kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

যে ছবির রিমেক চাই

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যে ছবির রিমেক চাই

অভিনয়শিল্পীদের কে কোন ছবির রিমেকে অভিনয় করতে চান, কেন চান? জেনেছেন মীর রাকিব হাসান

জীবন সংসার ও পালাবি কোথায়

দিলারা হানিফ পূর্ণিমা

শাবনূর আপু ও সালমান শাহ জুটির ছবি আমার খুব প্রিয়। এই জুটির ছবি দেখলে মনে হয়, ইস্, আমি যদি ওই ক্যারেক্টারটা করতে পারতাম! বিশেষ করে তাঁদের রোমান্টিক ছবিগুলো।

 জাকির হোসেন রাজুর ‘জীবন সংসার’ আমার খুব প্রিয়। এই ছবি রিমেক হলে আমার অভিনয় করার ইচ্ছা আছে।

শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘পালাবি কোথায়’ও আমার অনেক প্রিয়। আমার ধারণা, এই ছবি এখন রিমেক হলে বেশ ভালো চলবে। ছবির প্রধান তিন নারী চরিত্রের সবাই দারুণ পছন্দের। আমাকে এর যেকোনো একটা চরিত্র দিলেই লুফে নেব।

 

উত্তম কুমারের শিল্পী

চঞ্চল চৌধুরী

উত্তম কুমারের ‘শিল্পী’ আমার খুব প্রিয়। আমি নিজে চারুকলায় পড়েছি, আঁকাআঁকি পছন্দ করি। এই ছবিতে উত্তম কুমারও শিল্পী। সে কারণেই বেশি প্রিয়। এ পর্যন্ত ২০ বারের বেশি দেখা হয়েছে ছবিটি। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন, কখনো যদি ছবিটির রিমেক হয়, উত্তম কুমারের চরিত্রটা আমি করতে চাই।

 

 

ছুটির ঘণ্টা ও স্বপ্নের পৃথিবী

বাপ্পী চৌধুরী

‘ছুটির ঘণ্টা’ আমার খুব প্রিয়। এই ছবিতে একটা বাচ্চা মূল চরিত্রে। ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে যদি আমার বয়সী কাউকে নিয়ে গল্প করা হয়, করতে চাই। শুনেছি ‘ছুটির ঘণ্টা’ মুক্তির পরপরই দেশের প্রায় সব স্কুল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছিল। সেই ছোটবেলায় দেখেছিলাম ছবিটা, এখনো প্রতিটা দৃশ্য মুখস্থ। এ ছাড়া সালমান শাহ অভিনীত ‘স্বপ্নের পৃথিবী’র রিমেক হলে অভিনয় করতে চাই। এটিও আমার খুব প্রিয় একটি ছবি।

 

আম্মাজান

সাইমন সাদিক

আমার অন্যতম প্রিয় বাংলা ছবি ‘আম্মাজান’। এর প্রতিটি সংলাপ আমার মুখস্থ। মান্না ভাই অসাধারণ অভিনয় করেছেন। ‘আম্মাজান’ মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। এখনো যদি সিনেমাটি দেখতে বসেন, একবারে না দেখে উঠতে পারবেন না। ছোটবেলায় ছেলের সামনেই ধর্ষিত হয় বাদশার মা। সেই ধর্ষককে খুন করে ১৪ বছর জেল খাটে বাদশা। ধর্ষিত হওয়ার পর ছেলের সঙ্গে কখনো কথা বলেনি মা। এই ছবি রিমেক হলে করতে চাই।

 

সত্যের মৃত্যু নেই

সিয়াম আহমেদ

রিমেকে অভিনয় করতে চাই না। কারণ জনপ্রিয় ছবিই তো রিমেক হয় সাধারণত। সেখানে যাঁরা অভিনয় করেছেন তাঁদের সঙ্গে তুলনা করে দর্শক সমালোচনা করেন। আমি যতই ভালো করি না কেন একটা তুলনা আসবেই। একটা রিস্ক থেকেই যায়। তবু যদি কখনো এমন অফার আসে, সালমান শাহ অভিনীত ছবির রিমেকে অভিনয় করতে চাইব। তাঁর করা সব চরিত্রই আমার খুব প্রিয়। ‘সত্যের মৃত্যু নেই’ আর ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ একটু বেশিই প্রিয়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা