kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

‘কামান’ দাগিয়েও কাজ হয়নি

শাহাদাত তিমির, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মশার কমড়ে অতিষ্ঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মশার কামড় থেকে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। হলের আবাসিক এলাকার পাশে পানি-আবর্জনা থেকে মশা জন্ম নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফগিং করেও তাতে কাজ হচ্ছে না।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আটটি আবাসিক হল। হলের ডাইনিং এলাকাসহ ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। আবাসিক হলে মশা জন্ম নিচ্ছে। এ ছাড়া হলের পাশের আগাছা পরিষ্কার না করাও মশা বাড়ার অন্যতম কারল। মশার যন্ত্রণায় ঠিকভাবে পড়ালেখা করতে পারছেন না তাঁরা। শিক্ষার্থীর পাশাপাশি আবাসিক শিক্ষক-কর্মকর্তারা অতিষ্ঠ মশার উৎপাতে। ভবনের পার্শ্ববর্তী আগাছা-জঙ্গল পরিষ্কার না করার অভিযোগ তাঁদের।

এ বিষয়ে জিয়া হলের শিক্ষার্থী আদিল সরকার বলেন, ‘মশার হাত থেকে বাঁচতে মাঝে মাঝে মশারি টানিয়ে পড়ালেখা করতে হয়। নিয়মিত হলের পাশের আগাছা পরিষ্কার করলে মশা কিছুটা কমত। হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার স্প্রে করা হয়নি। মশার কামড় থেকে যেকোনো সময় ডেঙ্গু হতে পারে।’

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে মশা নিধনের জন্য ফগিং করা হচ্ছে। কাটা হচ্ছে আগাছা। তাতে সমস্যার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

অন্যদিকে হলে হলে সাপের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ থেকে বাঁচতে কার্বোলিক এসিড ব্যবহার করেনি কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দে ও পাওয়া যায় না বিষ প্রতিশোধক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দে র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এটি প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্র, সীমাবদ্ধতা আছে।’

প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আকরাম হোসেন মজুমদার বলেন, ‘বুধবার প্রশাসনের সঙ্গে একটি মতবিনিময় আছে, কথা বলব।’

ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ  বর্ম্মণ বলেন, ‘মশার জন্য আবাসিক এলাকায় ফগিং করা হয়েছে।’

মন্তব্য