kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

অনেক গুণের শাহরীন

শাহরীন জে. হক-এর প্রথম একক অ্যালবাম 'শাহরীনস এক্সপ   

১৯ মার্চ, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অনেক গুণের শাহরীন

আজ শাহরীনের জন্মদিন। আর আজই ক্রিকেট বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের খেলা দেখেই জন্মদিনটা উদ্‌যাপন করবেন তিনি। টাইগাররা জিতে গেলে সেটাই হবে তাঁর জন্মদিনের সবচেয়ে বড় গিফট! শাহরীনের বিশ্বাস, তিনি পুরো খেলাটা দেখতে পারলে আজ বাংলাদেশই জিতবে। এই বিশ্বাসের কারণটাও ব্যাখ্যা করলেন, 'আমি যেদিন বাংলাদেশের খেলা পুরোটা দেখি সেদিন বাংলাদেশ জেতে। যেদিন মিস হয় সেদিন হেরে যায়। আবার একটু মিস করলে একটুর জন্য হেরে যায়। ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালে শেষ মুহূর্তটা মিস করেছি। সেই খেলায় বাংলাদেশ ২ রানে হেরে গেছে। খেলা শেষে খুব কেঁদেছি।' স্বদেশি ক্রিকেটের ঘোর সমর্থক শাহরীনের প্রথম একক অ্যালবাম 'শাহরীনস এক্সপেরিমেন্টাল ক্রিয়েশনস পার্ট-১'। গত ভালোবাসা দিবসে তাঁরই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এস ক্রিয়েশন থেকে অ্যালবামটি বাজারে আসে। গানগুলোর শিরোনাম 'বাবা', 'কোলাহল', 'সন্ধ্যা হাওয়া', 'চুপিচুপি', 'তোমার জন্য', 'বন্ধুরা', 'সমুদ্রসৈকত', 'স্বপ্নে আমার' ও 'বঙ্গোপসাগর'। এর মধ্যে 'সমুদ্রসৈকত' ও 'স্বপ্নে আমার' গান দুটিতে শাহরীনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন এমদাদ। বেশির ভাগ গানের কথা ও সুর শাহরীনেরই। সংগীতায়োজনে মীর হাসান স্বপন। অ্যালবাম প্রসঙ্গে শাহরীন বলেন, 'প্রেম, বিরহ, বন্ধুতা, দেশাত্মবোধ, আমার বাবা ও নিজের একান্ত কিছু অনুভূতির কথা তুলে ধরেছি গানগুলোতে। সুর, সংগীতায়োজন সাজানো হয়েছে গানের কথার সঙ্গে সংগতি রেখে।'

গানে এলেন কিভাবে? "ছোটবেলা থেকেই শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি ঝোঁক। একসময় রহস্য পত্রিকা ও ভোরের কাগজে নিয়মিত লিখতাম। কবিতা ও গল্প লেখার অভ্যাস আমার। আবৃত্তি ও উপস্থাপনাও করেছি। চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা আমার করা। চট্টগ্রাম বেতারে 'আলোকপাত' নামে একটি অনুষ্ঠান করতাম। বর্তমানে জীবন নিয়ে অনেক ব্যস্ত হলেও সেসব দিন ও অনুভূতিগুলো গেঁথে আছে মনে। সেই ভালোবাসা ও অনুভূতির তাড়না থেকেই গানগুলো লেখা ও সুর করা। মাত্র ১৬ দিনে কথা, সুরের কাজটি করেছি। আর গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ শখের বশেই।" বলছিলেন শাহরীন।

অ্যালবামের নামকরণ প্রসঙ্গে বলেন, 'প্রচ্ছদে যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, এটি তুলেছে আমার একমাত্র ছেলে নাবিন তুরাজ। ছবিটি অনেক আগের হলেও একেবারে ন্যাচারাল। অর্থাৎ গান থেকে প্রচ্ছদ পর্যন্ত অ্যালবামের সব কিছুতেই হয়েছে এঙ্পেরিমেন্ট। তাই এমন নামকরণ!'

নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'এস ক্রিয়েশন' প্রসঙ্গে তাঁর ভাষ্য, 'অ্যালবাম প্রকাশ করতে গিয়ে বেশ কিছু বিষয় উপলব্ধি করেছি। মনে হলো, আমাদের দেশের শিল্পীরা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যথাযথ অধিকার বুঝে পান না। এর চেয়ে নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থাকা বেটার। সঠিক অধিকার বুঝিয়ে দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য শিল্পীদের অ্যালবামও প্রকাশ করতে চাই।'

শাহরীনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে। জন্ম ও বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে মাস্টার্স করেছেন। পেশায় তিনি ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। 'এএসডিডাব্লিউএলএলসি ইন্টেরিয়র ফার্ম টোটাল সলিউশন' নামে দুবাইয়ে তাঁর একটি কম্পানি আছে। বছরের অর্ধেকটা সময় সেখানেই থাকেন। বাংলাদেশে তিনটি কম্পানিতেও কলসালট্যান্সি করেন।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা