kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আত্মপ্রকাশ করলেন নিভৃতচারী বিজ্ঞানসাধক মুহাম্মদ ইব্রাহীম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আত্মপ্রকাশ করলেন নিভৃতচারী বিজ্ঞানসাধক মুহাম্মদ ইব্রাহীম

নীরবে নিভৃতে কাজ করে গেছেন বিজ্ঞানের সাধনায়। সম্পাদনা করে গেছেন বিজ্ঞান সাময়িকী। এবার প্রকাশিত হলো তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'জীবনস্মৃতিতে মানুষ-দেশ-বিজ্ঞান'। বিজ্ঞান বিষয়ক বিশিষ্ট লেখক, বিজ্ঞান সাময়িকীর সম্পাদক অধ্যাপক মুহাম্মদ ইব্রাহীমের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসে
তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন বিশিষ্টজনরা। তাঁরা বলেন, এই বইটির মধ্যে একটি যুগের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের উপাদান চমৎকারভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে। উপন্যাসের মত উপাদান থাকায় হৃদয়গ্রাহী হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আলোচক ছিলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, অধ্যাপক ভূইয়া ইকবাল ও ড. শামসুল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আহমদ কবির। দুই খণ্ডে বইটি প্রকাশ করেছে মাওলা ব্রাদার্স।

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নির্মূহ ইতিহাস চর্চা হচ্ছে না। মুহাম্মদ ইব্রাহীম নিরাসক্তভাবে তাঁর সময়ের ইতিহাস তুলে ধরেছেন। বইটি পাঠের মাধ্যমে আমরা অনেক পুরানো ঘটনার সঙ্গে, ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার, নতুনভাবে জানার সুযোগ পাব। এ ধরনের বই যত বেশি বের হবে জাতি ততই উপকৃত হবে।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, বইটি পড়ে একজন নতুন মানুষকে আবিস্কার করেছি। মুহাম্মদ ইব্রাহীম আমাদেরই পাশে নীরব থাকেন বলে তাকে বুঝতে পারিনি। তিনি আরো বলেন, যারা সংগ্রাম করেন তারাই আত্মজীবনী লেখেন। ফলে তাদের সংগ্রাম বইয়ের মধ্যে বেঁচে থাকে।

অধ্যাপক ভূইয়া ইকবাল বলেন, বইটি নেহায়েত ব্যক্তির আত্মজীবনী হয়ে থাকেনি; এটি আমাদের চল্লিশ থেকে ষাটের দশকের জীবনচিত্র হয়ে উঠেছে।

শামসুল হোসাইন বলেন, ইতিহাস আমরা পাই একটি কাঠামোবদ্ধভাবে; কিন্তু এ রকম আত্মজীবনীর মধ্যে সামাজিক ইতিহাসের চিত্র পাওয়া যায়। পড়লে উপন্যাসের স্বাদ পাওয়া যায়।

আত্মজীবনী লেখা প্রসঙ্গে মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, স্মৃতিগুলো এত মজার, মনের মধ্যে সিনেমার মত ঘুরছিল, আনন্দের জন্যই লিখেছি। তরুণরা বইটি পড়ে হারিয়ে যাওয়া একটি সময়কে খুজে পেতে পারে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা