kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি

শ্যামনগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শ্যামনগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নকিপুর হরিচরণ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রী বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় এই মামলা করে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সকালে ক্লাস শেষে অন্য শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় ওই ছাত্রীকে শিক্ষক হাফিজুর রহমান আলাদা ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি করেন। ঘটনা জানাজানি হলে সহপাঠীসহ স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা হাফিজুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ওই শিক্ষককে তিন দিনের ভেতরে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শ্যামনগর থানার ওসি হাবিল হোসেন বলেন, হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ীতে কথিত প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির পাশাপাশি মারধর করা হয়। এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে রাজবাড়ী থানায় মামলা করেন।

ঘটনার শিকার ছাত্রীর বাবা জানান, আসামিরা প্রায়ই তাঁর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। গত বুধবার বিকেলে জেলা শহর থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে রাজবাড়ী এলজিইডি ভবনের সামনে আসামিরা তার ওড়না ধরে টান দেয়। তাতে বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজবাড়ী থানার এসআই এনছের আলী বলেন, আসামি মশিউর রহমান মিথুনের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এই ঘটনায় ফজলে রাব্বি শাকিল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিথুনসহ অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে জেলা সদরের সুলতানপুর ইউনিয়নের ধর্মসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সকালে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার শিকার ছাত্রীদের বক্তব্য নিয়েছে।

সদর উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুমের মোবাইল ফোনসেটটি বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

 

মন্তব্য