kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সিক্রেট সুপারস্টার

এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয় ছবি, একই অভিনেত্রীর সঙ্গে পর পর দুই ছবি—নানা কারণেই আলাদা আমির খানের ‘সিক্রেট সুপারস্টার’। আগামীকাল মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ছবিটি নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিক্রেট সুপারস্টার

গেল বছর ‘দঙ্গল’-এর প্রচারণার সময়ই সুখবরটা দিয়েছিলেন। পর্দায় তাঁর দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে যাঁরা হাপিত্যেশ করেন তাঁদের জন্য বলেছিলেন, দ্রুতই ফের দেখা হবে। কথা রেখেছেন আমির খান। গেল ডিসেম্বরে ‘দঙ্গল’ মুক্তির এক বছর না পেরোতেই ফের আসছেন দিওয়ালিতে। ছবির শুধু অভিনেতাই নন, অন্যতম প্রযোজকও বটে। আমিরের স্ত্রীও [কিরণ রাও] এর অন্যতম প্রযোজক। তবে পরিচালক অদ্বৈত চন্দন অবশ্য পরিচালক হিসেবে একেবারেই নবাগত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমিরের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন। ‘সিক্রেট সুপারস্টার’-এর গল্প এক রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের কিশোরী ইনসিয়াকে নিয়ে, যে গাইতে চায়, কিন্তু পরিবার কিছুতেই মানবে না। গিটার ভেঙে ফেলে। কিন্তু ইনসিয়াকে থামায় কে। ঠিকই সে বোরকা পরে নিজের গানের ভিডিও একের পর এক আপলোড করে ইউটিউবে। একসময় তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সে। ইনসিয়ার চেহারা না দেখেই তার কণ্ঠের প্রেমে পড়ে যায় ভক্তরা। গানের ব্যাপারে তাকে সাহায্য করে এক সুরকার। এই সুরকারের চরিত্রটিই করেছেন আমির খান। আর ইনসিয়া হয়েছেন জাইরা ওয়াসিম, যিনি আগে ‘দঙ্গল’-এ আমিরের মেয়ে হয়েছিলেন। বলা হচ্ছে, ছবিতে আমিরের সুরকার চরিত্রটি তৈরি হয়েছে বলিউডের জনপ্রিয় সুরকার আনু মালিককে মাথায় রেখে। ছবিতে ইনসিয়ার সংগীত শিক্ষক হয়েছেন আমির। ‘তারে জামিন পার’-এর পর দ্বিতীয়বারের মতো শিক্ষক চরিত্র করলেন এই অভিনেতা। বেশ অল্প বাজেটে দ্রুতই তৈরি হয়েছে ‘সিক্রেট সুপারস্টার’। আমির খান তাঁর অংশটির শুটিং শেষ করেছেন মাত্র ১৫ দিনে। একে তো পরিচালক চন্দনের  প্রথম ছবি, একই সঙ্গে তিনি চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করেননি। সেসব নিয়ে অবশ্য চিন্তিত নন তিনি। কারণ ছবির গল্পটা ভালো লেগেছে আমিরের। আমিরের ভালো লাগার মানে যে কী সেটা এই অভিনেতার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজের অভিজ্ঞতা থেকে ভালোই জানা আছে চন্দনের। ‘আমিরের সঙ্গে সত্যমেব জয়তে করার সময়ই অনেকগুলো আইডিয়া মাথায় আসে। এক গরিরের ছেলেকে পাই, যে ইউটিউব দেখে গলফ খেলা শিখে বাস্তবে গলফে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আরেকজন নারীকে পাই, যে ড্রাইভিং করে পরিবার চালায়। এসব ভাবতে ভাবতে গল্পটা মাথায় আসে। লিখে আমির আর কিরণকে দেখাই। ওরা পছন্দ করে আর প্রযোজনা করতেও রাজি হয়ে যায়। চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা না করলেও সত্যমেব জয়তের অভিজ্ঞতা এই ছবি নির্মাণের ক্ষেত্রে কাজে দিয়েছে।’ আমির খান খুবই উত্সাহিত ছবিটি নিয়ে। দিন কয়েক আগে প্রচারে বেরিয়ে এটাকে ‘দঙ্গল’-এর চেয়েও বড় ছবি বলে অভিহিত করেছেন। আর অভিনেত্রী জাইরাকে বলেছেন এই সময়ের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী। এমনকি ছবিতে তাঁর চেয়ে জাইরাকে বেশি পারিশ্রমিক দিতেও রাজি বলে জানিয়েছেন। আমির বলেন, ‘দঙ্গল আর সিক্রেট সুপারস্টার—দুটিই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে। তবে এটাকে আমি আরো এগিয়ে রাখি। কারণ ছোট একটা শহরের মাত্র ১৪ বছরের একটা মেয়ে যে কী করতে পারে সেটাই দেখানো হয়েছে এ ছবিতে।’

‘সিক্রেট সুপারস্টার’-এ আমিরের লুক নিয়ে শুরু থেকেই অনেক আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে অভিনেতা কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখালেও স্ত্রী কিরণ রাওয়ের বেশ পছন্দ হয়েছে লুকটা। এক সাক্ষাত্কারে এই লুক সব সময় ধরে রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন আমিরের সহধর্মিণী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা