kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

মুক্তিযোদ্ধাকে চলাফেরায় বাধা

থানায় অভিযোগ দেওয়ায় বাড়িতে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও নিজ গ্রামের কিছু ব্যক্তির কারণে প্রতিনিয়ত হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে আমাকে। ওরা আমাকে মাঠে-ঘাটে ও বাজারে যেতে দেয় না। রাস্তায় চলার সময়ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। বাজারের কারো দোকানে চা খেতে গেলে দোকানিকে গালিগালাজ করে এবং চা দিতে নিষেধ করে। তিন সন্তান সরকারি চাকরি করে; কিন্তু হামলার ভয়ে ওরা কেউ বাড়িতে আসে না। আমিও একই আতঙ্কে বাড়িছাড়া। মাঠে সামান্য কৃষিজমি আছে; কিন্তু ওদের ভয়ে তা চাষ করতে যেতে পারি না। যারা আমাকে নিয়মিত হেয় প্রতিপন্ন এবং সামাজিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করছে তারা সবাই পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমনের লোক।’ এভাবেই আক্ষেপ করে এই প্রতিবেদকের কাছে কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের বিরিকয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল মিয়া ওরফে ফুল মিয়া।

গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদস্য ছোট ছেলের পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধা ফুল মিয়া কুমারখালী থানায় গিয়েছিলেন অভিযোগ দিতে। অভিযোগ দিয়ে বাড়িতে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই সুমনের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা করে এবং তাঁকে মারধর করে।

কুমারখালী থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিরিকয়া গ্রামের একজন মুক্তিযোদ্ধা অভিযোগ দিয়ে গেছেন তাঁকে সামাজিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। এলাকাছাড়া করতে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। থানায় অভিযোগ দিয়ে ফেরার পর বাড়িতে হামলা হয়েছে বলেও খবর পেয়েছি। তাৎক্ষণিক একজন এএসআইকে পাঠিয়েছি। আগামী মঙ্গলবার সবাইকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। দেখি কী করা যায়।’

পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন বলেন, ‘আমি ছাড়া যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা তাঁরই আত্মীয়স্বজন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা