kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

শেরপুর জেলা আ. লীগ সভাপতি ও হুইপ পদ থেকে আতিকের অব্যাহতি দাবি

শেরপুর প্রতিনিধি   

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপির হুইপ ও দলীয় সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-১ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু। গতকাল বুধবার জেলা কৃষক লীগ কার্যালয়ে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এই দাবি জানান। এ সময় তাঁরা লিখিত বক্তব্যে হুইপ আতিক এমপির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, রাজনৈতিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং অপছন্দের দলীয় নেতাকর্মীদের মিথ্যা ও সাজানো মামলায় জড়ানোর অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

গত ১৯ এপ্রিল শুক্রবার রাতে কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিছিল থেকে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপির নাম উচ্চারণ করে অশালীন স্লোগান দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সদর থানার এসআই সুরেশ রাজবংশী বাদী হয়ে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুমান ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুর ভাইসহ তাঁদের সমর্থক যুবলীগ-ছাত্রলীগ-কৃষক লীগের ২৯ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরো অজ্ঞাতপরিচয় ২০-৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার প্রতিবাদে তাঁরা সংবাদ সম্মেলন করে হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে ছয় দফা অভিযোগ তুলে দলীয় সভাপতি ও হুইপ পদ থেকে তাঁর অব্যাহতির দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে রুমান-ছানু দাবি করেন, ১৯ এপ্রিল কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে কোনো ধরনের নাশকতা সৃষ্টি কিংবা শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রকৃতপক্ষে আগামী উপজেলা নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশকে ব্যবহার করে হুইপ আতিক ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, সাজানো মামলা দায়ের করে হয়রানির পথ বেছে নিয়েছেন। মামলার তথাকথিত ঘটনাসহ সদর থানার ওসির পক্ষপাতিত্বের বিষয়টি পুলিশের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও তাঁরা জানান।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপি সাংবাদিকদের বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর। জনগণ জানে শেরপুরে কারা সন্ত্রাসী। এলজিইডি, বাস-কোচ মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন দপ্তর কারা জিম্মি করে রেখেছে। তিনি আরো জানান, প্রশাসনিকভাবেই মামলা হয়েছে। এখানে কোনো হস্তক্ষেপ হয়নি।

 

মন্তব্য