kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

কালীগঞ্জে ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে চলছে পাঠদান

ফ্যান খুলে মাথায় পড়ার আশঙ্কা

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভূমিকম্পের পর কালীগঞ্জের বনখির্দ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি ফেটে যায়। খুঁটিগুলো থেকে পলেস্তরা খসে পড়ে রড বেরিয়ে গেছে। ছাদে ঝোলানো ফ্যানগুলো কখন যে মাথায় ভেঙে পড়ে এমন আশঙ্কাও রয়েছে। সেই ফেটে যাওয়া ভবন কোনোরকমে মেরামত করে ঝুঁকির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসিত কুমার ঘোষ জানান, বিদ্যালয়টি ১৯৭৫ সালে স্থাপিত। ১৯৯২-৯৩ অর্থবছরে চার কক্ষের একটি বিদ্যালয় ভবন নির্মিত হয়। চার বছর আগে ভূমিকম্পে সেই ভবন ফেটে যায়। পরে কিছুটা মেরামত করে এখনো সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে ২৪৩ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করানো হচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

এ ছাড়া উপজেলার সিংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিল্পী আক্তার জানান, তাঁর বিদ্যালয়ে ২৮৫ জন শিক্ষার্থী আছে। বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল ফেটে গেছে। রাস্তার পাশ দিয়ে গাড়ি গেলে সেটি কেঁপে ওঠে। বিদ্যালয় ভবনটি দুই বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে তাঁরা আর ক্লাস নেন না। ২০০৪ সালে পিইডিবি-২ প্রকল্পের আওতায় তিন কক্ষের একটি ভবন করে দেওয়া হয়েছে। শ্রেণিকক্ষ স্বল্পতার কারণে তাঁরা দুই শিফটে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে শুনছি নতুন ভবন হবে; কিন্তু এখনো হয়নি।’

মন্তব্য