kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

শ্রমিক অসন্তোষ, ক্যানপার্কের ছয় ইউনিটে কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর্ণফুলী ইপিজেডে শ্রীলঙ্কান মালিকানাধীন ক্যানপার্ক অ্যাপারেল (প্রা.) লিমিটেডে বৃহস্পতিবার শ্রমিক অসন্তোষের জের ধরে শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। চট্টগ্রাম ইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেডে কম্পানির মালিকানাধীন ছয় ইউনিটের প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক শনিবার এ কর্মবিরতি পালন করেন বলে ইপিজেড সূত্র জানায়।

বৃহস্পতিবার কারখানায় প্রবেশের সময় একজন নারীকর্মীকে হেনস্তা করেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এরই জের ধরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদ একসময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় ইট-পাথর আর টিয়ারশেলের আঘাতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। শুক্রবারের বন্ধ শেষে শনিবার ইপিজেড খুললে সকাল থেকে কর্ণফুলী ইপিজেডের প্রবেশপথে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যদিও ক্যানপার্ক কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবারের সংঘটিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া মেনে শ্রীলঙ্কান নাগরিক কম্পানির মহাব্যবস্থাপক (উৎপাদন) সাম্পাতকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত, ব্যবস্থাপক

(মানবসম্পদ) শংকর ও জয় নামে একজনকে অব্যাহতি দিয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এবিএস সিকিউরিটিজের সাথে চুক্তি বাতিল করে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া শ্রমিকদের ছুটি, পিএফ ফান্ডসহ বেশিকিছু দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

কর্ণফুলী ইপিজেডে ক্যানপার্ক কম্পানির ৪টি ইউনিটে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার শ্রমিক কাজ করে জানিয়ে কেইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাসানুজ্জামান শনিবার বলেন, ‘ক্যানপার্ক কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের স্বার্থে বেশকিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’

এদিকে কর্ণফুলী ইপিজেডের ঘটনার জের ধরে গতকাল চট্টগ্রাম ইপিজেডের ক্যানপার্কের দুটি কারখানায়ও শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেন। সকালে কারখানায় আসলেও পরবর্তীতে তাঁরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে পড়েন। পরে কর্তৃপক্ষ তাঁদের ছুটি দিয়ে দেয়।

শিল্প পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মমতাজ বলেন, ‘সিইপিজেডের দুটি ইউনিটের আড়াই হাজারের বেশি শ্রমিক সকালে কারখানায় আসলেও একই কম্পানির অপর ইউনিটগুলো বন্ধ থাকার কথা শুনে তারা কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।’

মন্তব্য