kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

নেত্রকোনার আঞ্জু ও ফকিরের রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নেত্রকোনার আঞ্জু ও ফকিরের রায় আজ

নেত্রকোনার আটপাড়ার হেদায়েতুল্লাহ আঞ্জু ও সোহরাব ফকিরের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ৭ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে যে কোনো দিন রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার দুই আসামির মধ্যে সোহরাব ফকির গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি রয়েছেন। আরেক আসামি হেদায়েতুল্লাহ ওরফে আঞ্জু পলাতক। সোহরাব ফকিরকে গতকাল ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। তাপস জানান, এই মামলায় আসামি ছিল তিনজন। এরমধ্যে এনায়েত উল্লাহ ওরফে মঞ্জু গ্রেপ্তার হওয়ার পর চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায়। হেদায়েতুল্লাহ ওরফে আঞ্জু পলাতক এবং অপর আসামি সোহরাব ফকির গ্রেপ্তার হয়।

২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্য হেদায়েতুল্লাহ আঞ্জু বিএসসি, এনায়েত উল্লাহ ওরফে মঞ্জু এবং সোহরাব ফকির ওরফে সোহরাব আলীর বিরুদ্ধে ছয় ধরনের অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এদের মধ্যে আঞ্জু-মঞ্জু দুই ভাই। একই বছরের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান মঞ্জু। আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালে আসামিদের বিরুদ্ধে ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার তিন আসামির বাড়িই নেত্রকোনার আটপাড়া থানার কুলশ্রীতে। তবে আঞ্জুর পরিবারের বসবাস রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার হেতেম খাঁ মেথর পাড়ায়। অপরদিকে, সোহরাবের পরিবার থাকে নেত্রকোনা জেলার মদন থানার জাহাঙ্গীরপুরে।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ এবং দেশত্যাগে বাধ্যকরণের মতো ছয় ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। নেত্রকোনার আটপাড়া থানার মধুয়াখারী গ্রাম, মোবারকপুর গ্রাম, সুখারী গ্রাম এবং মদন থানার মদন গ্রামে তারা এসব অপরাধ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। আসামিদের তিনজনই একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়।

 

মন্তব্য