kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

খুন করে বোরকা পরে পালাতে গিয়ে ধরা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২৭ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভাড়াটে খুনির হাতে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছে। ঘটনার পরদিন গতকাল সকালে স্ত্রীর বোরকা পরে পালাতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে ওই ভাড়াটে দলের এক সদস্য। পরে তাকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ওই খুনির নাম মো. বাবলু মিয়া (৩৫)। সে উপজেলার চরভেলামারী গ্রামের মো. শহিদুল্লাহর ছেলে। পেশায় একজন মাইক্রোবাসচালক।

গত শনিবার রাত ১টার দিকে পাশের চরলক্ষ্মীদিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের কলেজ পড়ুয়া ছেলে হৃদয়কে কুপিয়ে হত্যা করে তার বন্ধু ও একদল ভাড়াটে খুনি। পরে রাতেই এই দলের এক সদস্যকে খুন করে রক্তমাখা গেঞ্জি পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা ধরে ফেলে। এ সময় সে খুনের ঘটনা প্রকাশ করে। সে জানায়, তার নাম শাহিন মিয়া। সে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার আব্দুল কাদিরের ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে তার দেখানো মতে একটি সেতুর নিচ থেকে নিহত হৃদয়ের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, নিহত হৃদয়ের বন্ধু পাশের বাড়ির নাজিম উদ্দিনের ছেলে ইলিয়াছ উদ্দিনের সঙ্গে নিজের চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। একপর্যায়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে ইলিয়াছ। এ ঘটনায় মোট পাঁচজন অংশ নেয় বলে জানায় আটককৃত শাহিন।

গতকাল দুপুরে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্ত আরেক খুনিকে বোরকা পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা আটক করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ত্রিশালের বালিপাড়া থেকে বাবলুকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। বাবলু জানায়, স্ত্রীর বোরকা পরে পালানোর চেষ্টার সময় মুখ থেকে বোরকার অংশ খুলে গেলে স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে তাকে ধরে ফেলে। আটককৃত বাবলু হৃদয় হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে স্বীকার করেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা