kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

কেলির ঘুম ভাঙল

আমেরিকান গায়িকা কেলি ক্লার্কসন। দুই বছরের শীতনিদ্রার পর ২৭ অক্টোবর আসছে আট নম্বর অ্যালবাম ‘মিনিং অব লাইফ’। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন নূসরাত জাহান নিশা

১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কেলির ঘুম ভাঙল

বড় বড় নামের ভিড়ে কেলির কথা মনে আছে তো? ১৫ বছর আগে যখন আমেরিকান আইডল শুরু হয়, সেটার বিজয়মুকুট পরেছিলেন তিনি। এরপর রেকর্ড কম্পানির সঙ্গে চুক্তি এবং বের হয় ‘বিফোর ইউ লাভ’ শিরোনামের একটি একক গান। একলাফে বিলবোর্ড টপ ১০০-র চূড়ায় তো উঠলই, আমেরিকাজুড়ে ওই বছরের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গানও হয়ে গেল। একি! পরের বছর বের হওয়া ‘থ্যাংকফুল’ অ্যালবামটিও যে বিলবোর্ড ২০০-র সবার ওপরে! পরের বছরের ‘ব্রেকওয়ে’ বিক্রি হলো এক কোটি ২০ লাখ কপি। পাইয়ে দিল দুটি গ্র্যামি। কিন্তু এর পরই বিরতিটা বাড়তে থাকে। দুই বছর পর পর একটি করে অ্যালবাম। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আসছে ‘মিনিং অব লাইফ’। ৩৫ গ্রীষ্ম-বসন্ত পেরোনোর পর গানে গানে জীবনের মানে খোঁজার চেষ্টা করাটা দোষের নয় বটে। টুইটারেও বলেছেন, ‘এই অ্যালবামটাই আমি এত দিন বানাতে চেয়েছিলাম।’

দুই বছর বিরতির পর ফিরে আসাটাকে ঠিক ‘ফিরে আসা’ও মানতে নারাজ কেলি। আমেরিকান টক শো হোস্ট ও লেখক-প্রযোজক অ্যান্ডি কোহেনের এক টুইটের জবাবে বলেছেন, ‘এটাকে ফিরে আসা বলবেন না, জনাব। আমি এখানে বছরের পর বছর ধরে আছি।’

এর ফাঁকে জানা গেল তাঁর এক কাছের বন্ধুর খবরও। কয়েক দিন আগে কোনো এক অনুষ্ঠানে গিয়ে মঞ্চের পেছনে এসেছিলেন কেলি। এসেই পেয়ে গেলেন বন্ধু প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে। টুইট করা ছবিতে দেখা গেল, কেলির মেকআপ ঠিকঠাক করে দিচ্ছেন হলিউডে সদ্য নাম কুড়ানো ওই বলিউড অভিনেত্রী। কেলির টুইটের জবাবে প্রিয়াঙ্কাও লিখেছিলেন, ‘কেলি, তুমি চমত্কার! তুমি আমাকে হাসাও, কাঁদাও আর মঞ্চের সবাইকে অনুপ্রেরণাও দিয়ে যাচ্ছ।’

এবার সম্ভবত এক অ্যালবামে সব অনুভূতিই ঢেলে দিতে যাচ্ছেন কেলি। ‘মিনিং অব লাইফ’-এ ভক্তরা পেতে যাচ্ছে তরতাজা ১৪টি গান। তিন-চারটি গান লিখতে গিয়ে কিছু লাইন যোগ করেছেন গীতিকার কেলি। আর আমেরিকান আইডলের ১২তম আসরের শেষ দিন সবাইকে গেয়ে শুনিয়েছিলেন এই অ্যালবামের ‘লাভ সো সফট’ গানটি। একই দিনে রিলিজ পেয়েছিল ‘মুভ ইউ’ গানটিও। ‘লাভ সো সফট’ নিয়ে কেলির মন্তব্য, ‘এটি ক্লাসিক আরএনবি ঘরানার হলেও কানে একটু নতুনই শোনাবে।’ আবার ‘হোল লটা উইমেন’ গানটিতে দিয়েছেন আমেরিকার দক্ষিণের ধাঁচ। শুনলে মনে হবে, যেন গানটা গাইছেন কোনো এক পুরনো সময়ের টেক্সান নারী।

মন্তব্য