kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

‘অবরোধে লাভবান হবে ভারতীয় জেলেরা’

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কয়েক বছর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে প্রতিবছরের ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা চলতি মৌসুমে বাস্তবায়ন করার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু উল্লিখিত সময়সীমা পুনর্নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়।

গতকাল শনিবার সকালে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের শেখ রাসেল সেতুতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

আলীপুর, মহিপুর ও কুয়াকাটা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি এবং আলীপুর ফিশিং বোট মালিক সমিতিসহ জেলে পেশার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও ট্রলার মালিকরা অংশ নেয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বৈশাখ থেকে আশ্বিন—এ ছয় মাস ইলিশ পাওয়া গেলেও মূলত জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। এ সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় জেলেরা গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারে না।

বক্তারা আরো বলেন, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই—এ দীর্ঘসময় বাংলাদেশের জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রাখলেও ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে ইলিশ শিকার করবে। এতে উপকূলের জেলেরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আর লাভবান হবে ভারতীয় জেলেরা। তাই মেরিন ফিশারিজ অর্ডিনেন্স ১৯৮৩-এর ধারা ১৮ সংশোধন করে ধারা ১৯-এর পুনঃ সংশোধনপূর্বক ট্রলারসহ সব ইঞ্জিনচালিত নৌকায় মাছ ধরার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মহিপুর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাছুম বেপারী, লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং কুয়াকাটা ও আলীপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনছার উদ্দিন মোল্লা, মহিপুর ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার গাজী, মাছ ব্যবসায়ী ফজলু গাজী, ট্রলার মালিক আসাদুজ্জামান দিদার, জলিল হাওলাদার প্রমুখ।

মন্তব্য