kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

Reporterer Diary

অস্ত্রধারীরা ট্রেন থেকে নামিয়ে বলল 'সাংবাদিক সাব, চোখটা বাঁধতে হবে'

লায়েকুজ্জামান   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:১০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



অস্ত্রধারীরা ট্রেন থেকে নামিয়ে বলল 'সাংবাদিক সাব, চোখটা বাঁধতে হবে'

২০০১ সাল। ২৭ ডিসেম্বর। কুষ্টিয়া যাচ্ছি, রাজবাড়ী থেকে দুপুরের ট্রেনে। ট্রেন ছাড়ে দুপুর ১টায়। ট্রেন ছাড়ার ঘণ্টাখানেক আগে গিয়ে বসি স্টেশনের পাশে বাবু মলি­কের পত্রিকা অফিসে। নানা বিষয়ে গল্প হচ্ছে। কুষ্টিয়া যাচ্ছি চরমপন্থীদের নিউজ করতে- সে প্রসঙ্গও ওঠলো।

ট্রেনের হুইসেল শুনে উঠে পড়লাম। প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছি, চেনা চেনা মুখ একটা, মানুষটার বাড়ি রাজবাড়ী- বেশ জোরে শব্দ করে 'লায়েক ভাই কোথায় যাচ্ছেন' বলে আমার সঙ্গে হাত মেলালেন। আরো কয়েকবার 'লায়েক ভাই' বলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, 'আমাদের লায়েক ভাই, অনেক সাহসী সাংবাদিক'। এর মধ্যে ট্রেন ছাড়ার সময় হলো। ট্রেনের বগিগুলো বেশ ফাঁকা ফাঁকা। লোকজন কম। একটা সিটে গিয়ে বসলাম। কয়েক মিনিটের মধ্যে আমার দু'পাশের আসনগুলো ভরে গেল। যুব বয়সের দশ পনের জন, বেশির ভাগের গায়ে চাদর। কারো কারো গায়ে ব্লেজার বা সোয়েটার। চুপ-চাপ বসে আছি। আশপাশের সিটে বসা লোকগুলো নিজেদের মধ্যে খোশগল্প করছে। মনে হচ্ছে ওরা এক জায়গার লোক। ওরা কেউ আমার সঙ্গে কোনো কথা বলছে না। পাংশা স্টেশন পার হয়ে একটা সিগারেট জ্বালাতে যাবো, পকেট হাতিয়ে দেখি লাইটারটা নেই। সম্ভবত বাবু মল্লিকের ওখানে ফেলে এসেছি। আমার পাশে বসা যুবকটি সিগাটে টানছে, তার কাছে আগুন চাইতে দ্রুত পকেট থেকে ম্যাচ বের করে দিলো। সিগারেট জ্বালিয়ে ধন্যবাদ বলে ম্যাচটা ফেরত দিলে যুবকটি 'ওয়েলকাম' বলে হাত বাড়িয়ে ম্যাচটা নিলো। একটু অবাক হলাম- প্যান্ট শার্টের ওপর ময়লা চাদর, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, চুল এলোমেলো। যুবকটিকে দেখে লেখাপড়া জানা মনে হয়নি। তার দিকে আরেকবার তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিলাম।

সন্ধ্যা নামতে এখনো ঢের বাকী, তবুও শীতের আমেজ, সূর্যের তাপ কমে আসছে, ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে ভেতরে। কুষ্টিয়াতে সাংবাদিক মুনসী তরিকুলকে ফোন করে জানালাম, সন্ধ্যার আগেই পৌঁছে যাবো। তরিকুল অবশ্য কুষ্টিয়াতে নেই। সে এবং মানবজমিনের জাহিদ বাইরে আছে। জানালো- তাদের শহরে ফিরতে রাত হবে। বললাম, ঠিক আছে মিঠু চৌধুরীর ওখানে গিয়ে বসবো। মিঠু চৌধুরী মানে মঞ্জুর এহসান চৌধুরী। কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক আন্দোলনের বাজার পত্রিকার সম্পাদক। ব্যক্তি মিঠু আমার বন্ধু।

খোকসা স্টেশনে এসে পড়লাম। ট্রেনের গতি থেমে গেছে। এখন প্লাটফর্ম স্পর্শ করবে ট্রেন। আমার আশপাশের আসনে বসা লোকগুলো দাঁড়িয়ে গেল। একজন বললো, সাংবাদিক সাব আমাদের সঙ্গে আপনাকে যেতে হবে,  বললাম 'কেন? আপনাদের সঙ্গে যাব কেন? আপনাদের পরিচয়'? ওদের ভেতর থেকে আওয়াজ আসলো, দয়া করে কোনো প্রশ্ন করবেন না, আমরা কোনো প্রশ্নে জবাব দিতে পাবে না। আমরা আপনাকে আমাদের নেতার কাছে নিয়ে যাবো, এটা আমাদের দায়িত্ব। ট্রেন থেকে নেমে সোজা আমাদের মোটর সাইকেলে উঠে পড়বেন। সিনক্রিয়েট করার চেষ্টা করলে গুলি করবো এখানেই। কথা শেষ হতেই সবাই একযাগে চাদর এবং কোট সরিয়ে শরীরের সঙ্গে রাখা অস্ত্রগুলো দেখালো। সবকটা পিস্তল, একজনের কাছে মনে হলো স্টেনগান।

মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিলাম, যাবো ওদের সঙ্গে। নেতার সঙ্গে কথা বলে হয়তো পার পাওয়া যেতে পারে। ওরা মাঠকর্মী এখানে জোড়াজুড়ি করে কোনো লাভ হবে না, ওরা হয়তো সত্যি সত্যি গুলি করে দেবে। শুধু বললাম, অপরাধটা জানতে পারি। ওই যুবকটি জবাব দিলো- সবকিছু নেতা জানেন। আর কোনো কথা বলিনি। চলুন বলে ট্রেন থেকে নেমে পড়লাম। নামতে নামতে মনে হচ্ছিলো যেন স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে যাচ্ছি।

রুমার চেহারাটা কেবল মনে পড়ছিলো, আর কিছু মনে করতে পারিনি। ভয়ে শরীরটা শীতল হয়ে আসছে, কিন্তু ওদের বুঝতে দেইনি। স্টেশনের পাশে চারটি মোটর সাইকেল দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে একটিতে উঠতে বলা হলো, উঠে পড়লাম। আমার পেছনে বসলো ওই খোচা খোচা দাড়ির যুবকটি। দ্রুত ছুটে চললো মোটরসাইকেল। আধা ঘণ্টা কি চল্লিশ মিনিট হবে, সাইকেল চললো, তবে সোজা রাস্তায় নয় গ্রামের আকাবাকা পথে। এর মধ্যে সন্ধ্যা নেমে এসছে। পেছনে বসা যুবকটি খুব ভদ্র ভাষায় বললো সাংবাদিক সাব কিছু মনে করবেন না, আপনার চোখটা বাঁধতে হবে। আচ্ছা ঠিক আছে বলতেই সাইকেল থামিয়ে কোমর থেকে গামছা বের করে চোখ বেঁধে ফেললো। আমি সাইকেলের ওপরেই বসা। আবার স্টার্ট দিলো সাইকেল। মনে হয় কুড়ি মিনিটের বেশি নয়, সাইকেল এসে থামলো একটা ঘরের সামনে। ঘরের ভেতর নিয়ে চোখটা খুলে দিলো, ঘুট ঘুটে অন্ধকার। একটা কাঠের চেয়ার দিলো বসতে, মনে হচ্ছিলো ঘরটাতে মাটির দেয়াল। একটা সিগারেট ধরাতে ম্যাচ চাইলাম, ওরা ম্যাচ দিলো না, সিগারেটটা বাইরে থেকে ধরিয়ে এনে দিলো। সিগারেটটা শেষ করে এটার আগুন দিয়ে আরেকটা ধরালাম। প্রায় আধ ঘণ্টা চলে গেল, কোনো সাড়া শব্দ নেই, মাঝে ঘরের ভেতরে শুধু একটা আওয়াজ পেলাম, সাংবাদিক সাব, কিছু লাগবে। না উচ্চারণ করে বললাম, ভাই নেতা আসছেন? একজন জবাব দিলো অপেক্ষা করুন, তিনিই আপনার সঙ্গে কথা বলবেন।

একেবারে নীরব এলাকা, জনমানবের সাড়া শব্দ নেই, কোনো যান-বাহন চলারও শব্দ পাওয়া যাচ্ছে না, আমাকে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করিয়ে ওরা নিয়ে নিল।

অন্ধকার ঘর, নিজের শরীর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না, ঘরে আনার সময়ই ওরা চোখ খুলে দিয়েছে। চরম অসস্থি ভেতরে, মৃত্যুভয় জেকে বসেছে, চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালাম, ঘরের ভেতরে দু'এক পা বাড়াতেই আওয়াজ পেলাম, সাংবাদিক সাব চেয়ারেই বসুন, আমরা আপনার পাশ দিয়েই আছি। এবার আরো ভয় পেয়ে গেলাম। 

সকালে রাজবাড়ি গিয়েছি রুমা আর ঐশীকে নিয়ে। ওদেরকে রাজবাড়ী রেখে কুষ্টিয়া রওনা করেছি, যাবার সময় ঐশী বলছিলো বাবা, কখন আসবে? বারবার ঐশীর কখন আসবে ? শব্দটা কানে বাজছিলো, আর ভাবছিলাম, আর কি ফেরা হবে না? না আবার মনে বল ফিরে পাই, ও কথা ভাবতেই চাই না, মনে জোর ফিরে পাই, কোনো অন্যায় করিনি, অপরাধ করিনি। খটকা লাগে এখন পর্যন্ত জানতে পারলাম না, কারা কি কারণে এভাবে ধরে আনলো। কাউকে জিজ্ঞেস করেও লাভ নেই, কেউ জবাব দেয় না, সবাই বলে লিডার বলবেন। লিডার আর আসে না, সময় যায় আমি ঘামতে থাকি। শীতের রাতেও ঘেমে শরীর ভিজে যাচ্ছে। মেঝেতে ফেলানো সিগারেটের আগুন নেভার আগেই সে আগুনে আবার সিগারেট ধরাই।

হঠাৎ দরজা খোলার শব্দে চমকে উঠি, অন্ধকারের ভেতর থেকে ভেসে আসে আওয়াজ, সাংবাদিক সাব কেমন আছেন? চেহারা দেখা যায় না। ভালো বলে নিচু কণ্ঠে জবাব দেই। সাহস করে জানতে চাই, আপনাদের লিডার কখন আসবেন। বেশ চিকন কণ্ঠে জবাব আসে, আমিই কথা বলবো। নিজের পরিচয় দিতে শুরু করি, কিছু কথা বলতে থামিয়ে দেন। বলেন, ভাইজান, আপনার পরিচয় জানি। তার পরিচয় জানতে চাই। বলেন, জানবেন নিশ্চয়। তার আগে আমার কয়েকটা কথার জবাব দেবেন? কথায় কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষার টান, উত্তর দেই অবশ্যই জবাব দেবো, বলুন আপনার কি জানার আছে। 

প্রশ্ন করেন, আপনি তো আওয়ামী লীগ করেন তাই না? বললাম হ্যা, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। সদর খানকে চিনেন। বললাম ব্যক্তিগত পরিচয় নেই, নাম জানি। সে তো একটা লুটেরা, সন্ত্রাসী, অত্যাচারী, জবাব দিলাম, হতে পারে। এবার অন্য প্রসঙ্গ, আপনি কি একদিলকে চিনেন, বললাম, ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তবে তার কর্মকাণ্ডের খোঁজ-খবর রাখার চেষ্টা করি পেশাগত কারণে। আচ্ছা আপনি, মানবজমিনে লিখেছেন, একদিল গড়াই নদীর চরে ২ হাজার ৪শ বিঘা জমি দখল করে নিয়েছে, এটা তো আপনি ভূমি দস্যুদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে লিখেছেন। জবাব দিলাম আপনি, ঠিক বলছেন না, আপনি কি নিউজটা নিজে পড়েছেন? না কেউ আপনাকে বলেছে? কেউ বলে থাকলে সঠিক বলেনি। আমি লিখেছি, একদিল গড়াই'র চরের ২ হাজার ৪শ বিঘা জমি দখলে নিয়ে সে জমি, ভুমিহীনদের মাঝে বিতরণ করে দিয়েছেন। ভুমিহীনদের কাছ থেকে বার্ষিক একটা টাকা নেন পার্টি চালানোর কথা বলে এবং লিখেছি আগে ওই জমি স্থানীয় জোতদারদের দখলে ছিলো। এবার তিনি মোবাইল ফোন বের করে কল করলেন। বললেন, চরের জমির কথাগুলো যেখানে আছে আবার পড়ে শোনা তো। দশ মিনিট প্রায়, কানে মোবাইল লাগিয়ে শুনলেন তিনি। আচ্ছা বলে ফোন রাখলেন, বললাম একটা সিগারেট হবে, নিশ্চয় বলে, হাক দিলেন, এই সাংবাদিক সাবকে একটা সিগারেট ধরিয়ে দে। দরজা খোলা বাইরে থেকে একজন আগুন জ্বালানো একটা সিগারেট নিয়ে আসলো। 

এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ, বললেন, আমি রাজনীতি করি, আপনি আমাকে নিয়ে লিখুন, কিন্তু আমার বাবা সম্পর্কে ব্যঙ্গ করেছেন সেটা তো ঠিক করেননি। বললাম এটা ঠিকই বলেছেন তবে আমি আপনার আসল পরিচয়টা তুলে ধরতে চেয়েছি। একটু কড়া ভাষায় বললেন, যা-ই বলুন এটা ঠিক করেননি। এটা ঠিক হয়নি। বললেন, দেখুন আমি কমিউনিজমে বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি, সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। সে জন্য আমরা সশস্ত্র ধারা গ্রহণ করেছি। আমার কাছে এটা সঠিক, আপনার কাছে ভুল মনে হতে পারে, কারণ আপনারা সাংবাদিকতার নামে পুজিবাদের দালালি করেন। আপনারা তো এটা লিখবেনই। তবে একটা কথা স্মরণ করিয়ে দেই, আমরা সন্ত্রাসী বা চোর ডাকাত নই, আমাদের চোর ডাকাত বানাবেন না। আপনি বার বার আমাদেরকে চরমপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন, আসলে আমার মনে হয়, সশস্ত্র রাজনীতির ধারা এবং চরমপন্থীর মধ্যে পার্থক্যটা আপনি নিজেই বুঝেন না। তবে আপনার তো বুঝা উচিত ছিলো, আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স করেছেন, নিজে রাজনীতি করেন, আপনার তো পড়াশোনা থাকা উচিত। 

বললাম, একদিল ভাই, আমি তো একদিলের বাবার পরিচয় তুলে ধরেছিলাম। একদিলকে ভাই বলে সম্মোধন করলাম ইচ্ছে করে কারণ এখনো তিনি পরিচয় দেননি। তবে একটা কথা বলেছেন আপনি 'আমার বাবা সম্পর্কে লিখেছেন' এতে মনে হয়েছে তিনি একদিল। নাম বলার পর তিনি বলে উঠলেন, হ্যা! বলুন। এবার নিশ্চিত হলাম তিনিই লিডার। 

বললাম, হয়তো আপনার বক্তব্যই সঠিক, পড়াশোনা তেমন নেই। আরো অনেক কথা, কিন্তু মেলাতে পারছিলাম না, শুনেছি, একদিল কোনো পড়াশোনা জানেন না, নিজে পড়তেও জানেন না কিন্তু রাজনীতির এমন গভীর কথা শুনে মনে হচ্ছিলো না সামনের চেয়ারে বসা ওই লোকটিই একদিল। কিন্তু একদিল ভাই বলে সম্বোধন করলে, তিনি পাল্টা কিছুই বললেন না। তার শেষ কথাগুলো ছিলো, আপনার সম্পর্কে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত ছিলো পার্টির, আমি সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দিয়ে বলেছি, লোকটা সম্পর্কে তার লেখা সম্পর্কে আরেকটু জানতে হবে। গত এক সপ্তাহে আপনার অনেক লেখা আমরা যোগাড় করে পড়েছি। দুটি কারণে আমরা কঠিন সিদ্ধান্ত নেইনি, এক আপনি লেখার ব্যাপারে বিশেষ কোনো দল বা কাউকে ছাড় দেননি, আমাদের সম্পর্কেও রিখেছেন আবার আমাদের শত্রুদের সম্পর্কে লিখেছেন। দুই আপনার দলের লোক হওয়া সত্বেও সদর খানের অপকর্ম সম্পর্কে আপনি লিখেছেন। যা হোক আপনাকে এখানে এনে কষ্ট দেয়ায় আমাদের ভুল বুঝবেন না। আপনাকে এনে বুঝানো হলো আপনি আমাদের নাগালের বাইরে নয়। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা কার্যকর করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কোন বাধাই আমাদের কাছে বাধা নয়। বললেন, উনাকে একটা মোটরসাইকেলে গড়াই পার করে কুষ্টিয়ার বাসে তুলে দিয়ে আসবা। আর ভাইজান এখানে আসার খরটা যেন কেউ না জানে। আচ্ছা আসি বলে অন্ধকারেই হারিয়ে গেলেন তিনি। আমাকে আবার মোটর সাইকেলে চাপানো হলো। নেতার কথা মত গড়াই পার করে বাসে তুলে দ্রুত উধাও হয়ে গেল তিনটি মোটর সাইকেল।

লেখক : জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, কালের কণ্ঠ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা