়। এরপর ভক্তিভরে প্রণাম করে দেওয়া হয় নতুন বস্ত্র। নয়মাইল নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল মাঠে এলাকাবাসী এ আয়োজন করে।

বান্দরবান : রবিবার সকালে বান্দরবান শহরে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং স্থানীয় রাজার মাঠে বর্ষবরণ উৎসব উদ্বোধন করেন। বাঙালি ছাড়াও বান্দরবানে বসবাসরত ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করে এতে অংশ নেয়। পরে রাজার মাঠের উন্মুক্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য