kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

মোরেলগঞ্জে আ. লীগের দুই নেতা হত্যা

চেয়ারম্যানসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চেয়ারম্যানসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

শহিদুল ইসলাম

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় ওই দলেরই এক ইউপি চেয়ারম্যান ও পাঁচ ইউপি সদস্যসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ। আট মাস তদন্ত শেষে গতকাল বুধবার দুপুরে বাগেরহাট আমলি আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) ঠাকুর দাস মণ্ডল এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গত বছরের ১ অক্টোবর বিকেলে দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনছার আলী দিহিদার (৫২) ও শুকুর শেখকে (৪০) বাড়ি থেকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ঠাকুর দাশ মণ্ডল জানান, অভিযোগপত্রে মোট ৫৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত হচ্ছেন দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফকির (৫৫)। অন্য অভিযুক্তদের মধ্যে ওই ইউপির পাঁচ সদস্য, একজন দফাদার, একজন চৌকিদারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারাসহ ১৪টি ধারায় অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা আনছার আলী ও শুকুর শেখের হত্যা মিশনে সরাসরি অংশ নেন ১৯ জন। এর নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান শহিদুল ফকির। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডে মোট ৫৮ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশ।

মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ফকিরসহ ২৬ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। উচ্চ আদালত থেকে সাময়িক জামিনে আছেন একজন এবং পলাতক ৩১ জন।

অভিযোগপত্র দাখিল করার সময় মামলার বাদী নিহত শুকুর শেখের ভাই ফারুক আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি অভিযোগপত্রে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, জোড়া হত্যার ঘটনায় থানা ও আদালতে হওয়া আলাদা তিনটি মামলায় মোট ৭৪ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তদন্তে কিছু বাদ পড়েছে, কয়েকজনের নাম যুক্ত হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তে স্থানীয় ৫৪ জনসহ মোট ৮২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা