kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

রাফতার দ্য র‌্যাপার

১১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাফতার দ্য র‌্যাপার

‘মান্টো’ আর ‘আন্ধাধুন’-এর টাইটেল ট্র্যাকের কল্যাণে রাফতার এখন বলিউডে পরিচিত নাম। গানের কথার জন্য আলাদাভাবে পরিচিতি পেয়েছেন কেরালার এই র‌্যাপার। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

 

ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের গানের দল ‘মাফিয়া মন্দির’-এ ছিলেন রাফতার। তবে তখন ঢাকা পড়ে ছিলেন হানির আড়ালে। একক ক্যারিয়ার শুরুর পর পরিচিতি বাড়ে, বলিউডে গাওয়ার পর সেটা আরো ছড়িয়ে যায়। ২০১৩ সালে ‘বুুলেট রাজা’ দিয়ে বলিউডে শুরু। এরপর করেছেন ‘ফাগলি’, ‘হিরোপান্তি’, ‘সিং ইজ ব্লিং’, ‘ঢিশুম’, ‘বাগি’ ইত্যাদি ছবি। ২০১৬ সালে ‘দঙ্গল’-এ গান করে প্রথমবারের মতো পরিচিতি পান, পত্রপত্রিকায় সাক্ষাৎকার বের হয়। তবে ধারাবাহিক থাকতে পারেননি, পরের বলিউড ছবিগুলো টানা ফ্লপ হয়। রাফতারও ফের আড়ালে চলে যান। ফিরলেন ‘মান্টো’ আর ‘আন্ধাধুন’-এর টাইটেল ট্র্যাক দিয়ে। অল্প দিনের ক্যারিয়ার হলেও এর মধ্যেই গানের কথা তাঁকে অন্য র‌্যাপারদের থেকে আলাদা করেছে।

এ প্রসঙ্গে গায়ক বলেন, ‘শিল্পী হিসেবে আমি নিজের একটা গণ্ডি তৈরি করেছি। আমার লেখা কথা সেই গণ্ডির মধ্যেই ঘোরাফেরা করে। এটা কারো কাছে ভালো লাগে, কারো কাছে খারাপ।’ রাফতার যে কথার জন্য প্রশংসিত, সেই কথার জন্যই অনেক র‌্যাপার সমালোচিতও হচ্ছেন। এটা নিয়ে অকপট গায়ক, ‘শিল্পী হিসেবে আমরা যা করি, সবটাই বাজারের চাহিদামাফিক। যে শিল্পীদের গানের কথা নিয়ে এত প্রশ্ন উঠছে, সেই গান কিন্তু বাজারে চলছে। শ্রোতারা শুনছে। এখন পাঁচজন শিল্পীর ব্যক্তিত্ব আর পছন্দ পাঁচ রকম বলেই আমরা টিকে আছি।’

কেরালার ছেলে রাফতার ছোটবেলা থেকেই গানের কথা, ছন্দ নিয়ে কাজ করতেন। সেই সময়ের স্মৃতি মনে করে নস্টালজিক রাফতার, ‘স্কুলে পড়ার সময় খুব সিডি শুনতাম। বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া সিডির সুবাদে পশ্চিমা গানের সঙ্গে পরিচিত হই। র‌্যাপ শুনতে শুনতে মনে হলো, আমিও তো ছন্দে গান বাঁধতে পারি। এভাবেই শুরু করেছিলাম।’ রাফতার কাজ করেছেন বাংলা ছবিতেও। দেবের ‘চ্যাপ’-এর জন্য গেয়েছিলেন। জানালেন, দেবের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ আছে, দ্রুতই তাঁর ছবিতে আবার গাইবেন। র‌্যাপ নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও সেসব নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। রাফতারের ভাষায়, ‘যাঁরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা করেন তাঁদের নিয়ে মাথা ঘামাই না। রহমান স্যার, সালিম-সুলেমান ভাই আর বিশাল দাদলানির মতো শিল্পীরা যখন আমাকে ডেকে গান দেন, সেটা আমার কাছে গর্বের।’

গান ছাড়াও শিল্পী রিয়ালিটি শো ‘রোডিজ’-এর মেন্টর। কারণ তাঁর কাছে এটি শুধু একটি খেলা নয়, টিকে থাকার লড়াই। সমাজে বাঁচতে গেলে জীবনে যে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেটার শিক্ষা পাওয়া যায় এই শো থেকে।

মন্তব্য