kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

এমন কিছু করুন...

অপু বিশ্বাস শাকিবের সর্বাধিক [৭৩টি] ছবির নায়িকা

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এমন কিছু করুন...

‘বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না’য় শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস

আমি শুধু সহকর্মী ছিলাম না, ছিলাম সহধর্মিণীও। খুব কাছ থেকে দেখেছি তাঁকে। এতটা সময় ধরে ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখার উদাহরণ বাংলা চলচ্চিত্রে খুব কমই আছে। পুরোটাই তাঁর কৃতিত্ব। মনে পড়ে শাকিবের সঙ্গে প্রথম ‘কোটি টাকার কাবিন’-এ চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা। আমার পরিবারের কেউ রাজি ছিল না। সবাই ছবিটি করতে মানা করেছিল। কারণ একটাই—শাকিব অভিনীত তখনকার বেশির ভাগ ছবি অশালীনতার দায়ে অভিযুক্ত। আমরা হলে গিয়ে সে সব ছবি দেখতাম না। ফলে জানতে পারিনি শাকিব নিজে অশ্লীলতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না। মা তো প্রযোজককে বলেই বসলেন, শাকিবকে না নিয়ে রিয়াজ ভাইকে নিতে। রিয়াজ ভাই তখন ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘রং নাম্বার’ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের মন জয় করে নিয়েছেন। মায়ের কথায় পাত্তা দিলেন না প্রযোজক। বিশ্বাস করুন, শুটিংয়ের প্রথম দিকে ভয়ে ভয়ে ছিলাম। কোনো অশালীন গান বা দৃশ্য না করতে হয় আবার! ধীরে ধীরে শাকিবকে চিনতে শুরু করলাম। আবিষ্কার করলাম অন্য এক শাকিবকে। যতই তিনি ময়ূরী-মুনমুন আপুদের সঙ্গে বিতর্কিত ছবি করুন না কেন, আসলে তিনি এসবের পক্ষে ছিলেন না। ‘সুভা’ ছবিটা হাতে নেওয়ার পর শাকিবের প্রতি আস্থা বাড়ল। মনে হলো, ভালো কাজে তাঁর মন আছে। পরে তো আমাদের প্রেম হলো, বিয়ে হলো—এখন এসব সবার জানা। দোয়া করি, আরো দুই দশক এভাবে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে জ্বলেই থাকুন। তবে একটা কষ্টের কথা না বললেই নয়। শাকিব যখন আমার সঙ্গে ছিলেন তখন বলতাম, ‘তুমি ক্যারিয়ারের মধ্য গগনে। ব্যক্তি শাকিবের আর ওপরে ওঠার জায়গা নেই। এবার ইন্ডাস্ট্রিটাকে ওপরে তোলার কথা ভাবো।’ তিনি বরাবরই সায় দিয়ে গেছেন; কিন্তু আজও সেটা করেননি। আরেকটা কথা বলতে চাই তাঁকে, অনেক হয়েছে শাকিব। এবার আপনি এমন কিছু ছবি করুন যেগুলো আপনাকে অমর করে রাখবে। বাংলা ছবির ইতিহাসে আপনাকে যেন আমরা নায়করাজের সঙ্গে তুলনা করতে পারি। শুভ কামনা আবারও।

মন্তব্য