kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

চট্টগ্রামে নির্বাচন কমিশন সচিব

নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিছুতেই ৩০ ডিসেম্বরের পর পেছানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সকলের অংশগ্রহণমূলক, একটি সুন্দর, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। যে নির্বাচন হবে উৎসবমুখর পরিবেশে। যেখানে সকল রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। আমাদের দেশের ভোটাররা ভোটকে উৎসব হিসেবে নেয়। ৩০ ডিসেম্বর দিনটি ভোট উৎসবে পরিণত হবে।’

গতকাল শনিবার বিকেলে নগরের চট্টগ্রাম লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, ‘পোস্টার-ব্যানার সরাতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৮ নভেম্বরের মধ্যে যদি অপসারণ না হয় তাহলে ১৯ নভেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে এসব নামানো হবে।’

নির্বাচনী প্রচারণায় মন্ত্রী-এমপিদের প্রটোকল পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মনোনয়ন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত তারা যে প্রার্থী, এটা আমরা বলতে পারি না। এর আগ পর্যন্ত সরকারি কাজে, প্রকল্প পরিদর্শনে তাঁরা সরকারি প্রটোকল ও প্রটেকশন পাবেন। এর পরে যখন প্রার্থী হবেন তখন সরকারি প্রটোকল, প্রটেকশন ও গাড়ি নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায়

ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে অন্য এলাকায় প্রটোকল পাবেন।’

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকরা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন না। যদি আমরা বিদেশে ভোটগ্রহণের ইভিএম পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারতাম, তা হলে হয়ত সম্ভব হতো। তবে সেটাও এখন নয়।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সাথে কয়েক মাস আগে এক বৈঠকে তাঁরা বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমরা ভোটার করতে চাই। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনাও আছে। জাতীয় নির্বাচনের পর কোনো একটা দেশে যাব, যেখানে বাংলাদেশিরা আছেন। সেখানে একটা পাইলট প্রকল্প করব। তার পর পুরোটা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

ইভিএম বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত হল শহর এলাকায় স্বল্প পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। চট্টগ্রামের কোন এলাকায়, কোন আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দৈবচয়নের ভিত্তিতে ইভিএম এলাকা ঠিক করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার একটি চলমান প্রক্রিয়া। যদি এটি দীর্ঘদিন ধরে না হত তাহলে নির্বাচনের আগে নতুন করে শুরু করতে হত। কিন্তু আমাদের দেশে র্যাব-পুলিশের অভিযানে অনেক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়েছে, অনেকে বন্দুকযুদ্ধে মারাও গেছে। সন্ত্রাসীরা নিয়মিত গ্রেপ্তার হচ্ছে। ইতোমধ্যে সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আইজিপিকে নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে।’

সেমিনারে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানু্জ্জামান, বেসরকারি সংস্থা ইলমার নির্বাহী প্রধান জেসমিন সুলতানা পারু, চট্টগ্রামের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনডিপি ও ইউএনওমেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ‘জেন্ডার অ্যান্ড ইলেকশন’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে।

মন্তব্য