kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

ভোটের মাঠে তাঁরা

আজ থেকে ভারতে শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন অনেক তারকাই। তাঁদের কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

১১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভোটের মাঠে তাঁরা

মথুরায় হেমা মালিনী

হেমা মালিনী

১৯৯৯ সালে ভারতীয় জনতা পাটির [বিজেপি] প্রার্থী বিনোদ খান্নার হয়ে প্রচারণায় ছিলেন অভিনেত্রী। এরপর নিজেই নেমে যান রাজনীতির মাঠে। ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০০৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ছিলেন রাজ্যসভার সদস্য। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচন করলেও হেরে যান। এবারও নির্বাচনে আছেন অভিনেত্রী। উত্তর প্রদেশের মথুরা থেকে লড়বেন তিনি। নির্বাচনের আগে ক্ষেতে কৃষকের সঙ্গে কাজ করে বেশ চমক তৈরি করেছেন অভিনেত্রী।

 

দেব

২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে দেবকে প্রার্থী করে রীতিমতো চমকে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিনেতা নির্বাচনে জিতেও  যান। এবারও ঘাটাল থেকে লড়ছেন তিনি। গেল পাঁচ বছর রাজনীতির অভিজ্ঞতা তাঁকে আমূল বদলে দিয়েছে মনে করেন দেব, ‘এখন অনেক কিছুই গভীরভাবে বুঝতে পারি, আগে এই বোধটা ছিল না। রাজনীতিতে আসার পর পরোক্ষভাবে আমার ক্যারিয়ারেও সেটা কাজে লেগেছে। প্রযোজনা শুরু করেছি, রাজনীতিতে না নামলে এত তাড়াতাড়ি এটা করতে পারতাম না।’ ভোটের আগে উন্নয়নের পক্ষে জনগণের রায় চাইছেন অভিনেতা। ঘাটাল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যানের কথাও জানান।

 

নুসরাত জাহান

বসিরহাট থেকে নুসরাত জাহানকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিশ্লেষকদের ধারণা, মুসলিম ভোটারদের আস্থা পেতেই মুসলিম এই অভিনেত্রীকে দলে ভিড়িয়েছে দলটি। প্রথম ভোট হলেও নুসরাত অবশ্য রাজনীতি করাটাকে নতুন কিছু হিসেবে দেখছেন না, ‘মানুষ রাজনৈতিক জীব। আগে কাজ ছিল মানুষের বিনোদনের জন্য ভালো সিনেমা করা, এখন তাদের ভালো থাকতে সাহায্য করা।’

 

যাদবপুরে নির্বাচনী প্রচারে মিমি চক্রবর্তী

মিমি চক্রবর্তী

অভিনেত্রীকে যাদবপুর থেকে প্রার্থী বানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবারই এ আসনে শক্ত লড়াইয়ের মুখে পড়া তৃণমূল সমর্থকরা আশা করছে এবার মিমি দলকে জেতাবেন। প্রথম নির্বাচন হলেও অভিনেত্রী এর মধ্যেই মানিয়ে নিয়েছেন। ভোটের জন্য ছবি ছেড়েছেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন, মাঠে-ঘাটে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন, ফুটবল খেলছেন। অভিনেত্রী মনে করেন, মানুষ এত দিন তাঁকে যে ভালোবাসা দিয়েছে ভোটে জিতে সেটা ফিরিয়ে দেওয়ার পালা।

 

বাবুল সুপ্রিয়, মুনমুন

গেলবার আসানসোল থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জিতে মন্ত্রী হয়েছিলেন গায়ক। এবারও তিনি আছেন এই আসন থেকে। তাঁর বিপরীতে লড়বেন তৃণমূলের মুনমুন সেন। তাঁর বিপক্ষে অভিনেত্রীদের দাঁড় করানো নিয়ে বাবুল মজা করে বলেছেন, ‘দিদি [মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়] আমাকে সুন্দরী অভিনেত্রীদের সঙ্গে লড়তে নামিয়ে দেন, এটা ঠিক না।’

 

শতাব্দী রায়

২০০৯ সালে প্রথম তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচন করেছিলেন শতাব্দী রায়। এবার তিনি লড়বেন বাঁকুড়া থেকে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনী এলাকায় ভালো জনপ্রিয়তা থাকায় এবারও তিনি জিতে আসবেন।

 

উর্মিলা মাতণ্ডকর

২৭ মার্চ কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উত্তর মুম্বাই থেকে। মাঝে তিনি ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হয়েছেন এমন গুজবও ছিল। অভিনেত্রী এসব গুজবকে দেখেছেন তাঁর জয় হিসেবেই, ‘পরাজয় নিশ্চিত জেনে অনেকেই নির্বাচনে ধর্মকে টেনে আনছে।’

মন্তব্য