kalerkantho

অনিবার্য কারণে আজ শেয়ারবাজার প্রকাশিত হলো না। - সম্পাদক

ভাতা মিলছে না বিধবা এছনা খাতুনের

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাতা মিলছে না বিধবা এছনা খাতুনের

বয়সের ভারে এখন আর আগের মতো পরিশ্রম করতে পারছেন না এছনা খাতুন। সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তাঁর স্বামী আজাহার আলী প্রায় ১৮ বছর আগে মারা গেছেন। দুই মেয়েকে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাঁকে। এছনা খাতুনের বাড়ি লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের নবীনগর গ্রামে। জীবন বাঁচাতে এখনো মানুষের বাড়িতে বাড়িতে কাজ করছেন তিনি।

৬২ বছর বয়সী এছনা খাতুনের কোনো ছেলে নেই। ১৮ বছর আগে স্বামী মারা গেলেও তাঁর ভাগ্যে জোটেনি ১০ টাকার রেশন কার্ড, বিধবা ভাতা বা বয়স্ক ভাতার কোনো কার্ড। এই ১৮ বছরে অসংখ্যবার তিনি ইউপি সদস্যের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

এ ব্যাপারে এছনা খাতুন বলেন, ‘মুই (আমি) খুব অসহায়। মোর কোনো জমি-জায়গা নাই। সরকার বোলে (বলে) গরিব মানসির (মানুষের) জন্যে ১০ টাকা কেজি চাউল (চাল) দেয়, বিধবা ভাতা দেয়, বয়স্ক ভাতা দেয়। আর কত বয়স হইলে মুই (আমি) ১০ টাকার চাউল পাইমু (পাব), বিধবা ভাতা পাইমু?’

এ ব্যাপারে বাউরা ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য ফুলজান বেগম বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন করে রেশন কার্ড, বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতা দিতে পারি নাই। আগের মেম্বার-চেয়ারম্যান যাদের দিয়েছে তারাই পাইতেছে। আমরা ওনার বিষয়ে খুবই অনুতপ্ত। আমরা কোনো কিছু পেলে তার ব্যবস্থা করব।’ বাউরা ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মিজানুর রহমান বাবলু বলেন, ‘ওনার বিষয়টা আমার মাথায় আছে। সামনে কোনো সুযোগ-সুবিধা এলে সবার আগে তার ব্যবস্থা করব।’

 

 

মন্তব্য