kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

টুঙ্গিপাড়ায় অনুদানের লোভ দেখিয়ে প্রতারণা

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান এনে দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কাজ করে দেওয়ার জন্য উপজেলার বাশুরিয়া গ্রামের ১১০ জনের কাছ থেকে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা করে নিয়েছেন একই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত শেখের পুত্রবধূ নাজনীন আক্তার ঝুমুর (২৪)। সে হিসেবে তিনি দুই লাখেরও বেশি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে দরিদ্রদের ঘর দেওয়ার কথা বলে ৫-১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  নাজনীন আক্তার ঝুমুর উপজেলার গিমাডাঙ্গা গ্রামের সাফায়েত শেখের মেয়ে ও বাশুরিয়া গ্রামের আত্তাব শেখের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ-ছয় মাস আগে ঝুমুর হঠাৎ করে গ্রামের কয়েকজনের বাড়ি গিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে টাকা এনে দেবেন। এ জন্য তাঁকে কিছু টাকা দিতে হবে। তাঁর কয়েক দিন পরে ঝুমুর দুই-তিনজনকে ১০ হাজার করে টাকা দেন। তাই অনুদান পাওয়ার জন্য গ্রামের ১১০ জন তাদের ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, দুই কপি ছবি ও নগদ টাকা দিয়েছে ঝুমুরকে। কিন্তু টাকা দেওয়ার কিছুদিন পরেই ঝুমুর তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে যান। তবে মাঝেমধ্যে শ্বশুরবাড়ি আসেন তিনি। অনেক দিন হয়ে গেলেও অনুদান না পাওয়ায় কয়েকজন টাকা ফেরত চাইলে শুরু হয় টালবাহানা ও হুমকি-ধমকি।

বাশুরিয়া গ্রামের ভুক্তভোগী খাদিজা বেগম বলেন, তিনি ও তাঁর দেবর দবির শেখের নামে অনুদান পাওয়ার জন্য দুই হাজার ৪০০ টাকা দিয়েছেন ঝুমুরকে। একই গ্রামের অজিত মণ্ডল, কবির শেখ, বদির শেখ, হেদায়েত শেখ, রতন মণ্ডল, বাবু মণ্ডল, রঞ্জিত মণ্ডল জানান, তাঁদের কাছ থেকে ঝুমুর এক হাজার ৫০০ করে টাকা নিয়েছেন।

ঝুমুরের চাচাশ্বশুর আওলাদ শেখ বলেন, ‘ঝুমুর যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তাদের ১১০ জনের তালিকা আমাকে দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ১০-১৫ জনের কাছ থেকে ঘর দেওয়ার কথা বলে ৫-১০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে শুনেছি।’

ঝুমুরের শ্বশুর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ঝুমুর আমাকে বলেছে, টুঙ্গিপাড়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফা তাঁকে গণভবনে নিয়ে গিয়েছিলেন।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা