kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

Reporterer Diary

বাংলাদেশে বিট সাংবাদিকতায় সংকট ও তিক্ত অভিজ্ঞতা!

এনাম আবেদীন   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৩:৫৪ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



বাংলাদেশে বিট সাংবাদিকতায় সংকট ও তিক্ত অভিজ্ঞতা!

১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাস। সাংবাদিকতায় ইতোমধ্যে আমার ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। বেক্সিমকো মিডিয়ার সংবাদ সাপ্তাহিকী ‘অন্বেষা’ ছেড়ে সদ্য আজকের কাগজে যোগ দিয়েছি। পদ সিনিয়র রিপোর্টার। প্রথম ঝামেলাটা তৈরী হলো এই ‘সিনিয়র’ পদ নিয়েই।

কারণ আজকের কাগজে আমার আগে যোগ দেওয়া রিপোর্টাররা এই ঘটনা সহজভাবে নিতে পারলেন না। বেতন বেশি ছিল বলে! আড়ালে তারা নানা কথা বলতে লাগলেন। চিফ রিপোর্টার মেজবাহ ভাই (মেজবাহ আহমেদ) থেকে শুরু করে এই ঘটনা সম্পাদক ও মালিক কাজী  শাহেদ আহমেদের কানে পর্যন্ত চলে গেল!

রিপোটিংয়ে আমার সুনামের কথা শুনে আজকের কাগজে আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন তত্কালীন নিউজ এডিটর রশিদ উন নবী বাবু ভাই। আমার কারণে তিনিও কিছুটা চাপের মুখে পড়লেন।

আমার ধারণা, ওই সময়টাতে বাবু ভাই ও মেজবাহ ভাইর মধ্যে কিছুটা স্নায়ুযুদ্ধ চলছিল। সম্ভবত, আমি তার শিকার হলাম। টুকটাক রিপোর্টিংয়ের মধ্যেই মেজবাহ ভাই আমাকে হঠাত্ করেই একদিন বিএনপি বিটের দায়িত্ব দিলেন। এই হলো বিট সাংবাদিকতার শুরু। এই বিট করতে গিয়েই আমার অনেক বিটার বা তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা আজ লেখার উপাদন বলে বেছে নিয়েছি।

বিএনপি বিটকে তখনও ‘পানিশমেন্ট’ বিট বলা হতো। কারণ তত্কালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২৯ মিন্টু রোডে তখন গভীর রাত পর্যন্ত অফিস করতেন। আমাদেরও তখন গভীর রাত পর্যন্ত মিন্টু রোড, বিএনপি অফিস ও কর্মস্থলে দৌড়াঝাপ করে এ্যাসাইনমেন্ট কভার করতে হতো। পরে শুনেছি; আমি যাতে চাকরী ছেড়ে ভেগে যাই তার জন্যই নাকি আমাকে ওই পানিশমেন্ট বিট দেওয়া হয়েছিল।

তবে দমে যাওয়ার পাত্র আমি ছিলাম না। বিএনপি বিটকেই আমি  চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিলাম। একের পর এক এক্সক্লুসিভ ও আলোচিত রিপোর্টের কারণে কিছুদিনের মধ্যেই কাগজে আমার অবস্থান তৈরী হয়ে গেল। মালিক পক্ষ আমাকে পছন্দ করতে লাগলেন। এমনকি যে মেজবাহ আমাকে পানিশমেন্ট বিট দিয়েছেন বলে শুনেছি; তারও আমি অনেক প্রিয়পাত্র হয়ে গেলাম। অবস্থা এক বছরের মাথায় এমন হলো; যে বাবু ভাই আমাকে চাকরী দিলেন, তিনিসহ তার নিয়োগকৃত অন্য প্রায় সবার চাকরি চলে গেল। কিন্তু আমি দাপটের সঙ্গে টিকে গেলাম। ইতোমধ্যে ১৯৯৯ সালে চারদলীয় জোট গঠিত হলো। আমি এবং সুমন মাহমুদ (ওই সময় প্রথম আলোতে ছিলেন) ওই সময় একের পর এক ব্রেকিং রিপোর্ট করে সকলের নজর কেড়েছিলাম। রাজনৈতিক বিটে আমার স্থায়ী জায়গা তৈরী হলো। স্বীকার করতেই হয় মেজবাহ ভাই আমার সেদিন উপকারই করেছিলেন।  

তবে আমি এখনো স্মরণ করতে পারি যে, নিছক পেশাগত দায়িত্ব পালনের শর্ত হিসেবে আমাকে বিএনপি বিট দেওয়া হয়েছিল। এর সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দ অপছন্দ বা অন্য কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। আমি কখনো কোনোদিন কোনো ছাত্র রাজনীতি কিংবা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। তবে সাংবাদিকতা শুরুর সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই বামপন্থী সব ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আড্ডা দিতে পছন্দ করতাম। নব্বইয়ে অনেক ছাত্র নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়েছিল। বাংলা বিভাগের প্রয়াত শিক্ষক ড. আহমদ শরীফ ও হুমায়ুন আজাদ স্যারসহ বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্কালীন অনেক শিক্ষকের সঙ্গেও চমত্কার সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল আমার। সে আরেক ইতিহাস।
কথা হচ্ছে বিট রিপোর্টিং নিয়ে। বার বার আঘাত করা কিংবা মারা, ইংরেজী BEAT শব্দের এ ধরনের নানা অর্থ আছে। শব্দের অর্থ নির্ধারিত হয় বাক্যে প্রয়োগের মাত্রা দিয়ে। এক্ষেত্রে সাংবাদিকতায় ‘নির্দিষ্ট ও নিয়মিত পথ’ সম্ভবত এই অর্থে বিট শব্দটি ব্যবহূত হয়েছে। আর উইকইপিডিয়া অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু, সেক্টর সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের বিশেষায়িত সাংবাদিকতাকে বিট রিপোর্টিং বলা হয়। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই।

কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো; সাংবাদিকতার ৩০ বছর পার করে এখন এই বিট সাংবাদিকতা নিয়ে সাংবাদিক সমাজ তো বটেই, এমনকি রাজনীতিকদের মধ্যেই বিভক্তি তৈরী হয়েছে যা আমি নিজের চোখে দেখছি। অভিজ্ঞতা থেকে মনে হচ্ছে, শুধু আমি নই, অনেককেই হয়তো মাঝে মধ্যে এই বিটের কারণে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। কারণ অবস্থাটা এমন তৈরী হয়েছে যে, যিনি বিএনপি বিট করছেন তিনি যেন বিএনপির লোক কিংবা বিএনপির সমর্থক। অন্যদিকে যিনি আওয়ামী লীগ বিট করেন তিনি বিবেচিত হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে। বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজে আজকে যে বিভক্তি এটি তার বহিঃপ্রকাশ বলে আমি মনে করি।

বিরোধী বিটের সাংবাদিকদের যারা আড়চোখে দেখেন তাদের উদ্দেশ্যে আমার প্রশ্ন; বাস্তবে সংশ্লিষ্ট বিটের সাংবাদিক বা রিপোর্টাররা কী আওয়ামী লীগ বা বিএনপির রাজনীতি সমর্থন করে বিটের দায়িত্ব পেয়েছেন? নাকি তারা ওই বিট চেয়ে নিয়েছেন?

বাস্তবতা হচ্ছে, পত্রিকার বার্তা বিভাগ বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছায় এবং পেশাগত প্রক্রিয়া বা অবস্থার মধ্য দিয়ে রিপোর্টাররা ওই জায়গায় গিয়েছেন। হতে পারে তাদের মধ্যে দু’একজনের রাজনৈতিক চিন্তার সঙ্গে হয়তো পরে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিট মিলে যেতে পারে। কিন্তু সাংবাদিকতার শুরুর দিকেই পত্রিকার রিপোটিং বা বার্তা বিভাগ রিপোর্টারকে নিজের পছন্দমতো বিটের দায়িত্ব দেন না। আমার মনে হয়,  এ বিষয়টি সাংবাদিক ফোরামের নেতা কিংবা রাজনীতিবিদদের ভেবে দেখা উচিত্। যদি না ভেবে থাকেন তাহলে তারা নিজেরাই কী ওই বিভক্তি তৈরী করছেন না?

অভিযোগ এই কারণে করছি যে, বিএনপি বিট আমাকে দেওয়া হয়েছে; আমি চেয়ে নেইনি। আমি বিএনপি করিও না। রাজনীতি করা সাংবাদিকের দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে না বলে আমি এখনো মনে করি। আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, যদি কোনো সাংবাদিকের রাজনীতি করতে হয় তাহলে তার সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়ে করা উচিত। অথচ আওয়ামী লীগ ফোরামের অনেক সাংবাদিক নেতা; যারা কি না বাইরে দেখা হলে প্রচণ্ড আন্তরিকতা নিয়ে কথা বলেন! অথচ প্রেসক্লাবে দেখা হলে না চেনার ভান করেন। দু’একজন আছেন সালাম নিতেও ভয় পান। কারণ হলো; সেখানে ফোরামের অন্য নেতারাও উপস্থিত থাকেন। তারা যাতে না বোঝেন যে, বিএনপি সমর্থক সাংবাদিকের সঙ্গে তার সখ্যতা আছে।

আওয়ামী লীগ ফোরামে অবশ্য উল্টো চিত্রও আছে। যেমন, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, ফোরাম  নেতা আবদুল জলিল ভূঁইয়াসহ আরও অনেকে। বিএনপি বিটের সাংবাদিক বলে তাদের মধ্যে কখনো আড়চোখে তাকানোর ঘটনা দেখিনি। সমান আন্তরিকতা নিয়ে তারা সব সময় কথা বলেন। আবার একই ফোরামের অপেক্ষাকৃত জুনিয়র দু’এক নেতা ও সমর্থককে এও দেখেছি যে, ‘বিএনপির লোক’ বলে আখ্যা দিয়ে তারা আড়ালে সমালোচনা করেন। অকারণে!

যদিও প্রেসক্লাবের ভোটের সময় ওই সাংবাদিকরাই আবার কয়েকদিনের জন্য বেশ ‘ঘনিষ্ঠতা’র ভাব দেখান। আমার ধারণা, আওয়ামী লীগ বিটের সাংবাদিকদের বিষয়ে বিএনপির ফোরাম নেতাদের দু’একজন একই মনোভাব থাকতে পারে। অবশ্য ব্যতিক্রম সেখানেও নিশ্চয়ই আছে।
 
একথাও অনস্বিকার্য যে, দীর্ঘ ২২ বছর বিট করতে গিয়ে বিএনপি, ২০ দল কিংবা নতুন গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের অনেকের সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা তৈরী হয়েছে। অনেক ইস্যুতে তাদের চিন্তার সঙ্গেও আমার মিলে যেতে পারে। সমাজে ন্যায়-অন্যায় বোধ, সংস্কৃতি, চিন্তা কিংবা রুচির মিল থাকার কারণেও দু’একজনের সঙ্গে পেশা ও রাজনীতির সীমা পার হয়ে সম্পর্ক অনেক গভীরে চলে গেছে বলে মনে করি। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, আমি বিএনপি করি। কিংবা আওয়ামী লীগ করি। বিএনপি কখনো করতে হলে সাংবাদিকতা ছেড়েই করবো।

সত্যি কথা বলতে কী! আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সাংবাদিকদের এই বিভক্তির কারণেই প্রয়োজন সত্ত্বেও গত একযুগ ধরে সচিবালয়ে ঢুকিনি। কারণ আমি জানি, কোনো কাজে আমাকে কেউ মন্ত্রী বা কোনো সচিবের দফতরে দেখলে ভিন্ন মতের কোনো সাংবাদিক গিয়ে বলতে পারেন ‘ওতো বিএনপি সমর্থক!’ অমন পরিস্থিতিতে কাজটি সফল হওয়ার বদলে জটিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন অভিজ্ঞতা আমার দুই সরকারের আমলেই হয়েছে। একবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর বাসায় একটি কাজে গেলে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ সমর্থক এক সাংবাদিক তাকে বলে দিলেন, আমি ‘হাওয়া ভবনের লোক।’ কাজ তো হলোই না। উল্টো সেদিন থেকে মোদাচ্ছের ভাইর সঙ্গে দেখা বন্ধ। কিন্তু আমার রিপোর্টি সাক্ষ্য দেয়, আমি কোনো ভবনের লোক ছিলাম না। কার পক্ষে বিপক্ষে যায়- এ ধরনের চিন্তা করে কখনো লিখিনি। ফলে কোনো রিপোর্ট বিএনপির পক্ষে আবার কোনোটি একেবারেই বিপক্ষে গেছে। যখন বিএনপির বিপক্ষে গেছে তখন শুনতে হয়েছে ‘এনাম আওয়ামী লীগ পরিবারের লোক। নিয়মিত মিছিল মিটিংয়ে যাই না বলে বিএনপিপন্থী সাংবাদিকদের কেউ কেউ আড়ালে আমার সমালোচনাও করেন বলে জেনেছি।  

বিগত বিএনপি সরকারের সময়েও বিব্রতকর অবস্থায় পড়ার ঘটনা আছে। আমার একজন সাংবাদিক আত্মীয়, যার নাম আওয়ামী ফোরামে থাকলেও কখনোই এ্যক্টিভিস্ট ছিলেন না। তার একটি কাজ আমার অনুরোধে করে দিয়েছিলেন বিএনপি সরকারের তত্কালীন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস ভাই। আব্বাস ভাইর সঙ্গে আমার একসময় সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু আমার নাম যে ফোরামে অন্তর্ভুক্ত, সেই বিএনপি ফোরামের এক সাংবাদিক (নেতা পর্যায়ের নন) আব্বাস ভাই’র কাছে গিয়ে ‘ভাঙ্গানি’ দিয়ে বললেন, আমার আত্মীয় ওই সাংবাদিক আওয়ামী লীগ করেন। ফলে আব্বাস ভাই ওই কাজটি সম্পন্ন করেও আবার তা বাতিল করে দিলেন। সাংবাদিকদের মধ্যে বিভক্তির প্রতিনিধিত্ব করলেন কিন্তু ওই দুই সাংবাদিকই। আব্বাস ভাইও জানতেন না, সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী ভাইও জানতেন না কে আওয়ামী লীগ কে বিএনপি করেন!

আমি মনে করি, রাজনীতিকরা কিন্তু সাংবাদিকদের ‘পারসন টু পারসন’ খবর রাখেন না যে, কে আওয়ামী লীগ বা কে বিএনপি সমথক। পেশাগত কারণে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কাদেরসহ দলটির অনেক নেতার সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। কিন্তু আলাপচারিতায় তারা কোনেদিন জানতে চাননি আমি কোন দলের সমর্থক। আসলে বিভক্ত সাংবাদিকরাই এ খবরটা নেতাদের কাছে পৌছেঁ দেন। সাংবাদিকদের এই ভূমিকায় স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে পেশার জন্য জন্য এটি অবশ্যই  আত্মঘাতি বলে আমি মনে করি।  

বিএনপি বিট করতে গিয়ে সর্বশেষ তিক্ত আরেকটি অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা শেষ করবো। আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন একজন আত্মীয় ঢাকার পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত আইজিপি প্রশাসন এবং সর্বশেষ আইজিপি ছিলেন। সাংবাদিকরা তো বটেই, বাংলাদেশে সবাই তাকে চেনেন। আমাকে তিনি অনেক স্নেহ করেন বলে জানি। কিন্তু বিএনপি বিট করার কারণে আমি নিজে এবং তাকেও কোনো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চাইনি। এজন্য কোনদিন তার অফিসে যাওয়া হয়নি।
কিন্তু এরপরও সেখানে তদবিরে করতে যাওয়া আমার ছোট ভাইতুল্য দু’একজন সাংবাদিক আমার আত্মীয়কে ‘সুয়োমটো’ হয়ে একাধিকার বলেছেন,  এনাম ভাই তো বিএনপি করে!

শুনেছি এরকম কয়েকবার তার সামনে বলার পর একদিন রাগ করে আইজিপি সাহেব বলতে বাধ্য হয়েছেন ‘ও তো বিএনপি করে না বিএনপি বিট করে!’

এ হচ্ছে বিট সাংবাদিকতার ট্রাজেডি!

লেখক: উপ সম্পাদক, কালের কণ্ঠ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা