kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

পার্বতীপুরে পোশাকের ‘গলাকাটা’ দাম

আবদুল কাদির, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)   

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ঈদের বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। বস্ত্র বিপণিগুলোতে মালিক ও কর্মচারীদের দম ফেলার ফুরসত নেই। তারা হিমশিম খাচ্ছে ক্রেতা সামলাতে। তবে সাধারণ জিনিসের দাম শুনে হতভম্ব হয়ে পড়ছে ক্রেতারা। মাছ-মাংস ও কাঁচাবাজারে মূল্যতালিকা টানানোর নির্দেশনা থাকলেও পার্বতীপুরের কোনো দোকান কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এখন পর্যন্ত তা টানানো হয়নি। অন্যদিকে বস্ত্র বিপণিগুলোতে ‘গলাকাটা’ দাম রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে ক্রেতারা। এসব দেখার জন্য রয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তর; কিন্তু তাদের নেই কোনো তৎপরতা।

তৈরি পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল, কসমেটিকসের দোকানগুলোতে দাম সবচেয়ে বেশি রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকের দাম এত বেশি নেওয়া হচ্ছে যে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সদস্যরা তাদের সাধ্যের মধ্যে কোনো কিছু কিনতে পারছে না। বাধ্য হয়ে তারা ফুটপাতের দোকানগুলোতে ছুটছে।

রসুলপুর গ্রামের মর্জিনা খাতুন (৫০) শুক্রবার সকালে তাঁর দুই নাতিকে নিয়ে পার্বতীপুর শহরে পোশাক কিনতে আসেন। তিনি জানান, চামড়ার স্যান্ডেল সারা বছর ৫০০ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন তা ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দুই কন্যাসন্তানের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারের প্রতিটি জিনিসের দাম নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। আগে দুই মণ ধান বিক্রি করে অন্তত সুতির থ্রিপিস কেনা যেত। কিন্তু এখন এর দাম চাইছে দুই হাজার টাকারও বেশি।

এ ব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানুল হক বলেন, এরই মধ্যে শহর ও গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে মূল্যতালিকা টানানোর জন্য মাইকিং হয়েছে। শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মন্তব্য