kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

পাকুন্দিয়ায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় সার্কাসের হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার পাকুন্দিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাড়িতে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনা দেখা যায়।

জানা যায়, উপজেলার নারান্দি ইউনিয়নের পোড়াবাড়িয়া মেলা বাজারে গত ২৪ এপ্রিল থেকে সার্কাস শুরু হয়েছে। বর্তমানে রমজান মাসের জন্য বন্ধ থাকলেও ঈদের দিন থেকে আবার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এক মাসের এ অবসর দিনগুলো এলাকায় ঘুরে ঘুরে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করে আয়-রোজগার করছে সার্কাস কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল আকৃতির একটি হাতির পিঠে বসে আছেন হাতির মাহুত রিপন। গ্রামের কাঁচা মেঠোপথ দিয়ে মাহুতকে পিঠে নিয়ে এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি যাচ্ছে। বাড়ির গেটের সামনে গিয়ে বাড়ির মালিককে শুঁড় উঁচু করে আওয়াজ দিয়ে জানাচ্ছে সালাম। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত হাতি জায়গা থেকে নড়ছে না।

মঙলবাড়িয়া গ্রামের আশফাকুজ্জামান পুলক বলেন, হাতিকে ২০ টাকা করে দিতে হবে। ২০ টাকার কম দিলে তা গ্রহণ করে না। মাটিতে ফেলে দেয়। ২০ টাকা দিলে এরপর হাতিটি পিঠে বসে থাকা মাহুতকে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা দেয়।

এলাকারই আওয়াল মিয়া বলেন, হাতি বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালে ভয়ে বিড়ম্বনা এড়াতে বাড়ির লোকজন বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেয়, যাতে হাতি বাড়ির সামনে থেকে তাড়াতাড়ি চলে যায়। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি গিয়ে টাকা আদায় করছে। এভাবে প্রতিদিন এই হাতি দিয়ে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার টাকা আয় করে। এটি ঠাণ্ডা মাথার চাঁদাবাজি।

এ ব্যাপারে হাতির মাহুত রিপন মিয়া বলেন, হাতিটি পালতে দুজন লোক লাগে। দুজন লোকের পেছনে প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচ শ টাকা খরচ আছে। এ ছাড়া হাতিরও একটা খরচ আছে। এই খরচগুলো মেটাতে মাঝে মাঝে এলাকায় হাতি নিয়ে বের হই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা