kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

কভিড-১৯ মোকাবেলায় শেখ হাসিনার সময়োচিত ভূমিকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৯ মার্চ, ২০২০ ২০:৪৪ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



কভিড-১৯ মোকাবেলায় শেখ হাসিনার সময়োচিত ভূমিকা

এ পর্যন্ত বিশ্বে মোট ছয়বার ফু ভাইরাসের মহামারী ঘটেছে। রাশিয়ান ফ্লু (প্রথম বিশ্বমহামারী) ১৮৮৯-১৮৯৪ সময়কালে সংঘটিত হয়েছিল এবং ইহাতে ১ মিলিয়ন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। স্প্যানিশ ফ্লু (দ্বিতীয় বিশ্বমহামারী) ১৯১৮ সালের জানুয়ারি হতে ১৯২০ সালের ডিসেম্ভর পর্যন্ত স্থায়ী ছিল এবং উক্ত মহামারীতে আনুমানিক ৫০-১০০ মিলিয়ন মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সে সময় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছিল যে কারনে মিলিটারি লোকজন বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে চলাচলের কারনে ফ্লু মহামারির দ্রুত বিস্তার ঘটেছিল। ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ১৯৫৮ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী তৃতীয় বিশ্ব ফ্লু মহামারী এশিয়ান ফ্লু নামে পরিচিত। ওই মহামারীতে ২-৪ মিলিয়ন মানুষের প্রানহানি ঘটে। ১৯৬৮ সালের জুলাই হতে ১৯৬৯ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী চতুর্থ বিশ্ব ফ্লু মহামারীতে ১-৪ মিলিয়ন মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৭৭-১৯৭৮ সময়কালে সংঘটিত পঞ্চম বিশ্ব ফ্লু মহামারী যা রাশিয়ান ফ্লু নামে পরিচিত, সে মহামারীতে বিশ্বে প্রায় ৭ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ষষ্ঠ বিশ্ব ফ্লু মহামারী (সোয়াইন ফ্লু) ২০০৯ সালের ১২ এপ্রিল শুরু হয়েছিল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১০ আগস্ট ২০১০ সালে ইহার পরিসমাপ্তি ঘোষণা করে। ওই ফ্লু মহামারীতে বিশ্বে প্রায় ৬ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সাধারণ ফ্লুতে প্রতি বছর বিশ্বে গড়ে ৫ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে যাদের বেশীর ভাগের বয়স ৬৫ বছর বা তদুর্ধ। অর্থ্যা ফ্লু বিশ্বমহামারী বিরল নয়। তবে স্প্যানিশ ফ্লু সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল কেননা ওই ফ্লূতে বিশ্বের প্রায় ৫.৪% মানুষের প্রানহানি ঘটেছিল। । 

ফ্লু ভাইরাস হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায় । হাঁচি কাশির সাথে বের হওয়ার পর ভাইরাস কিছুসময় বাতাসে ভাসমান থাকে এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাষের মাধ্যমে দ্রুত ভিতরে ঢুকে যায়। ইহাছাড়া হাঁচিকাশির মাধ্যমে ও নাকের তরল জাতীয় পদার্থের সংস্পর্শে বিভিন্ন বস্তু ও জিনিস ভাইরাস দ্বারা দুষিত হয়ে যায় , সেই দুষিত বস্তু ও জিনিসের সাথে সুস্থ্য মানুষের আঙুলের স্পর্শ লাগলে আঙুলও ভাইরাস দ্বারা দুষিত হয়ে যায় এবং সেই দুষিত আঙুল নাকে, মুখে ও চোখে স্পর্শ করলে ভাইরাস ভিতরে ঢুকে যায়।  এভাবেই মানুষের মধ্যে ফ্লু ভাইরাস ছড়িয়ে যায়। পত্রিকার মাধ্যমে ছড়ানোর ব্যাপারে বিতর্ক হচ্ছে ,আসলে  গ্রামে-গঞ্জে চায়ের দোকানে একটি পত্রিকা যে ভাবে  বিভিন্ন জনের হাত বদল হয় তাতে করোনা ছড়াতে পারে। একইভাবে টাকার নোটের মাধ্যমেও করোনা ছড়াতে পারে। 

প্রতিটি বিশ্বমহামারী এক একটি নতুন ফ্লু ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। যে কারনে ফ্লুর বিস্তার ঠেকানোর জন্য আগাম কোন ভেকসিন বা ঔষধ মজুদ রাখা সম্ভব হয়নি এবং প্রয়োগ করা যায়নি। কভিড-১৯ বিশ্ব মহামারীও নতুন ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে, যে কারনে ইহা প্রতিরোধের জন্য আগাম কোন ভেকসিন বা ঔষধ মজুদ রাখার সুযোগ ছিল না। কভিড-১৯  ভাইরাসও ফ্লু ভাইরাসের মতই ছড়ায়। সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের হার ও মৃত্যুহার ক্রমাগত বেড়েই চেলেছে । উন্নত, অনুন্নত, সবল, দুর্বল সবার অবস্থা একই রকম। কেউই পারছে না করোনার গতি রোধ করতে। বাংলাদেশে সরকার প্রধান থেকে শুরু করে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র কভিড-১৯ প্রতিরোধ কার্যক্রমে জড়িত। তাতে আশানুরুপ সাফল্যও এসেছে । শেখ হাসিনার সময়োচিত ভূমিকায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে কভিড-১৯ এর আক্রমন ঘটেনি। অল্প কিছু সংখ্যক আক্রান্তের পাশাপাশি মাত্র কয়েকজনের প্রানহানি ঘটেছে। এই অবস্থা ধরে রেখে করোনা নির্মুল করতে পারলে বিশ্বমহামারী নিয়ন্ত্রনের ইতিহাসে শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্যগাথা জায়গা করে নিবে।  

মুসলিম দেশ ইরানে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। অথচ বিচার বিশ্লেষণ না করেই অনেকে সংকীর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করছেন। তারা কি দেখছেন না পরাশক্তি দেশগুলো করোনার বিস্তার থামাতে পারছে না , বিশ্বের এক নাম্বার পরিচ্ছন্ন দেশ সিংগাপুর করোনার আক্রমন বন্ধ করতে পারছে না। স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাষ্ট , যুক্তরাজ্য, জার্মানী পারছে না। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লস করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর বেড়িয়েছে। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী মিঃ বরিস ও তার স্বাস্থ্য মন্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে করোনা থেকে মুক্তির সহজ কোন পথ নেই। ইতিমধ্যে বিশ্বের  প্রায় সকল দেশে করোনা বিস্তার লাভ করেছে। সংস্পর্শের মাধ্যমে যে ভাইরাস ছড়ায় সেটা রোধ করা কঠিন।  

চীন রেজিমেন্টেড সমাজতান্ত্রিক সোসাইটি, সেখানে গনকোয়ারেন্টাইন শতভাগ কার্যকরী করার ফলে চীন অনেকখানি সফল হয়েছে। মানুষের যেমন ফ্লু হয় তেমনি প্রানিকুলেরও ফ্লু হয়। যেমন সোয়াইন বা পিগ ফ্লু হর্স ফ্লু, বার্ডস ফ্লু ইত্যাদি। সোয়াইন এর দেহে একই সাথে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস, মানুষের ফ্লু ভাইরাস ও বার্ডস ফ্লু ভাইরাস দ্বারা সংক্রমণ ঘটতে পারে এবং  ওই ৩টি ভাইরাস একে অপরের সাথে জিন এর আদান প্রদানের মাধ্যমে নতুন ভাইরাসের জন্ম দিতে পারে। তা যদি হয় তাহলে তার দ্বারা বিশ্বে ভয়াবহ ফ্লু মহামারী ঘটতে পারে। যে কারণে ২০০৯-২০১০ সময়কালের সোয়াইন ফ্লু প্যান্ডেমিক বিশ্বকে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি দিয়েছিল। বাংলাদেশে যদিও আক্রমন ও মৃত্যুর হার সীমিত তথাপি সরকার অত্যন্ত বিচনতার সাথে করোনা প্রতিরোধ করছেন এবং তারই অংশ হিসাবে ২৬-০৩-২০২০ তারিখ হতে ০৪-০৪-২০২০ পর্যন্ত সরকারী ছুটি ও যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।  

বিশ্বের দ্বিতীয় ফ্লু মহামারী স্প্যানিশ ফ্লু নামে পরিচিত। অথচ ইহা স্পেনে শুরু হয়নি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে স্পেন নিরপে ছিল। তারা মহামারীর সঠিক চিত্র তুলে ধরতো। অন্যদিকে পরাশক্তি ও তাদের সহযোগী দেশগুলো জনগণের মনোবল ভেঙ্গে পড়ার আশংকায় মহামারীর সঠিক তথ্য প্রকাশ করতো না। তাই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ওই মহামারীকে স্প্যানিশ ফ্লুর নামকরন করেছে। 

বিজ্ঞানীরা কভিড-১৯ ভাইরাসের জন্য ভেকসিন তৈরীর চেষ্টা করছেন।  কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো কভিড-১৯ ভাইরাস তার আকৃতি ও গঠন পরিবর্তন করে চলেছে। একদেশ হতে অন্য দেশে প্রবেশের সময় কভিড-১৯ তার আকৃতি ও গঠন পাল্টিয়ে ফেলছে। যে কারণে এক ধরনের আকৃতি ও গঠনের জন্য তৈরী ভেকসিন অন্য আর এক ধরনের আকৃতি ও গঠনের ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না। যে কারণে অতীতে বিজ্ঞানীরা ফ্লুর বিশ্বমহামারী প্রতিরোধ করতে পারেনি। একই কারণে কভিড-১৯ (নতুন ভাইরাস) এর বিশ্ব মহামারীও বিজ্ঞানীরা প্রতিরোধ করতে পারছে না।  অতীতে সংঘটিত বিশ্ব ফ্লু মহামারী গুলো ন্যুনতম ১৮ মাস হতে সর্বোচ্চ ৬০ মাস পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এবারে কতদিন পর বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা করোনা মহামারীর পরিসমাপ্তি ঘোষনা করবে তা এখনই বলা যাবে না। আর সেই ঘোষনার আগ পর্যন্ত আরো কত মানুষের প্রানহানি ঘটতে পারে সেটাও অনিশ্চিত। তবে বাংলাদেশের জন্য আশার আলো রয়েছে তবে সেটা বুঝতে একটু তথ্য বিশ্লেষণ প্রয়োজন। 

যেমন কভিড-১৯ এর প্রথম সনাক্তকরন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বিশ্লেষনে দেখা যায় যে বাংলাদেশে প্রথম সনাক্ত হয় গত ৭ই মার্চ । ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৪৮জন, এর মধ্যে মৃত্যু ৫ জনের। সিংগাপুরে প্রথম সনাক্ত হয় গত ২৩ জানুয়ারি, ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৭৩২ জন, তার মধ্যে মৃত্যু ২ জনের। থাইল্যান্ডে প্রথম সনাক্ত হয় গত ২৩ মজানুয়ারী , ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত  ১১৩৬ জন, তার মধ্যে মৃত্যু ৫ জনের। মালয়েশিয়ায় প্রথম সনাক্ত হয় গত ২৫শে জানুয়ারি , ২৭মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ২১৬১জন, তার মধ্যে মৃত্যু ২৬ জনের । ওই ৪টি দেশেই তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেঃ বা তার চেয়ে বেশী। কিন্তু ৪টি দেশের কোনটিতেই আক্রান্ত বা মৃত্যুর সংখ্যা লাগামহীন নয় যেটা দেখা যায় দনি কোরিয়া ও ইরানে। বাংলাদেশে ঢাকায় দিনের বেলা গড় তাপমাত্রা ৩২.৫ ডিগ্রি সেঃ , এর কাছা কাছি বা এর চেয়ে বেশী তাপমাত্রার দেশগুলোতেও আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা লাগামহীন নয়।  যেমন সৌদি আরবে ( তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেঃ) ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত  ১১০৪ জন, তার মধ্যে মৃত্যু ৩ জনের। অষ্ট্রেলিয়ায় (তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেঃ) ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ১১০৪ জন, তার মধ্যে মৃত্যু ৩ জনের । আর্জেন্টিনায় (তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেঃ) ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৬৯০ জন, মৃত্যু ১৭ জনের। ভেনিজুয়েলায় (তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেঃ) ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ১০৭, মৃত্যু মাত্র ১ জনের। 
 

অন্যদিকে কম তাপমাত্রার দেশ গুলোর চিত্র ভিন্ন। দনি কোরিয়ায় প্রথম সনাক্ত হয় গত ২০শে জানুয়ারী, ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৯৩৩২জন, মৃত্যু ১৩৯ জনের। দক্ষিন কোরিয়ায় গত জানুয়ারীতে গড় তাপমাত্রা মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেঃ, ফেব্রুয়ারীতে মাইনাস ২ ডিগ্রি সেঃ  এবং মার্চ মাসে ৪ ডিগ্রি সেঃ । ইরানে প্রথম সনাক্ত হয় গত ১৯শে ফেব্রুয়ারী , ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩২৩৩২ জন,  মৃত্যু ২৩৭৮ জনের। ইরানে গত জানুয়ারীতে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেঃ , ফেব্রয়ারীতে ৬.৫ ডিগ্রি সেঃ এবং মার্চে ১১ ডিগ্রি সেঃ। অর্থাৎ উল্লেখযোগ্যভাবে কম তাপমাত্রার দেশ দক্ষিন কোরিয়া ও ইরানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উভয়ই লাগামহীন। তেমনি কম তাপমাত্রার দেশ ইটালি (৫-১১ ডিগ্রি সেঃ) , স্পেন (১১.৫ ডিগ্রি সেঃ), ফ্রান্স (৮.৫ ডিগ্রি সেঃ) , যুক্তরাজ্য (৬.৫ ডিগ্রি সেঃ), চীনের উহান (৪-৬ ডিগ্রি সেঃ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ( ১৪ ডিগ্রি সেঃ) আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উভয়ই অনেকটা লাগামহীন।  উপরোক্ত তথ্য বিশ্লেষনে আশা করা যায় যে প্রতিকুল আবহাওয়ায় (অধিক তাপমাত্রা ও অধিক আঁদ্রতা) অতীতে মোট ৬টি বিশ্ব ফ্লু মহামারীর কোনটিই বাংলাদেশের গায়ে দৃশ্যমান আঁচড় লাগাতে পারেনি তাই এবারও তেমনটি আশা করা যায়।  অর্থাৎ বাংলাদেশের বর্তমান আবহাওয়া হাঁচিকাশির মাধ্যমে , বায়ূর মাধ্যমে অথবা সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এমন ভাইরাসের জন্য অনুকুল নয়। 

করোনা ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর লক্ষন দেখা দিতে  সর্বোচ্চ ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। উক্ত লক্ষনবিহীন সময়েও আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে করোনা ভাইরাস সুস্থ্য মানুষের দেহে বিস্তার ঘটতে পারে। কাজেই উক্ত সময়ে বাহিরে ঘুরাফেরা  করা যাবে না, একে অপরের বাসা বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়া যাবে না, যাকে লকডাউন বলা হয়। লকডাউনের মেয়াদ ন্যুনতম ১৪দিন হলে ভালো হয়। করোনার আক্রমনে শরীরে প্রতিরোধ মতা বা এন্টিবডি তৈরী হতে হতে এক সময় মহামারী থেমে যাবে। সে পর্যন্ত আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে।  সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ। রেমিট্যান্স ভীষনভাবে কমে যাবে। মিডিয়া ও সকল স্তরের মানুষের সচেতনতা এবং সরকারের সর্বাত্বক প্রতিরোধ কার্যক্রম এখন আমাদের ভরসা।
 
লেখক: অধ্যাপক ব্রিগেঃ জেনাঃ (অবঃ) ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া, সাবেক পরিচালক প্রশাসন , বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

 

মতামত লেখকের নিজস্ব

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা