kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

বয়স দেড়, অথচ বাবা!

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামের উলিপুরে আনোয়ারুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বয়স কম দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পিয়ন পদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারণার আশ্রয় নিতে গিয়ে তাঁর বয়স দাঁড়ায় ছেলের বয়সের তুলনায় দেড় বছর বেশি। ২০১৬ সালে ওই নিয়োগ হলেও সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়।

তবকপুর আবু বকর সিনিয়র মাদরাসায় ২০১৬ সালে পিয়ন পদে নিয়োগ পান আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি খামার তবকপুর গ্রামের মৃত উমর আলীর ছেলে। মূলত পঞ্চম শ্রেণি পাস হলেও নিয়োগে তাঁকে অষ্টম শ্রেণি পাস দেখানো হয়। তাঁর এমপিও হয় ২০১৮ সালের মার্চে। এমপিও শিটে ইনডেক্স ২১২১৭৮৫ নম্বরে তার জন্ম তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ দেখানো হয়, তবে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮। অর্থাৎ তাঁর বয়স ১৭ বছর কম দেখানো হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি। তা ছাড়া ২০১০ সালে এসএসসি পাসের সনদ অনুযায়ী তাঁর বড় ছেলে আবু সুফিয়ানের জন্ম তারিখ ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৬। সে হিসেবে তিনি ছেলের তুলনায় দেড় বছরের বড়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুুুক একাধিক শিক্ষক জানান, আনোয়ারুল ইনডেক্স ২১২১৭৮৫ নম্বর এবং কাবিল ২১১৮২৯২ ইনডেক্স নম্বরে নিয়মিত বেতন-ভাতাদি তুলছেন। তাঁরা দুজনই ১৬ লাখ করে ৩২ লাখ টাকায় নিয়োগ পেয়েছেন। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ ঠিক রেখে তাঁরা দুজনই সাল পরিবর্তন করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তারপরও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল আলম জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে হলে কারো চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা