kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষকের প্রতারণা

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদারীপুরের কালকিনি মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। তিনি পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়েও পাস করিয়ে দেননি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। শিক্ষকের এমন প্রতারণার বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম জুয়েল হাওলাদার। সে পৌর এলাকার চর ঠেঙ্গামাড়া গ্রামের শাহীন হাওলাদারের স্কুলপড়ুয়া ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কালকিনি মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয় জুয়েল। বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের কাছে প্রাইভেট পড়ত সে। কিন্তু পরীক্ষায় ইংরেজি ও গণিতে অকৃতকার্য হয় জুয়েল। অকৃতকার্য হওয়া দুটি বিষয় পাস করিয়ে দিয়ে দশম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে গণিত শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ জুয়েলের কাছ থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা নেন। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। নিরুপায় হয়ে শিক্ষার্থী জুয়েল এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জুয়েল বলে, ‘পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে কালাম স্যার আমার কাছ থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। কিন্তু টাকা নিয়ে কোনো কাজ করেননি তিনি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না।’

অভিযুক্ত কালকিনি মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।’

কালকিনি উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমার কাছে ছাত্র জুয়েল এ বিষয় একটি অভিযোগ করেছে। বিষয়টি আমি দেখছি।’

কালকিনি মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমানকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

 

মন্তব্য