kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব

শেষ দিনে গাইবেন যাঁরা

আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব ২০১৮’। তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের শেষ দিন আজ। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয়ে এ উৎসব চলবে রাত ১২টা পর্যন্ত। আজ যাঁদের পরিবেশনা থাকছে তাঁদের নিয়ে এই আয়োজন

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেষ দিনে গাইবেন যাঁরা

লাস মিগাস

শাফকাত আমানত আলী

ওস্তাদ আমানত আলী খানের ছেলে। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতে পাতিয়ালা ঘারানার অনুসারী তাঁদের পরিবার। ১৯৬৫ সালে লাহোরে জন্ম। চার বছর বয়স থেকেই সংগীতে তামিল নেন। সুফি ও লোকজ সংগীতের জন্যও সমাদৃত তিনি। রক ব্যান্ড ‘ফুজন’-এর ভোকাল হিসেবেও জনপ্রিয় ছিলেন। তবে উপমহাদেশে ব্যাপক পরিচিতি পান বলিউডে গেয়ে। ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’ ছবির ‘মিতওয়া’ ২০০৬ সালে টপ চার্টের শীর্ষে ছিল। কোক স্টুডিওর প্রায় সব সিজনেই জনপ্রিয়তা পায় তাঁর গাওয়া গান। ২০০৮ সালে পাকিস্তানের ‘প্রেসিডেন্ট প্রাইড পারফরম্যান্স’ পুরস্কার পান শাফকাত।

লাস মিগাস

স্পেনের বার্সেলোনার ব্যান্ড দলটি যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালে। তাদের গানকে নির্দিষ্ট কোনো ঘরানায় ফেলা যায় না। দলের কাণ্ডারি চার কন্যা—বেগো সালাযার, মারতা রোবলস, আলিশিয়া গ্রিলো ও রসার লসকস। ২০১৭ সালে তাদের সর্বশেষ অ্যালবাম ‘ভেন্তে কনমিগো’ ১৮তম ল্যাটিন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পেয়েছিল।

 

বাউল কবির শাহ

দরদি গায়কি দিয়ে তিনি দর্শক মাতিয়ে রাখেন। জন্ম ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনে। ১৩ বছর বয়স থেকেই সংগীতচর্চা শুরু করেন। বাউলসম্রাট শাহ আব্দুল করিমের কাছে গানে হাতেখড়ি। বিচ্ছেদ ভাবের গান, ভাটিয়ালি, মুর্শিদী গানে তিনি বিশেষ পারদর্শী।

শায়ান চৌধুরী অর্ণব

গায়ক, গীতিকার, চিত্রশিল্পী—শায়ান চৌধুরী অর্ণবকে চেনানো যায় নানা পরিচয়েই। জন্ম ১৯৭৯ সালের ২৭ জানুয়ারি। বাবা স্বপন চৌধুরী চিত্রশিল্প, চাচা প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী তপন চৌধুরী। ক্লাস সেভেনেই অর্ণব হাতে তুলে নেন এসরাজ। পরে পড়তে যান শান্তিনিকেতন। সেখান থেকে ফিরে বন্ধুরা মিলে তৈরি করেন ব্যান্ড ‘বাংলা’। তুমুল জনপ্রিয়তা পেলেও ভেঙে যায় ব্যান্ডটি। গানে প্রতিদিনের জীবনযাপনের ছাপ থাকায় তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় অর্ণব। তাঁর গানের কথা ‘হোক কলরব’ ছিল কলকাতার একটি আন্দোলনের স্লোগান।

 

নকশিকাঁথা

২০০৭ সালে গড়ে ওঠে ব্যান্ড ‘গানওয়ালা’। বিভিন্ন সামাজিক সংকট নিয়ে গান করত তারা। ২০১১ সাল থেকে লোকগান নিয়ে মেতে ওঠে দলটি। নাম বদলে হয় ‘নকশিকাঁথা’। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকগান বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করে দলটি, সেই সঙ্গে বিদেশের লোকগানও দেশের দর্শকের সামনে তুলে ধরছে। দলের সদস্যরা হলেন সাজেদ ফাতেমী, বুলবুল, সুমন, রাবাব, দোতারা, ফয়সাল ও রোমেল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা